নিতান্ত নির্ভুলভাবে কোনো কাজ করতে পারিনি
হাতের কুঠার ফেলে কাঠকাটা ভুলে বারবার
দেখেছি বনের শোভা : বৃক্ষরাজি হরিৎ পত্রালি;
পরিণামে অভুক্ত থেকেছি দীর্ঘ তিরিশ বছর।
কাঠুরের ঘরে জন্ম, তবু, পারিনি কঠোর হতে;
অবলীলাক্রমে বৃক্ষ কুঠারের আঘাতে-আঘাতে
কেটে ফেলতে প্রাণে লাগে,
পত্রপুষ্প শোভিত বনে
ভুলক্রমে মিশে গেছি প্রাকৃতিক জীবন প্রবাহে।
Related Articles
মোর প্রিয়া হবে এসো রাণী
মোর প্রিয়া হবে এসো রাণী, দেব খোঁপায় তারার ফুল । কর্ণে দোলাব তৃতীয়া তিথির, চৈতী চাঁদের দুল । কন্ঠে তোমার পরাবো বালিকা, হংস-সারির দুলানো মালিকা । বিজলী জরীণ ফিতায় বাঁধিব, মেঘ রং এলো চুল । মোর প্রিয়া হবে এসো রাণী, দেব খোঁপায় তারার ফুল । জ্যোছনার সাথে চন্দন দিয়ে মাখাব তোমার গায়, রামধনু হতে লাল […]
তুমি-তো বন্দিত নিত্য
তুমি-তো বন্দিত নিত্য নন্দিত নরকে বাঙালির বুকে-মুখে তোমার তারিফ; শঙ্খনীল কারাগারে, অপেক্ষা-সড়কে বহুব্রীহি শিখা জ্বেলে দারুচিনি দ্বীপ জোছনা ও জননীর গল্প বলে যায় শ্রাবণ মেঘের দিনে বাঙালির ঘরে, তাবৎ দেয়াল ভেঙে যুক্তির শিখায় যখন স্বদেশ মুক্ত বিশ্ব-চরাচরে। তুমি সেই মুক্তিযোদ্ধা, যুক্তি-অস্ত্রধারী, আগুন পরশমণি, চিত্তে মানবিক; মেঘের ছায়ায় ভেসে গাঙুড়ের পাড়ি, নুহাশপল্লীর মায়া স্বর্গের অধিক। জোনাকি-আলোয় […]
পরানের গহীন ভিতর ৩১
কে করে পরশ তার জীবনের এত জটিলতা? তোমার অধিক টান দেয় বৃক্ষ দেয় বিষলতা; একবার আমারে আছাড় দিয়া সোজা করে ফের, আমারই মতন যারা বেশুমার সন্তান মায়ের। কিসে যে চালনা করে এই দেহ এই ভবিষ্যৎ- কিছুই বুঝি না, দেখি আচানক শেষ হয় পথ; যে পথেই মেলা দেই সেই পথে ভয়ানক ভুত- এ বড় কঠিন জাগা, […]

