জলের দিকে জল ভেসে যায়
হাওয়ার দিকে হাওয়া
তাকিয়ে থাকি, চোখ চলে না
সমুদ্দুরের পারে,
একা-একা একলা অন্ধকারে
আমার আছে কেবল নৌকো বাওয়া।
যাচ্ছি কোথায়, কেউ জানে না,
পাগলা হাওয়া বাধ মানে না,
রাতের কালো জলের কাছে আমার
কথা ছিল একটু থামার।
থেমেও ছিলাম, কেউ ডাকেনি
দুয়ার খুলে কেউ রাখেনি।
অশেষ জলে আশাও যে নেই আর
অন্তিম আমি দেখে যাবো ত্রিযামার।
একা-একা একলা অন্ধকারে
ক্ষান্তিবিহীন চলছে নৌকো বাওয়া,
তবুও আজ তিন পুরুষের
বসতবাটির দাওয়া…
মাঝে মাঝে বলছে হেঁকে
এ তোমার কেমন চলে যাওয়া,
এ তোমার কেমন চলে যাওয়া।
Related Articles
আমি চলে যাচ্ছি
জয় করবার মতো একটি মনও যখন আর অবশিষ্ট নেই, তখন আমার আর বসে থেকে কী প্রয়োজন? আমি যাই। তোমরা পানপাত্র হাতে হোয়াং হো রেস্তোঁরার নির্জনতায় মৃদু আলোর নিচে বসে মৃদুলের গান শোনো, আমি যাই। মহাদেব-নীলা-অসীম-অঞ্জনা-কবীর-বদরুন আমি যাই, ইয়াহিয়া, আমি চললাম। এই-যে নাসরিন, আমি আসি। যদি কোনোদিন এই রাত্রি ভোর হয়, যদি কখনো আবার সূর্য ওঠে […]
জ্বলন্ত জিরাফ
শেষ কবে নারীহত্যা করেছি আমার ব্যক্তিগত স্বর্গে? বাথরুমে- ছ’মাস আগে, সেই থেকে চোখে ভালো দেখতে পাই না। সাতদিন পর্যন্ত আয়নায় হাসির প্রমাণ লেগেছিল- এছাড়া চোষের জল জমিয়ে রেখেছিলাম বেসিনে। সেই ঠান্ডা চোখের জলে রোজ মুখ ধুতাম ও কুলকুচোঁ করেছি জানালা দিয়ে। প্রতিবেশী এসে বিরাট আপত্তি জানালোঃ এতদিন পেচ্ছাপ করা সহ্য করেছি, তা বলে কি কুলকুচো […]
মুনি রূপে গণ্য
ঊনিশশত পঁয়তাল্লিশ, একুশ তারিখ, জুন বৃহস্পতিবারে জন্ম নির্মলেন্দু গুণ। বারহাট্টা, কাশতলা, জেলা নেত্রকোণা জন্ম দিলো এমন শিশু, ইতিহাসে গোণা। কংশতীরে হংস তিনি, বাংলাজোড়া ডানা কাল পেরিয়ে ডাল পেরিয়ে মহাকালে হানা। একাত্তরে কম-বা-বেশি একাত্তরটি তূণ শব্দে-ছন্দে ছুঁড়েছিলেন নির্মলেন্দু গুণ। বাংলাদেশের ‘স্বাধীনতা’র গল্পটি তার বুকে সত্তুরটি বছর কাটে সুখ মিশিয়ে দুখে। হৃদয়টা তার কাটাকুটি, শিরায় নীরার ব্রীড়া […]

