আমি যদি বাবা হতুম, বাবা হত খোকা,
না হলে তার নামতা,
মারতাম মাথায় টোকা।।
রোজ যদি হত রবিবার !
কি মজাটাই হত যে আমার !
কেবল ছুটি ! থাকত নাক নামতা লেখা জোকা !
থাকত না কো যুক্ত অক্ষর, অংকে ধরত পোকা
Related Articles
তোমার জন্য আমার ২০৬ টি হাড়…
তুমি আমার কাছে চেয়েছো রাবীন্দ্রিক চেতনা, এটেঁল মাটি দিয়ে তৈরি পুতিঁতে আমার নীল তুলির আচড়ের স্বস্তা গহনা, তুমি আমার কাছে চেয়েছো ভাঙ্গনহীন নদীর স্বপ্নীল পাড়, আর একই সাথে থেকে রঙ্গধনুর রঙ্গে বুঁনতে আমাদের একটি কুড়ের আচঁল, হাহ্ … কি সব পুরাতন সাধ। বরং তোমায় আমি দেব ২০৬ টি হাড়, বুকের খাঁচার ভেতরের হৃৎপিন্ড,ফুসফুস, আর আমার […]
বলেছিলাম
সমস্ত আবর্ত থেকে ফিরে আসো, বলেছি কি ? সে কথা বলিনি৷ বলেছিলাম, আমাদের কালপর্বে যে-ভাঙন উত্স কোথায় এই চণ্ড-সামাজিকতার ? আজকে যে-স্তরগুলি তৈরি হয়ে আছে আমরাই কি নির্মাণ করিনি ঘূর্ণিপাক ? শববাহকেরা এখন বৃত্তের ভিতরে ঘুরে বেড়াচ্ছে শ্মশানযাত্রীরা নদীর ঠিকানা ভুলে দণ্ডকারণ্যের দিকে ধাবমান আর দ্যাখো, ভূমিকে নির্ভূম করে ভূস্বামীরা আগুন দিচ্ছে চুল্লীতে সব প্রতিরোধ […]
এখনো
কাগজ পেলেই আঁকচারা কাটা অভ্যেস। একবার আঁকছিলুম রাজবাড়ি। আঁকতে আঁকতে হয়ে উঠলো আলকাতরা মাখা দৈত্য, কাগজ থেকে লাফ দিয়ে উঠলো দশ আঙুলের থাবা খাঁবো, খাঁবো, খাঁবো। সেই থেকে আর রাজবাড়ি আঁকি না। আঁকি রাজহাঁস, ময়ুর, জলের ঘূর্নি, আর সেই সব শিকড় যা ডুবে আছে আকুলি-বিকুলি তৃষ্ণার ভিতরে। পদ্মপাতায় ডুমুরের গুছির মতো ফলে থাকে যে শিশির […]

