কোনো এক ভোরবেলা, রাত্রিশেষে শুভ শুক্রবারে
মৃত্যুর ফেরেস্তা এসে যদি দেয় যাওয়ার তাকিদ;
অপ্রস্তুত এলোমেলো এ গৃহের আলো অন্ধকারে
ভালোমন্দ যা ঘটুক মেনে নেবো এ আমার ঈদ।
ফেলে যাচ্ছি খড়কুটো, পরিধেয়, আহার, মৈথুন–
নিরুপায় কিছু নাম, কিছু স্মৃতি কিংবা কিছু নয়;
অশ্রুভারাক্রান্ত চোখে জমে আছে শোকের লেগুন
কার হাত ভাঙে চুড়ি? কে ফোঁপায়? পৃথিবী নিশ্চয়।
স্মৃতির মেঘলাভোরে শেষ ডাক ডাকছে ডাহুক
অদৃশ্য আত্মার তরী কোন ঘাটে ভিড়ল কোথায়?
কেন দোলে হৃদপিণ্ড, আমার কি ভয়ের অসুখ?
নাকি সেই শিহরণ পুলকিত মাস্তুল দোলায়!
আমার যাওয়ার কালে খোলা থাক জানালা দুয়ার
যদি হয় ভোরবেলা স্বপ্নাচ্ছন্ন শুভ শুক্রবার।
Related Articles
আলোর জন্তুরা
আজ হারিয়ে যাওয়া অরণ্যের গভীরে সে শুনতে পাচ্ছে শত্রুর আওয়াজ, পালাচ্ছে ছুটে অন্যদের থেকে নয়, নিজেরই কাছ থেকে পালাচ্ছে সেইসব সংঘবদ্ধতা জড়িয়ে ছিল আমাদের জীবনের মানে থেকে কারণ শ্ধু একবার,শুধুই একবার একটাই অক্ষর বা নিঃস্তব্ধ খানিকটা বিরতি | অতৃপ্ত ঢেউয়ের শব্দ ঠেলে দেয় সত্যের মুখোমুখি আমায় ব্যাখ্যার কিছু নেই বলারও কিছু নেই, এই সব অরণ্যের […]
ছন্দ
প্রত্যেক বাক্যের মধ্যে কিছু শব্দ পাশ ফিরে থাকে প্রত্যেক শব্দের মধ্যে কিছু অক্ষর থেকে যায় স্বল্প উচ্চারণে কিছু উপসর্গ প্রত্যেক ধাতুর সম্পর্কে থেকে যায় অর্থবিহীন বুঝ আর অবুঝের মধ্যে বোঝাপড়া রাখে কার্যসাধিকা নীলুদের সংসারে ছোটমাসি মুখ বুজে কাজ করে যায়— জটিলতার কাছে সোপর্দ রয়েছে গতির অরৈখিক নকশা অংশপ্রীতি, ঘুম যেভাবে বিশৃঙ্খলা ছন্দের মুখোশ ।
দিগ্বিজয়ী তোমার স্বামী
চলতে চলতে বলতে থাকি তোমার কথা পথের মাঝে ছড়িয়ে আছে বৃক্ষলতা। দুলছে যেন এ প্রকৃতি! কালো কালো কেশের মতো, দেখতে লাগে হঠাৎ, কোনো দেশের মতো। হেঁটেছি তো বহুদূরের পথের শেষে কোথায় গেলাম, কোথায় আছি; অবশেষে। দেখছি ছায়া মায়াভরা চোখের কাজল কাঁদছে যেন এ প্রকৃতি! একি তোমার দেহের প্রবল! বা দিকটা ধরতে গেলাম, স্কন্ধে কী গো? […]

