স্নান করে উঠে কতক্ষণ
ঘাটে বসে আছে এক উন্মাদ মহিলা
মন্দিরের পিছনে পুরনো
বটগাছ। ঝুরি।
ফাটধরা রোয়াকে কুকুর।
অনেক বছর আগে রথের বিকেলে
নৌকো থেকে ঝাঁপ দিয়ে আর ওঠেনি যে-দস্যি ছেলেটা
এতক্ষণে, জল থেকে
সে ওঠে, দৌড় মারে, ঝুরি ধরে খুব দোল খায়
সারা গা শ্যাওলায় ভরা, একটা চোখ মাছে খেয়ে গেছে
কেউ তাকে দেখতে পায় না, মন্দিরের মহাদেবও ঢুলছে গাঁজা খেয়ে
সেই ফাঁকে, এরকম দুপুরবেলায়–
সে এসে মায়ের সঙ্গে মাঝে মাঝে দেখা ক’রে যায়।
Related Articles
এক যাতনায় দুজনেই ব্যাথী
এক যাতনায় দুজনেই ব্যাথী আমি দেবদাস তুমি পার্বতী। কি ব্যথা জানি না বুকে বাজে, তাই রোদে জলে ভিজে খুঁজি আশ্রয় কোথায় আবাস, তুমি পার্বতী আমি দেবদাস। ঘুরি একা একা আমি গলিত শহরে, কেউ সুখে থাকে এঘরে ওঘরে। কেউ ভালবেসে চিরকাল দুঃখী কেউ দেবদাস ভবঘুরে সুখী! এক যাতনায় দুজনেই ব্যাথী আমি দেবদাস তুমি পার্বতী
স্বপ্ন, একুশে ভাদ্র
কোন্ দিকে? কোন্ দিকে? আমি চিৎকার করলাম অমনি ভিড়ের ভিতরে একটা মোহর এসে ছিট্কে পড়লো। তৎক্ষণাৎ নৈঋত বাদ দিয়ে সাতদিকে সাতটা রাস্তা খুলে গেল জ্যোৎস্নায় বড় চিত্তহারী সেই পথগুলি এবং জ্যোৎস্নায় ভিড়ের প্রতিটি টুকরো শত শত হুইস্ল বাজিলে ছুটে গেল ব্যক্তিগত পথে পথে। কোন্ দিকে? কোন্ দিকে? আমি তীব্র ধাবমান কয়েকটি কলার চেপে হেঁকে উঠি, […]
যোজন পথের পথিক…
আজ অনেকদিন… তোমাকে দেখি না ! তোমার কথা ভাবি না ! তোমাকে ইচ্ছে করে ভুলে থাকি না ! তোমাকে আমার সঙ্গে করে নিয়ে হাঁটি না ! দুইশ ছাপ্পান্ন দিন নাকি তিনশ বিরাশি দিন ভুলে গেছি! আজ অনেকদিন— পর; মনে হলো, কারো কাছে একটু সাহায্য চাই… টাকা পয়সা নয়, মানসিক শান্তি নয়, নয় কনো অবৈধ কামনা […]

