-বৃক্ষের বল্কল দেখে মনে হয় যেন আমাদের
কথোপকথনগুলো যাতে না হারায়
আশ্চর্য হরফে লিখে রেখেছে উল্কির মতো নিজেদের গায়।
পৃথিবীর বৃক্ষগুলো মানুষের গোপনীয়তম
সমস্ত সংবাদ জানে,এমনকি তোমাকে যা কখনো বলিনি
হৃদয়ের সেই সব তূর্ষনাদও আর্তনাদও জানে।
-নভোমন্ডলের দিকে চেয়ে থেকে ঠিক এরকমই
ভেবেছি আমিও। কোন গোপন আলমারী ঘেঁটে-ঘুঁটে
তোমাকে যে-সব চিঠি লিখেছি,যা কখনো লিখিনি
নক্ষত্র-অক্ষরে যেন ছাপিয়ে রেখেছে তার সব
অভ্রকণা,অশ্রুকণাগুলি।
Related Articles
জন্মবৃত্তান্ত
“ক্ষুধার্ত চাষীর ঘরে জন্ম নিলো আজ এক কবি” -মোরগের উচ্চারণে ভোরের আজান; “কে সে শিশু?”-“জানো না সে কেমন মানুষ? কবি সে- তোমার কথা সর্বদাই বলবে জনে-জনে” -ব’লে আড়মোড়া ভাঙে এক সুবেহ্ সাদেকের পাখি; “তোমাদের কথা, ৰুধা ও ব্যাধির কথা রাষ্ট্র ক’রে দেবে দেশে ও বিদেশে” -ব’লে হালের বলদ দু’টি নিশ্চিনত্মে জাবর কাটে বিষণড়ব গোয়ালে৷ “স্বাগতম” […]
রাশিয়ার চিঠি -১
মস্কৌ রাশিয়ায় অবশেষে আসা গেল। যা দেখেছি আশ্চর্য ঠেকছে। অন্য কোনো দেশের মতোই নয়। একেবারে মূলে প্রভেদ। আগাগোড়া সকল মানুষকেই এরা সমান করে জাগিয়ে তুলছে। চিরকালই মানুষের সভ্যতায় একদল অখ্যাত লোক‚ তাদেরই সংখ্যা বেশি‚ তারাই বাহন; তাদের মানুষ হবার সময় নেই; দশের সম্পদের উচ্ছিষ্টে তারা পালিত। সব চেয়ে কম খেয়ে‚ কম প’রে কম শিখে‚ বাকি […]
জন্মেছি বাংলায়
জন্মেরও আগে আমি এইখানে জন্মেছিলাম, এই বাংলায়; এই ঘাসের ঘুঙুর ‘পরে কত যে নেচেছি, পালকে পল্লবে হয়েছি মাতাল; এখানে হেঁটেছি হাঁটা শিখবারও আগে বাংলার ধুলো মাটি শরীরে মেখেছি, নিয়েছি জলের ঘ্রাণ, পাতার সৌরভ এইখানে এই দেশে এক কোটি বছর আগে হয়তো জন্মেছি।

