এই যে কাকভোরে উঠে দরজা ঝাঁট দিই
এই যে হাজারবার গিন্নিমার মুখ শুনি
বৌদির কাপড় আর দাদার ফুলপ্যান্ট কেচে
নড়া ব্যথা করি
বাবুর ধমক খাই অপিসের আগে,
বাচ্চা সামলাই আর এই যে সাতবার ক’রে
দোকানে দৌড়োই, সে তো
মোড়ে তুই রিক্সা নিয়ে আছিস ব’লেই, সে তো
পাসিঞ্জার তুলে কি নামিয়ে তুই
রাস্তা দিয়ে যাচ্ছিস ব’লেই, সে তো
একদিন সবার মুখে ঝাড়ু মেরে ঝাঁটা মেরে
কাকভোরে আমাকে নিয়ে পালাবি ব’লেই, না কি বল?
Related Articles
প্রথম কবি তুমি, প্রথম বিদ্রোহী
মাত্র পা রেখেছ কলেজে সেই বার, শব্দ দিয়ে গাঁথো পূর্ব সীমান্তে সাহসী ‘সীমান্ত’। দ্বিজাতিতত্ত্বের লোমশ কালো থাবা শ্যামল সুন্দর সোনার বাংলাকে করেছে তছনছ, গ্রাম ও জনপদে ভীতির সংসার, কেবল হাহাকার। টেবিলে মোমবাতি কোমল কাঁপা আলো বাহিরে বৃষ্টির সুরেলা রিমঝিম_ স্মৃতির জানালায় তোমার মৃদু টোকা। রূপার সংসারে অতিথি সজ্জন শিল্পী কতজন হিসেব রাখিনি তো! স্মরণে ওস্তাদ_ […]
আনন্দেরই সাগর থেকে
আনন্দেরই সাগর থেকে এসেছে আজ বান। দাঁড় ধরে আজ বোস্ রে সবাই, টান রে সবাই টান্। বোঝা যত বোঝাই করি করব রে পার দুখের তরী, ঢেউয়ের ‘পরে ধরব পাড়ি যায় যদি যাক প্রাণ । আনন্দেরই সাগর থেকে এসেছে আজ বান। কে ডাকে রে পিছন হতে, কে করে রে মানা, ভয়ের কথা কে বলে আজ– ভয় […]
যে যায় সে দীর্ঘ যায়
একজন দীর্ঘ লোক সামনে থেকে চলে গেলো দূরে — দিগন্তের দিকে মুখ, পিছনে প্রসিদ্ধ বটচ্ছায়া কে জানে কোথায় যাবে— কোথা থেকে এসেছে দৈবাৎ-ই এসেছে বলেই গেলো, না এলে যেতো না দূরে আজ। সমস্ত মানুষ, শুধু আসে বলে, যেতে চায় ফিরে। মানুষের মধ্যে আলো, মানুষেরই ভূমধ্য তিমিরে লুকোতে চেয়েছে বলে আরো দীপ্যমান হয়ে ওঠে — আশা […]

