জ্যোৎস্নারাতে, জ্যোৎস্নার ভিতরে তুমি শুয়ে আছো—
লাবণ্য ঝরিছে অপরুপ ; এরকম চন্দ্রের ক্রন্দন দেখেছে বাংলাদেশ ।
মানুষের ভিতরে এক চাঁদরানী আছেন, অতিব্যক্তিগত
নাচায় তারে আমৃত্যু-শোণিতে-জোয়ারে ; সুস্থচিত্রকল্প, রোমাঞ্চ!
তোমার ভিতরে এক তৃষ্ণা ছিলেন, অন্ধকারের মতো কুটিল
জটিলা নদীর মতো বহুব্রীহি, সার্থক ; সেখানে দীক্ষা নেয়
জলের প্রাণীরা, গভীরতা কতদূর জানে না মাছরাঙা—
শ্মশানে পুড়ছে কাঠ, কেউ পোড়ে অস্থিমাংসসহ।
আমার ভিতরে এক বেদনা আছেন, নারীদের মতো স্বভাবচরিত্র
একবার লজ্জাহীনা হলে কুরে খায় কবিতা, সূর্যোদয়—
তুমি জানো স্বর্ণমুদ্রা খোলে না সিন্দুক, উদ্ধত পাখি সে, উড়ে যায়।
কুন্তলে গ্রীবায় কি পরেছ, জ্যোৎস্নার কোমলতা বুঝি?
—শুয়ে আছো, জ্যোৎস্নার ভিতরে তুমি, জ্যোৎস্নারাতে
শ্মশানে পুড়ছে কাঠ, কেউ পোড়ে অস্থিমাংসসহ।
Related Articles
পাখির মতো
আম্মা বলেন, পড়রে সোনা আব্বা বলেন, মন দে; পাঠে আমার মন বসে না কাঁঠালচাঁপার গন্ধে। আমার কেবল ইচ্ছে জাগে নদীর কাছে থাকতে, বকুল ডালে লুকিয়ে থেকে পাখির মতো ডাকতে। সবাই যখন ঘুমিয়ে পড়ে কর্ণফুলীর কূলটায়, দুধভরা ঐ চাঁদের বাটি ফেরেস্তারা উল্টায়। তখন কেবল ভাবতে থাকি কেমন করে উড়বো, কেমন করে শহর ছেড়ে সবুজ গাঁয়ে ঘুরবো […]
নোলক
আমার মায়ের সোনার নোলক হারিয়ে গেল শেষে হেথায় খুঁজি হোথায় খুঁজি সারা বাংলাদেশে। নদীর কাছে গিয়েছিলাম, আছে তোমার কাছে ? -হাত দিওনা আমার শরীর ভরা বোয়াল মাছে। বললো কেঁদে তিতাস নদী হরিণবেড়ের বাঁকে শাদা পালক বকরা যেথায় পাখ ছড়িয়ে থাকে। জল ছাড়িয়ে দল হারিয়ে গেলাম বনের দিক সবুজ বনের হরিৎ টিয়ে করে রে ঝিকমিক। বনের […]
চিড়িয়াখানা
কোলা ব্যাঙের ছা কথা বলেন না কথা বললে ভাঙবে ধ্যান তিনি শুধুই ভাষণ দ্যান জাগুয়ার খাবেন না সাগু আর রোজই বলেন মেজদিকে খাবেন তিনি শেঠজিকে রাত দুপুরে তিনটে বানর, কেবল বলে, “পকেটে পোর |” “কাকে রে কাকে ?” —“সূর্যটাকে |” ভোট দিও না হাতিকে, ভোট দিও তার নাতিকে | ভোট দিও না গাধাকে, ভোট দিও […]

