আমি যদি বাবা হতুম, বাবা হত খোকা,
না হলে তার নামতা,
মারতাম মাথায় টোকা।।
রোজ যদি হত রবিবার !
কি মজাটাই হত যে আমার !
কেবল ছুটি ! থাকত নাক নামতা লেখা জোকা !
থাকত না কো যুক্ত অক্ষর, অংকে ধরত পোকা
Related Articles
সবার দেশ
বিচার যদি করতে চাও ঝড়তি এবং পড়তি কে? খবর তবে দিতেই হলো বিনয় চক্রবর্তীকে। লোকটা বুঝি সংখ্যালঘু? বিদ্যেতে সে লঘু নয়। সার্টিফিকেট দিচ্ছি লিখে। মনঃপূত তবু নয়? বেশ তো ডাকো সাইমনকে- চলন বলন মিষ্ট, পালন করেন বলেন যাহা প্রভু যিশু খ্রিস্ট। তাকেও না? তাকেও না! -তোমরা তুলো ধুয়া। সর্বশেষ ডাকছি তবে সরোজ বড়ুয়া। নাড়ছ মাথা […]
বৃষ্টির সন্ধ্যায়
ভীষণ ক্ষুধার্ত, ভীষণ তৃষিত। দিন যায় অনাহারে। অক্ষর বর্জিত জ্বলন্ত সময়। ব্রাত্য মানুষের গল্প কে লেখে?_ যেটুকু লেখা হয় অতীব সামান্য, অল্প নিকট স্মৃতির মধ্যে জেগে আছে একটি ঘটনা। বাকি সব গৌণ। মাতৃভাষায় যে শব্দ কাম, তথা যৌন উথালপাতাল হলো বৃষ্টির সন্ধ্যায়। মেঘের গর্জন। জলের নষ্টামি। বারান্দায়। নস্টালজিয়ার নিম্নচাপ-উচ্চচাপ আছে। ভাবানুষঙ্গে হঠাৎ জড়ো হলে বেড়ে […]
অ-নামিকা
তোমারে বন্দনা করি স্বপ্ন-সহচরী লো আমার অনাগত প্রিয়া, আমার পাওয়ার বুকে না-পাওয়ার তৃষ্ণা-জাগানিয়া! তোমারে বন্দনা করি…. হে আমার মানস-রঙ্গিণী, অনন্ত-যৌবনা বালা, চিরন্তন বাসনা-সঙ্গিনী! তোমারে বন্দনা করি…. নাম-নাহি-জানা ওগো আজো-নাহি-আসা! আমার বন্দনা লহ, লহ ভালবাসা…. গোপণ-চারিণী মোর, লো চির-প্রেয়সী! সৃষ্টি-দিন হ’তে কাঁদ’ বাসনার অন্তরালে বসি’- ধরা নাহি দিলে দেহে। তোমার কল্যাণ-দীপ জ্বলিলে না দীপ-নেভা বেড়া-দেওয়া গেহে। […]

