-বৃক্ষের বল্কল দেখে মনে হয় যেন আমাদের
কথোপকথনগুলো যাতে না হারায়
আশ্চর্য হরফে লিখে রেখেছে উল্কির মতো নিজেদের গায়।
পৃথিবীর বৃক্ষগুলো মানুষের গোপনীয়তম
সমস্ত সংবাদ জানে,এমনকি তোমাকে যা কখনো বলিনি
হৃদয়ের সেই সব তূর্ষনাদও আর্তনাদও জানে।
-নভোমন্ডলের দিকে চেয়ে থেকে ঠিক এরকমই
ভেবেছি আমিও। কোন গোপন আলমারী ঘেঁটে-ঘুঁটে
তোমাকে যে-সব চিঠি লিখেছি,যা কখনো লিখিনি
নক্ষত্র-অক্ষরে যেন ছাপিয়ে রেখেছে তার সব
অভ্রকণা,অশ্রুকণাগুলি।
Related Articles
প্রশ্ন
চোখ ভরে যে দেখতে চাও রঞ্জন রশ্মিটা চেনো তো? বুক ভরে যে শ্বাস নিতে চাও জানো তো অক্সিজেনের পরিমাণটা কত? এত যে কাছে আসতে চাও কতটুকু সংযম আছে তোমার? এত যে ভালোবাসতে চাও তার কতটুকু উত্তাপ সইতে পারবে তুমি?
যাত্রা
জলের দিকে জল ভেসে যায় হাওয়ার দিকে হাওয়া তাকিয়ে থাকি, চোখ চলে না সমুদ্দুরের পারে, একা-একা একলা অন্ধকারে আমার আছে কেবল নৌকো বাওয়া। যাচ্ছি কোথায়, কেউ জানে না, পাগলা হাওয়া বাধ মানে না, রাতের কালো জলের কাছে আমার কথা ছিল একটু থামার। থেমেও ছিলাম, কেউ ডাকেনি দুয়ার খুলে কেউ রাখেনি। অশেষ জলে আশাও যে নেই […]
দেশলাই কাঠি
আমি একটা ছোট্ট দেশলাইয়ের কাঠি এত নগণ্য, হয়তো চোখেও পড়ি না; তবু জেনো মুখে আমার উসখুস করছে বারুদ— বুকে আমার জ্বলে উঠবার দুরন্ত উচ্ছ্বাস; আমি একটা দেশলাইয়ের কাঠি। মনে আছে সেদিন হুলুস্থুল বেধেছিল? ঘরের কোণে জ্বলে উঠেছিল আগুন— আমাকে অবজ্ঞাভরে না-নিভিয়ে ছুঁড়ে ফেলায়! কত ঘরকে দিয়েছি পুড়িয়ে, কত প্রাসাদকে করেছি ধূলিসাত্ আমি একাই— ছোট্ট একটা […]

