মাথায় মুকুটটা পরিয়ে দিতেই রাজা হয়ে গেলেন তিনি।
আর সিংহাসনে পাছা রেখেই হাঁক পাড়লেন
হালুম।
অমনি মন্ত্রীরা ছুটলো ঘুরঘুট্টি বনে হরিণের মাংস সেকতে
সেনাপতিরা ছুটলো খলখলে সমুদ্রে ফিস-ফ্রাইয়ের খোঁজে
কোতোয়ালরা ছুটলো হাটে-বাজারে যেখান থেকে যা আনা যায় উপড়ে
বরকন্দাজেরা ক্ষেত খামার ল্ড ভণ্ড করে বানালো ফ্রুটল্যলাড।
রাজা সরলেন ব্রেক ফাস্ট।
তারপরেই সিং-দুয়ারে বেজে উঠলো সাত-মণ সোনার ঘন্টা।
এবার রাজদরবার।
আসমুদ্র-হিমাচরের ন্যাংটো, আধ-ন্যাংটো জন্তু-জানোয়ারের ঝাঁক
পিলপিলিয়ে জড়ো হল রাজ-চত্বরে।
মন্ত্রী জানালো, প্রভু!
জনতা হাজির। ওরা প্রসাদ পেতে চায় আপনার অমৃত ভাষণের।
অমনি উত্তরে, দক্ষিণে, পুবে, পশ্চিমে, ঈশানে, নৈঋতে,
গাছে, পাতায়, শিশিরে, শ্মশানে, ধুলোয়, ধোয়ায়, কুয়াশায়
আকাশে, বাতাসে, হাড়ে, মাসে, পেটে, পাঁজরে
গর্জন করে উঠলো, সাড়ে সাতমো অ্যামপ্লিফায়ার
-হালুম।
Related Articles
প্রত্যাবর্তন
৩৭. প্রত্যাবর্তন প্রত্যাবর্তনের পথে কিছু কিছু ‘কস্ট্লি’ অতীত থেকে যায়। কেউ ফেরে, কেউ কেউ কখনো ফেরে না। কেউ ফিরে এসে কিছু পায়, মৌলিক প্রেমিক আর কবি হলে অধিক হারায়। তবু ফেরে, কেউ তো ফেরেই, আর জীবনের পক্ষে দাঁড়ায়, ভালোবাসা যাকে খায় এইভাবে সবটুকু খায়। প্রত্যাবর্তনের প্তহে পিতার প্রস্থান থেকে, থাকে প্রণয়ের প্রাথমিক স্কুল, মাতার মলিন […]
স্মৃতি বড় উচ্ছৃঙ্খল
পুরনো পকেট থেকে উঠে এল কবেকার শুকনো গোলাপ | কবেকার ? কার দেওয়া ? কোন্ মাসে ? বসন্তে না শীতে ? গোলাপের মৃতদেহে তার পাঠযোগ্য স্মৃতিচিহ্ন নেই | স্মৃতি কি আমারও আছে ? স্মৃতি কি গুছিয়ে রাখা আছে বইয়ের তাকের মত, লং প্লেইং রেকর্ড-ক্যাসেটে যে-রকম সুসংবদ্ধ নথীভুক্ত থাকে গান, আলাপচারীতা ? আমার স্মৃতিরা বড় উচ্ছৃঙ্খল, […]
একচক্ষু
কী দেখলে তুমি? রৌদ্রকঠিন হাওয়ার অট্টহাসি দু’হাতে ছড়িয়ে দিয়ে নিষ্ঠুর গ্রীষ্মের প্রেত-সেনা মাঠে-মাঠে বুঝি ফিরছে? ফিরুক, তবু তার পাশাপাশি কৃষ্ণচূড়ার মঞ্জরী তুমি একবারও দেখলে না? একবারও তুমি দেখলে না, তার বিশীর্ণ মরা ডালে ছড়িয়ে গিয়েছে নম্র আগুন, মৃত্যুর সব দেনা তুচ্ছ সেখানে, নবযৌবনা কৃষ্ণচূড়ার গালে ক্ষমার শান্ত লজ্জা কি তুমি একবারও দেখলে না?

