-ধরো কোনো একদিন তুমি খুব দূরে ভেসে গেলে
শুধু তার তোলপাড় ঢেউগুলো আজন্ম আমার
বুকের সোনালী ফ্রেমে পেনটিং-এর মতো রয়ে গেল।
এবং তা ধীরে ধীরে ধুলোয়,ধোঁয়ায়,কুয়াশায়
পোকামাকড়ের সুখী বাসাবাড়ি হয়ে যায় যদি?
– ধরো কোনো একদিন যদি খুব দূরে ভেসে যাই
আমারও সোনার কৌটো ভরা থাকবে প্রতিটি দিনের
এইসব ঘন রঙে ,বসন্তবাতাসে,বৃষ্টিজলে।
যখন যেমন খুশী ওয়াটার কালারের আঁকা ছবিগুলো
অম্লান ধাতুর মত ক্রমশ উজ্জ্বল হবে সোহাগী রোদ্দুরে।
-তার মানে সত্যি চলে যাবে ?
-তার মানে কখনো যাবো না ।
Related Articles
পরানের গহীর ভিতর-১
জামার ভিতর থিকা যাদুমন্ত্রে বারায় ডাহুক, চুলের ভিতর থিকা আকবর বাদশার মোহর, মানুষ বেকুব চুপ,হাটবারে সকলে দেখুক কেমন মোচড় দিয়া টাকা নিয়া যায় বাজিকর ৷ চক্ষের ভিতর থিকা সোহাগের পাখিরে উড়াও, বুকের ভিতর থিকা পিরীতের পূর্ণিমার চান, নিজেই তাজ্জব তুমি – একদিকে যাইবার চাও অথচ আরেক দিকে খুব জোরে দেয় কেউ টান৷ সে তোমার পাওনার […]
নীরার হাসি ও অশ্রু
নীরার হাসি ও অশ্রু নীরার চোখের জল অনেক চোখের অনেক নীচে টল্মল্ নীরার মুখের হাসি মুখের আড়াল থেকে বুক, বাহু, আঙুলে ছড়ায় শাড়ির আঁচলে হাসি, ভিজে চুলে, হেলানো সন্ধ্যায় নীরা আমাকে বাড়িয়ে দেয়, হাস্যময় হাত আমার হাতের মধ্যে চৌরাস্তায় খেলা করে নীরার কৌতুক তার ছদ্মবেশ থেকে ভেসে আসে সামুদ্রিক ঘ্রাণ সে আমার দিকে চায়, নীরার […]
রাশিয়ার চিঠি-৯
ব্রেমেন জাহাজ আমাদের দেশে পলিটিক্স্কে যারা নিছক পালোয়ানি বলে জানে সব-রকম ললিতকলাকে তারা পৌরুষের বিরোধী বলে ধরে রেখেছেন। এ সম্বন্ধে আমি আগেই লিখেছি। রাশিয়ার জার ছিল একদিন দশাননের মতো সম্রাট; তার সাম্রাজ্য পৃথিবীর অনেকখানিকেই অজগর সাপের মতো গিলে ফেলেছিল, লেজের পাকে যাকে সে জড়িয়েছে তার হাড়গোড় দিয়েছে পিষে। প্রায় বছর-তেরো হল এরই প্রতাপের সঙ্গে বিপ্লবীদের […]

