-ধরো কোনো একদিন তুমি খুব দূরে ভেসে গেলে
শুধু তার তোলপাড় ঢেউগুলো আজন্ম আমার
বুকের সোনালী ফ্রেমে পেনটিং-এর মতো রয়ে গেল।
এবং তা ধীরে ধীরে ধুলোয়,ধোঁয়ায়,কুয়াশায়
পোকামাকড়ের সুখী বাসাবাড়ি হয়ে যায় যদি?
– ধরো কোনো একদিন যদি খুব দূরে ভেসে যাই
আমারও সোনার কৌটো ভরা থাকবে প্রতিটি দিনের
এইসব ঘন রঙে ,বসন্তবাতাসে,বৃষ্টিজলে।
যখন যেমন খুশী ওয়াটার কালারের আঁকা ছবিগুলো
অম্লান ধাতুর মত ক্রমশ উজ্জ্বল হবে সোহাগী রোদ্দুরে।
-তার মানে সত্যি চলে যাবে ?
-তার মানে কখনো যাবো না ।
Related Articles
রুদ্র মোহাম্মদ শহীদুল্লাহকে লেখা তসলিমা নাসরিনের চিঠি
প্রিয় রুদ্র, প্রযত্নে, আকাশ তুমি আকাশের ঠিকানায় চিঠি লিখতে বলেছিলে। তুমি কি এখন আকাশ জুরে থাকো? তুমি আকাশে উড়ে বেড়াও? তুলোর মতো, পাখির মতো? তুমি এই জগত্সংসার ছেড়ে আকাশে চলে গেছো। তুমি আসলে বেঁচেই গেছো রুদ্র। আচ্ছা, তোমার কি পাখি হয়ে উড়ে ফিরে আসতে ইচ্ছে করে না? তোমার সেই ইন্দিরা রোডের বাড়িতে, আবার সেই নীলক্ষেত, […]
শরৎ
শরৎ হচ্ছে বর্ষার দুঃখ, মেঘের দীর্ঘশ্বাস বৃষ্টি ফুরিয়ে গেছে তার, সে খুব গরিব, তার শুভ্রতার মধ্যে ধূসরতার গন্ধ হলুদ পাতার ঝরে পড়া; শরৎ বড় একা একা, শান্ত নিসঃঙ্গ সে শুধু স্থির পুকুরের মতো নিঃশব্দে বসে থকে, তার শুষ্ক মুখে জলের কোন কারুকাজ নেই বর্ষণের লাবণ্য নেই। এই শরতের জন্য মঝে মাঝে আমার বেশ মন খরাপ […]
বলেছিলাম
সমস্ত আবর্ত থেকে ফিরে আসো, বলেছি কি ? সে কথা বলিনি৷ বলেছিলাম, আমাদের কালপর্বে যে-ভাঙন উত্স কোথায় এই চণ্ড-সামাজিকতার ? আজকে যে-স্তরগুলি তৈরি হয়ে আছে আমরাই কি নির্মাণ করিনি ঘূর্ণিপাক ? শববাহকেরা এখন বৃত্তের ভিতরে ঘুরে বেড়াচ্ছে শ্মশানযাত্রীরা নদীর ঠিকানা ভুলে দণ্ডকারণ্যের দিকে ধাবমান আর দ্যাখো, ভূমিকে নির্ভূম করে ভূস্বামীরা আগুন দিচ্ছে চুল্লীতে সব প্রতিরোধ […]

