কতো যে করেছে মেঘ মাথার ভিতর,
কতো বৃষ্টি ঝড়,
পাগল বাতাস সমস্ত নদীর ঢেউ,
সমস্ত বনের দীর্ঘশ্বাস
আমি এই নির্বাক বৃক্ষের কান্না মন দিয়ে রেকর্ড করেছি।
বুঝিনি সেখানে কতো অন্ধকার,
কতো তৃষ্ণা কতো এক্সপ্রেস ট্রেনের শব্দ কতো নিঝুম রাত্রির গান,
মৃত নক্ষত্রের করুণ কোরাম,
পূর্ব পুরুষদের এই অসমাপ্ত আত্মজীবনী পাঠ করতে করতে আমি ক্লান্ত।
মাথার ভিতরে এই মেঘ বৃষ্টি, অবসেশান,
উন্মাদনা,
যেদিন থেকে এই মুখোশ খুলে ফেলা
মানুষটির সঙ্গে আমার পরিচয় হলো
সেদিন থেকে আমি আর আমাকে বিশ্বাস
করি না।
Related Articles
আমার এখন কী চাই
আমার এখন কী চাই, মুঠো মুঠো সোনার মোহর, মেঘমহলে ছিমছাম বাড়ি, আলিঙ্গন, মাতাল বসন্তকাল? না, এসব কিছুই আমার চাই না। চাওয়া বলতে শুধু একখানা পর্ণকুটিরের মতো তুমি। কিন্তু তুমি কে? কী নাম, কী স্থিতি, কী অবয়ব? যে নামেই হও, নক্ষত্রমালা বৃষ্টিজল আমি কাউকেই চাই না, সত্য হচ্ছে কোনো নামই চাই না আমি। আমি যাকে চাই—সে […]
এখনো সময় আছে
তখন তোমার বয়স আশী, দাঁড়াবে গিয়ে আয়নায় নিজেই ভীষণ চমকে যাবে, ভাববে এ কে ? সামনে এ কোন ডাইনী ? মাথা ভর্তি শনের নুড়ি, চামড়া যেন চোত-বোশেখের মাটি চক্ষু দুটি মজা-পুকুর, আঙুলগুলো পাকা সজনে ডাটা ! তোমার দীর্ঘষ্বাস পড়বে, চোখের কোণে ঘোলা জলের ফোটায় মনে পড়বে পুরনো দিন, ফিসফিসিয়ে বলবে তুমি, আমারও রূপ ছিল ! […]
বক্তৃতা বাবু
হেই বক্তৃতা বাবু! তুই হুই শহরের সাততলা বাড়ী থেকে নামলি মাচায়, এলি গাড়ী চড়ে মিটিং করতে আমাদের শরীরের কালো রঙ সাবান মাখিয়ে ফর্সা করতে, আমাদের ছেলে মেয়েদের ভালো,সভ্য করতে ; এলি যেন লাট সাহেবের নাতি! বক্তৃতা দিয়ে যাবিও সেখানে—কল টিপলেই জল পড়ে। ঘর আলো হয় ঘুটঘুটে কালো রাতে; আবার বিজলি পাখাও ঘোরে- বক্তৃতা দিয়ে শরীরে […]

