মাথায় মুকুটটা পরিয়ে দিতেই রাজা হয়ে গেলেন তিনি।
আর সিংহাসনে পাছা রেখেই হাঁক পাড়লেন
হালুম।
অমনি মন্ত্রীরা ছুটলো ঘুরঘুট্টি বনে হরিণের মাংস সেকতে
সেনাপতিরা ছুটলো খলখলে সমুদ্রে ফিস-ফ্রাইয়ের খোঁজে
কোতোয়ালরা ছুটলো হাটে-বাজারে যেখান থেকে যা আনা যায় উপড়ে
বরকন্দাজেরা ক্ষেত খামার ল্ড ভণ্ড করে বানালো ফ্রুটল্যলাড।
রাজা সরলেন ব্রেক ফাস্ট।
তারপরেই সিং-দুয়ারে বেজে উঠলো সাত-মণ সোনার ঘন্টা।
এবার রাজদরবার।
আসমুদ্র-হিমাচরের ন্যাংটো, আধ-ন্যাংটো জন্তু-জানোয়ারের ঝাঁক
পিলপিলিয়ে জড়ো হল রাজ-চত্বরে।
মন্ত্রী জানালো, প্রভু!
জনতা হাজির। ওরা প্রসাদ পেতে চায় আপনার অমৃত ভাষণের।
অমনি উত্তরে, দক্ষিণে, পুবে, পশ্চিমে, ঈশানে, নৈঋতে,
গাছে, পাতায়, শিশিরে, শ্মশানে, ধুলোয়, ধোয়ায়, কুয়াশায়
আকাশে, বাতাসে, হাড়ে, মাসে, পেটে, পাঁজরে
গর্জন করে উঠলো, সাড়ে সাতমো অ্যামপ্লিফায়ার
-হালুম।
Related Articles
স্নান করে উঠে কতক্ষণ
স্নান করে উঠে কতক্ষণ ঘাটে বসে আছে এক উন্মাদ মহিলা মন্দিরের পিছনে পুরনো বটগাছ। ঝুরি। ফাটধরা রোয়াকে কুকুর। অনেক বছর আগে রথের বিকেলে নৌকো থেকে ঝাঁপ দিয়ে আর ওঠেনি যে-দস্যি ছেলেটা এতক্ষণে, জল থেকে সে ওঠে, দৌড় মারে, ঝুরি ধরে খুব দোল খায় সারা গা শ্যাওলায় ভরা, একটা চোখ মাছে খেয়ে গেছে কেউ তাকে দেখতে […]
অবসেশান
কতো যে করেছে মেঘ মাথার ভিতর, কতো বৃষ্টি ঝড়, পাগল বাতাস সমস্ত নদীর ঢেউ, সমস্ত বনের দীর্ঘশ্বাস আমি এই নির্বাক বৃক্ষের কান্না মন দিয়ে রেকর্ড করেছি। বুঝিনি সেখানে কতো অন্ধকার, কতো তৃষ্ণা কতো এক্সপ্রেস ট্রেনের শব্দ কতো নিঝুম রাত্রির গান, মৃত নক্ষত্রের করুণ কোরাম, পূর্ব পুরুষদের এই অসমাপ্ত আত্মজীবনী পাঠ করতে করতে আমি ক্লান্ত। মাথার […]
কিন্তু, আরো কতোদিন
অনুবাদঃ শক্তি চট্টোপাধ্যায় বস্তুত, একটা মানুষ কতোদিন বাঁচে? হাজার দিন? না, শুধু একটি দিন? এক সপ্তাহ? না কয়েক শতাব্দী? কতোদিন পর্যন্ত একটা মানুষ মরতে খরচ করে? কী মানে হয় ‘চিরকালের জন্য’ কথাটার? এইসব ভাবনা-চিন্তার ভেতর গড়াতে-গড়াতে আমি আশপাশটা পরিষ্কার করবো বলে ঠিক করে ফেললাম। আমি খুঁজে বের করলাম জ্ঞানীগুণী পুরুতমশাইদের, তাদের পুজোপাঠ শেষ হওয়া পর্যন্ত […]

