এই যে কাকভোরে উঠে দরজা ঝাঁট দিই
এই যে হাজারবার গিন্নিমার মুখ শুনি
বৌদির কাপড় আর দাদার ফুলপ্যান্ট কেচে
নড়া ব্যথা করি
বাবুর ধমক খাই অপিসের আগে,
বাচ্চা সামলাই আর এই যে সাতবার ক’রে
দোকানে দৌড়োই, সে তো
মোড়ে তুই রিক্সা নিয়ে আছিস ব’লেই, সে তো
পাসিঞ্জার তুলে কি নামিয়ে তুই
রাস্তা দিয়ে যাচ্ছিস ব’লেই, সে তো
একদিন সবার মুখে ঝাড়ু মেরে ঝাঁটা মেরে
কাকভোরে আমাকে নিয়ে পালাবি ব’লেই, না কি বল?
Related Articles
অনন্ত যাত্রা (কবি – নিলয়)
যাবো বলেই আসা এই তো ছিল কথা – নয় কি ? তাহলে একেলা যেতে এই বেলা – ভয় কি ? পথ নেই চেনা, তোমার ঠিকানা আছে জানা, জানি দেখা হবে, কোথায় কিভাবে – অজানা ! যদি বলো কি এনেছো দেখি, হায় রে – রিক্ত দু হাত দেবার যে কিছু নাই রে! খুঁজেছি তোমারে আর […]
যবনিকার ভূমিকা
বসি কাহারো লাগি, ঐ পথ চাহি, আলোখানি জ্বালিয়া কে এসেছিল? কে বা তাহা জানে, মনের সে ভাঙা দ্বার খুলিয়া মনের কুঁড়ি, ফুল হবে যবে, ফেলনা তাহারে তুলিয়া আপন গৃহ ত্যাজি, তারে হেরি ফিরি আজি, এই পরবাসে সকল রাগ-অনুরাগ, ঐ বয়ে যায় বিষণ্ণ বাতাসে সুবিজন দেশে, ধাই অনিমেষে, কেন তবু আজি আঁখি ভরে আসে দগ্ধ রাজপথে […]
সোনার কলসী ভেঙে যায়
সোনার কলসী ভেঙে যায়, উজ্জল সিঁড়িতে। পাহাড়ও এমন করে ভাঙে ঝর্ণার আছড়ানো জলে, সাদা ফেনা, ঘুর্ণিময় তোড়, অথচ তা রক্তারক্তি যুদ্ধদাঙ্গা নয়। এই ভাঙ্গা পরস্পর মিশে যাবে বলে এর স্বাদ ওর, করতলে ওর দেহে ঢলোঢলো শালবীথি-বাসানো প্লাবনে এর দেহ নেমে যাবে স্নানে। সোনার কলসী ভেঙে যায়, উজ্জল সিঁড়িতে। নবীন জলের ঢেউ ধাপে ধাপে নামে ও […]


