এই যে কাকভোরে উঠে দরজা ঝাঁট দিই
এই যে হাজারবার গিন্নিমার মুখ শুনি
বৌদির কাপড় আর দাদার ফুলপ্যান্ট কেচে
নড়া ব্যথা করি
বাবুর ধমক খাই অপিসের আগে,
বাচ্চা সামলাই আর এই যে সাতবার ক’রে
দোকানে দৌড়োই, সে তো
মোড়ে তুই রিক্সা নিয়ে আছিস ব’লেই, সে তো
পাসিঞ্জার তুলে কি নামিয়ে তুই
রাস্তা দিয়ে যাচ্ছিস ব’লেই, সে তো
একদিন সবার মুখে ঝাড়ু মেরে ঝাঁটা মেরে
কাকভোরে আমাকে নিয়ে পালাবি ব’লেই, না কি বল?
Related Articles
মরচে পরে না
স্নায়ুতন্ত্রে ইদানিং পুরাতনীর সুর বাজে মনের চাতালে বালি কিচকিচ জং খাওয়া কলমের নীপ বমি করে দুর্গন্ধযুক্ত বস্তাপচা ময়লা চশমার কাঁচ ঘসে ঘসে, ঘসে ঘসে পৃথিবী জুড়ে ব্লার এফেক্ট। কাঞ্চা গুলি গলার নলি চেপে বসে থাকে। শ্বেতপরি ঢেউ এর উদ্দাম ঝাপটা পাগল বাতাসের ফার্নেস হল্কা কোনো কিছুতেই হেলদোল নেই তার। কালশিটে পরা সুখের অ্যালবাম মগজের দেরাজে […]
পহেলা বৈশাখ
মেঘের ডাকের সঙ্গে কাল আমারও সামান্য ডাক মিশে গিয়েছিল ভুলে! ভুল আমি সারা জীবন করেছি অনেক—ভুলে ভুলে ভরে আছে এত্তটুকু ছোট্ট লগবুক! তারও পরে অবিরাম ভুল করে যেতে ইচ্ছে করে! ভুল মানুষের কাছে হাত পেতে খেতে যাই চড় ও চাপড়—অথচ আশ্চর্য, পাই ধুলোমুঠি সোনা! যা চাওয়া উচিত নয় যার কাছে পেয়ে যাই অযাচিত মূল্যবান খনিজ […]
কথা ছিলো সুবিনয়
কথা ছিলো রক্ত-প্লাবনের পর মুক্ত হবে শস্যক্ষেত, রাখালেরা পুনর্বার বাশিঁতে আঙুল রেখে রাখালিয়া বাজাবে বিশদ। কথা ছিলো বৃক্ষের সমাজে কেউ কাঠের বিপনি খুলে বোসবে না, চিত্রর তরুন হরিনেরা সহসাই হয়ে উঠবে না রপ্তানিযোগ্য চামড়ার প্যাকেট। কথা ছিলো , শিশু হবে পৃথিবীর শ্রেষ্ঠতম সম্পদের নাম। নদীর চুলের রেখা ধরে হেঁটে হেঁটে যাবে এক মগ্ন ভগীরথ, কথা […]

