কতো যে করেছে মেঘ মাথার ভিতর,
কতো বৃষ্টি ঝড়,
পাগল বাতাস সমস্ত নদীর ঢেউ,
সমস্ত বনের দীর্ঘশ্বাস
আমি এই নির্বাক বৃক্ষের কান্না মন দিয়ে রেকর্ড করেছি।
বুঝিনি সেখানে কতো অন্ধকার,
কতো তৃষ্ণা কতো এক্সপ্রেস ট্রেনের শব্দ কতো নিঝুম রাত্রির গান,
মৃত নক্ষত্রের করুণ কোরাম,
পূর্ব পুরুষদের এই অসমাপ্ত আত্মজীবনী পাঠ করতে করতে আমি ক্লান্ত।
মাথার ভিতরে এই মেঘ বৃষ্টি, অবসেশান,
উন্মাদনা,
যেদিন থেকে এই মুখোশ খুলে ফেলা
মানুষটির সঙ্গে আমার পরিচয় হলো
সেদিন থেকে আমি আর আমাকে বিশ্বাস
করি না।
Related Articles
আলোক সরকার আর অন্ধকার রায়
‘একি, আপনি বাজারে? কবিশাহেব, আপনিও কি বাজার করেন?’ –হ্যাঁ, আমাকেও বাজার করতে হয়, আমাকেও তেল-নুন-মাংসের হিশেব কষতে হয়– আমি নই বায়ুভুক রবীন্দ্রনাথ। কবিতাকেও হতে হয় পৌরুষেয়– শুধু নারীলাবণিগ্রস্ত নয়। বসন্তের সংঘর্ষে জ্বলে উঠতে হয় আগুনের মতো। জীবনানন্দকেও একদিন খালি গায়ে দুই হাতে দুই ভরা পানির বালতি বয়ে নিয়ে যেতে দেখেছিলেন অনুজ কবি আলোক সরকার আর […]
আসমানী প্রেম
নেই তবু যা আছের মতো দেখায় আমরা তাকে আকাশ বলে ডাকি, সেই আকাশে যাহারা নাম লেখায় তাদের ভাগ্যে অনিবার্য ফাঁকি ! জেনেও ভালোবেসেছিলাম তারে , ধৈর্য ধরে বিরহ ভার স’বো ; দিনের আলোয় দেখাবো নিষ্প্রভ জ্বলবো বলে রাতের অন্ধকারে । আমায় তুমি যতোই ঠেলো দূরে মহাকাশের নিয়ম কোথায় যাবে ? আমি ফিরে আসবো ঘুরে ঘুরে […]
নীল বৃষ্টি
নীল বৃষ্টি -ধুসরপ্রজাপতি, সব দুঃখগুলো ডানা মেলে যেদিন উড়ে যাবে বুঝবে সেদিন বৃষ্টি হবে, বৃষ্টির রং হবে লাল, যেমনটি কৃষ্ণচূড়া পুরো গাছটা ঢেকে ফেলে তার রং দিয়ে, যেদিন সব সম্পর্কের সঙ্গা শুধু একটাই হবে, সেদিন যেন বৃষ্টি হবে, বৃষ্টির রং হবে সাদা, যেমনটি কাশফুল ছেয়ে থাকে চরের উপুকুল, যেদিন তুমি আমাকে দেখতে পাবে তোমার চাওয়া […]

