জ্যোৎস্নারাতে, জ্যোৎস্নার ভিতরে তুমি শুয়ে আছো—
লাবণ্য ঝরিছে অপরুপ ; এরকম চন্দ্রের ক্রন্দন দেখেছে বাংলাদেশ ।
মানুষের ভিতরে এক চাঁদরানী আছেন, অতিব্যক্তিগত
নাচায় তারে আমৃত্যু-শোণিতে-জোয়ারে ; সুস্থচিত্রকল্প, রোমাঞ্চ!
তোমার ভিতরে এক তৃষ্ণা ছিলেন, অন্ধকারের মতো কুটিল
জটিলা নদীর মতো বহুব্রীহি, সার্থক ; সেখানে দীক্ষা নেয়
জলের প্রাণীরা, গভীরতা কতদূর জানে না মাছরাঙা—
শ্মশানে পুড়ছে কাঠ, কেউ পোড়ে অস্থিমাংসসহ।
আমার ভিতরে এক বেদনা আছেন, নারীদের মতো স্বভাবচরিত্র
একবার লজ্জাহীনা হলে কুরে খায় কবিতা, সূর্যোদয়—
তুমি জানো স্বর্ণমুদ্রা খোলে না সিন্দুক, উদ্ধত পাখি সে, উড়ে যায়।
কুন্তলে গ্রীবায় কি পরেছ, জ্যোৎস্নার কোমলতা বুঝি?
—শুয়ে আছো, জ্যোৎস্নার ভিতরে তুমি, জ্যোৎস্নারাতে
শ্মশানে পুড়ছে কাঠ, কেউ পোড়ে অস্থিমাংসসহ।
Related Articles
কেরানিও দৌড়ে ছিল
১৪ কেরানির জীবন এখানেই শেষ হয়ে যেতে পারত, আর আমাদেরও গল্পকথনের দরকার হতো না। বুড়িগঙ্গার পাড়ে, কাদার ভেতরে, ডাব-নারকেলের খোসা, খালি বোতল আর চানাচুর-বিস্কুটের ছেঁড়া প্যাকেট একদিন পচে গলে মিশে যায়। আমাদের কেরানিকেও যখন এখানে ছুড়ে ফেলে দেওয়া হয়, সেও পতিত হয়ে পড়ে থাকতে পারত দিনের পর দিন। তারপর একদিন সে মাটিতে মিশে যেত, গলে […]
স্বপ্ন, একুশে ভাদ্র
কোন্ দিকে? কোন্ দিকে? আমি চিৎকার করলাম অমনি ভিড়ের ভিতরে একটা মোহর এসে ছিট্কে পড়লো। তৎক্ষণাৎ নৈঋত বাদ দিয়ে সাতদিকে সাতটা রাস্তা খুলে গেল জ্যোৎস্নায় বড় চিত্তহারী সেই পথগুলি এবং জ্যোৎস্নায় ভিড়ের প্রতিটি টুকরো শত শত হুইস্ল বাজিলে ছুটে গেল ব্যক্তিগত পথে পথে। কোন্ দিকে? কোন্ দিকে? আমি তীব্র ধাবমান কয়েকটি কলার চেপে হেঁকে উঠি, […]
সকল গৃহ হারালো যার
জীবনের অনেকগুলো বছর পেরিয়ে যখন দেখি পেছনের দিনগুলো ধুসর ধুসর, আর সেই ধুসরতার শরীর থেকে হঠাত্ হঠাত্ কোনও ভুলে যাওয়া স্বপ্ন এসে আচমকা সামনে দাঁড়ায় বা কোনও স্মৃতি টুপ করে ঢুকে পড়ে আমার একাকী নির্জন ঘরে, আমাকে কাঁপায়, আমাকে কাঁদায়, আমাকে টেনে নিয়ে যায় সেইসব দিনগুলোর দিকে_ তখন কি আমি না হেঁটে পারি জীবনের সেই […]


