নিতান্ত নির্ভুলভাবে কোনো কাজ করতে পারিনি
হাতের কুঠার ফেলে কাঠকাটা ভুলে বারবার
দেখেছি বনের শোভা : বৃক্ষরাজি হরিৎ পত্রালি;
পরিণামে অভুক্ত থেকেছি দীর্ঘ তিরিশ বছর।
কাঠুরের ঘরে জন্ম, তবু, পারিনি কঠোর হতে;
অবলীলাক্রমে বৃক্ষ কুঠারের আঘাতে-আঘাতে
কেটে ফেলতে প্রাণে লাগে,
পত্রপুষ্প শোভিত বনে
ভুলক্রমে মিশে গেছি প্রাকৃতিক জীবন প্রবাহে।
Related Articles
জলহাওয়ার লেখা
স্নেহসবুজ দিন তোমার কাছে ঋণ বৃষ্টিভেজা ভোর মুখ দেখেছি তোর মুখের পাশে আলো ও মেয়ে তুই ভালো আলোর পাশে আকাশ আমার দিকে তাকা– তাকাই যদি চোখ একটি দীঘি হোক যে-দীঘি জ্যোৎস্নায় হরিণ হয়ে যায় হরিণদের কথা জানুক নীরবতা– নীরব কোথায় থাকে জলের বাঁকে বাঁকে জলের দোষ? — নাতো! হাওয়ায় হাত পাতো! হাওয়ার খেলা? সেকি! মাটির […]
অসমাপ্ত কবিতা
মাননীয় সভাপতি ….। সভাপতি কে? কে সভাপতি? ক্ষমা করবেন সভাপতি সাহেব, আপনাকে আমি সভাপতি মানি না। তবে কি রবীন্দ্রনাথ? সুভাষচন্দ্র বসু? হিটলার? মাও সে তুং? না, কেউ না, আমি কাউকে মানি না, আমি নিজে সভাপতি এই মহতী সভার। মাউথপিস আমার হাতে এখন, আমি যা বলবো আপনারা তাই শুনবেন। উপস্থিত সুধীবৃন্দ, আমার সংগ্রামী বোনেরা, (একজন অবশ্য […]
ভ্রমণ কাহিনী
শেষবার নামার আগে সমস্ত জিনিস পত্রগুলি তালিকা মিলিয়ে নিতে হবে, এবার ভ্রমণকালে প্রচুর সংগ্রহ হ’লো, মিনে-করা আগ্রার ফুলদানি। জরির চপ্পল, দ্রুতগামী মেল ট্রেনে সচকিত ভ্রূ-পল্লব, কী-কী ফেলে গেলে বাড়ি ফিরে দু:খ হবে? যে আমগাছের ছায়া সঙ্গে নিয়ে আসা অসম্ভব তা-ও বুঝি অজানিত হোল্ড-অলে বাঁধা হয়েছিলো, আমগাছের ছায়ার ওজন জানা নেই, তাই করলে বুকিং সম্ভব নয়, […]

