তোমার পৌঁছতে এত দেরি হল?
পথে ভিড় ছিল?
আমারও পৌছতে একটু দেরি হল
সব পথই ফাটা।
পথে এত ভিড় ছিল কেন?
শবযাত্রা?কার মৃত্যু হল?
আমাদের চেনা কেউ না তো?
এই তো সেদিন যোগো গেল
দৌড়ে গেল,এখনও ফিরল না।
আগে পরে শঙ্কর,বিমল।
আমাদের যাকে যাকে প্রয়োজন তারাই পালায়
দুরের সমুদ্রে চলে যায়
কালো নুলিয়ারা যায় যে-রকম বিলীনের দিকে।
আরও যাবে,আমরাও যাবো।
লোক্যাল ট্রেনের মতো বেশ ঘন ঘন
আসছে যাচ্ছে মৃত্যু আজকাল।
তোমার কেমন মৃত্যু ভাল লাগে?
আমি?সেরিব্রাল?
মৃত্যুর কথায় রাগ হল?
মৃত্যুর প্রসঙ্গ তবে থাক
জীবনের আলোচনা হোক।
Related Articles
আমরা আবহমান ধ্বংস ও নির্মানে
মাঝে মাঝে তোমার সেই প্রিয় কবিকে ভীষন ঈর্ষা করতে ইচ্ছে করে আমার । আমার প্রিয় কবি ,কার কথা বলছো তুমি ? তোমার প্রথম চিঠির শিরোনামায় টাঙ্গিয়ে দিয়েছিলে যার কোটেশান । সেই কবেকার কথা, খোঁটা দিয়ে খুব সুখ পাচ্ছ বুঝি ? কাকের পিঠে ময়ুর পিচ্ছের মতো একাডেমী তাঁর গলায় মালা পড়িয়ে দিলো যেদিন তারপর থকেই বিসর্জনের […]
দু'জনের ভাত
গত রাত্রির বাসি ভাত খেতে খেতে মনে কি পড়ে না? পড়ে। ভালো কি বাসি না? বাসি। শ্লথ টেপ থেকে সারা দিন জল ঝরে, সেই বেনোজলে এঁটো মুখ ধুয়ে আসি। গত রাত্রির বাসি ভাত খেতে খেতে প্রেম কি জাগে না? জাগে। কিছু কি বলি না? বলি। তিতাস শিখায় যতটুকু তাপ লাগে, অনুতাপে আমি তার চেয়ে বেশি […]
বৈশাখের সূর্যমুখী
চৈত্রের গভীর রাতে স্বপ্নের রোদ্দুরে সূর্যমুখী! স্বপ্নঘোরে যাই যত দূরে আমারই সেদিকে ফিরে থাকে। চড়াই-উতরাই বাঁকে প্রতি পা ফেলায়— সে আমার দিকেই তাকায়। কবিতার শব্দধ্বনি দ্বিগুণ হলুদ হয়ে ওঠে তো তখনি, ঝরে পড়ে পাপড়িতে তার— স্বপ্ন সাধ উল্লাস বিষাদ সবকিছু নিয়ে এই নদী এই মাঠ এই আকাশ পেরিয়ে সৃজনের সূর্যমুখী সামান্য এ জীবন আমার।

