নিতান্ত নির্ভুলভাবে কোনো কাজ করতে পারিনি
হাতের কুঠার ফেলে কাঠকাটা ভুলে বারবার
দেখেছি বনের শোভা : বৃক্ষরাজি হরিৎ পত্রালি;
পরিণামে অভুক্ত থেকেছি দীর্ঘ তিরিশ বছর।
কাঠুরের ঘরে জন্ম, তবু, পারিনি কঠোর হতে;
অবলীলাক্রমে বৃক্ষ কুঠারের আঘাতে-আঘাতে
কেটে ফেলতে প্রাণে লাগে,
পত্রপুষ্প শোভিত বনে
ভুলক্রমে মিশে গেছি প্রাকৃতিক জীবন প্রবাহে।
Related Articles
প্রতীক্ষায়
গোলাপে রয়েছে আঁচ, পতঙ্গের ডানা পুড়ে যায় হাওয়া ঘোরে দূরে-দূরে ফুলকে সমীহ করে সূর্যাস্তও থমকে থাকে! দেখো-দেখো আমার বাগানে এক অগ্নিময় ফুল ফুটে আছে তার সৌরভেও কত তাপ! আর সব কুসুমের জীবন-চরিত তুচ্ছ করে সে ঘাড় ঘুরিয়ে দেখে চতুর্দিক বৈদুর্ষমণির মতো চোখ মেলে সে রয়েছে প্রতীক্ষায় কার? কার?
কথোপকথন-৩৩
খবর্দার। হাত সরিয়ে নাও। ব্যাগে ভরে নাও টাকাগুলো। আজ সমস্ত কিছুউর দাম দেব আমি। কী হচ্ছে কি শুভঙ্কর? কেম এমন পাগলামির ঢেউয়ে দুলছো? এই জন্যেই তমার উপর রাগ হয় এমন। মাঝে মাঝে অর্থমন্ত্রীদের মতো গোঁয়ার হয়ে ওথো তুমি। কাল কতবার বলেছিলুম,চলো উঠি,চলো উঠি। এখুনি সেনা বাহিনীর মত ঝাপিয়ে পড়বে বৃষ্টি,চলো উঠি। তুমি ঘাসের উপর বুড়ো […]
কোথাও কেউ নেই
স্বপ্নের ভিতর থেকে হেঁটে আসে এক সিদ্ধ পুরুষ; সস্নেহে হাত বাড়িয়ে বললেন, ‘চলো’ । অমোঘ নির্দেশের মতো শোনায় তাঁর কণ্ঠস্বর – যেমন বলতেন বাবা ছোটবেলায় ! মন্ত্রাবিস্টের মতো উঠে বসি আমি আর অনুগামী হই নিঃশব্দে অনন্তের পথ ধরে অনন্তকাল – গন্তব্য কোথায় জানিনা । না আলো না আঁধার, অসীমের মতো নিরাকার নির্ভার মনে হয়, ভূত […]


