কোনো এক ভোরবেলা, রাত্রিশেষে শুভ শুক্রবারে
মৃত্যুর ফেরেস্তা এসে যদি দেয় যাওয়ার তাকিদ;
অপ্রস্তুত এলোমেলো এ গৃহের আলো অন্ধকারে
ভালোমন্দ যা ঘটুক মেনে নেবো এ আমার ঈদ।
ফেলে যাচ্ছি খড়কুটো, পরিধেয়, আহার, মৈথুন–
নিরুপায় কিছু নাম, কিছু স্মৃতি কিংবা কিছু নয়;
অশ্রুভারাক্রান্ত চোখে জমে আছে শোকের লেগুন
কার হাত ভাঙে চুড়ি? কে ফোঁপায়? পৃথিবী নিশ্চয়।
স্মৃতির মেঘলাভোরে শেষ ডাক ডাকছে ডাহুক
অদৃশ্য আত্মার তরী কোন ঘাটে ভিড়ল কোথায়?
কেন দোলে হৃদপিণ্ড, আমার কি ভয়ের অসুখ?
নাকি সেই শিহরণ পুলকিত মাস্তুল দোলায়!
আমার যাওয়ার কালে খোলা থাক জানালা দুয়ার
যদি হয় ভোরবেলা স্বপ্নাচ্ছন্ন শুভ শুক্রবার।
Related Articles
সেই সুখ
সেই সুখ মাছের ভিতরে ছিল, সেই সুখ মাংসের ভিতরে ছিল, রাতের কপালে চাঁদ টিপ দিয়ে যেতো ছেলেবেলা সেই সুখ চাঁদের ভিতরে ছিল, সেই সুখ নারীর ভিতরে ছিল ! নারী কোন রমণীকে বলে ? যার চোখ মুখ স্তন ফুটেছে সেই রমণী কি নারী ? সেই সুখ নারীর ভিতরে ছিল, যখন আমরা খুব গলাগলি শুয়ে অনু অপলাদের […]
তোমার জন্য আমার ২০৬ টি হাড়…
তুমি আমার কাছে চেয়েছো রাবীন্দ্রিক চেতনা, এটেঁল মাটি দিয়ে তৈরি পুতিঁতে আমার নীল তুলির আচড়ের স্বস্তা গহনা, তুমি আমার কাছে চেয়েছো ভাঙ্গনহীন নদীর স্বপ্নীল পাড়, আর একই সাথে থেকে রঙ্গধনুর রঙ্গে বুঁনতে আমাদের একটি কুড়ের আচঁল, হাহ্ … কি সব পুরাতন সাধ। বরং তোমায় আমি দেব ২০৬ টি হাড়, বুকের খাঁচার ভেতরের হৃৎপিন্ড,ফুসফুস, আর আমার […]
সময়
সময় চলে যাচ্ছে– এই বীভৎস ব্যাপারটি দেখতে ইচ্ছে করে না তাই অনেককাল ঘড়ির দিকে তাকাইনি, অনেককাল হাতে আমি ঘড়ি পরি না, আর যেই না তুমি বলছো সোয়া দশটায় কোথাও দেখা হবে কী দেড়টায় বাড়িতে আসবে কী সাতটায় থিয়েটারে, অমনি তড়িঘড়ি ঘড়ি খুঁজে হাতে পরছি, ঘরের সবগুলো টেবিলে দেয়ালে বাচ্চা-মেয়ের মত রাখছি, টাঙাচ্ছি। যেন একটি দিনের […]

