কোনো এক ভোরবেলা, রাত্রিশেষে শুভ শুক্রবারে
মৃত্যুর ফেরেস্তা এসে যদি দেয় যাওয়ার তাকিদ;
অপ্রস্তুত এলোমেলো এ গৃহের আলো অন্ধকারে
ভালোমন্দ যা ঘটুক মেনে নেবো এ আমার ঈদ।
ফেলে যাচ্ছি খড়কুটো, পরিধেয়, আহার, মৈথুন–
নিরুপায় কিছু নাম, কিছু স্মৃতি কিংবা কিছু নয়;
অশ্রুভারাক্রান্ত চোখে জমে আছে শোকের লেগুন
কার হাত ভাঙে চুড়ি? কে ফোঁপায়? পৃথিবী নিশ্চয়।
স্মৃতির মেঘলাভোরে শেষ ডাক ডাকছে ডাহুক
অদৃশ্য আত্মার তরী কোন ঘাটে ভিড়ল কোথায়?
কেন দোলে হৃদপিণ্ড, আমার কি ভয়ের অসুখ?
নাকি সেই শিহরণ পুলকিত মাস্তুল দোলায়!
আমার যাওয়ার কালে খোলা থাক জানালা দুয়ার
যদি হয় ভোরবেলা স্বপ্নাচ্ছন্ন শুভ শুক্রবার।
Related Articles
হাত
আবার আমি তোমার হাতে রাখবো বলে হাত গুছিয়ে নিয়ে জীবনখানি উজান ডিঙি বেয়ে এসেছি সেই উঠোনটিতে গভীর করে রাত দেখছ না কি চাঁদের নীচে দাঁড়িয়ে কাঁদি দুঃখবতী মেয়ে ! আঙুলগুলো কাঁপছে দেখ, হাত বাড়াবে কখন ? কুয়াশা ভিজে শরীরখানা পাথর হয়ে গেলে ? হাত ছাড়িয়ে নিয়েছিলাম বর্ষা ছিল তখন, তখন তুমি ছিঁড়ে খেতে আস্ত কোনও […]
চড়াই
মদ না খেলেও স্ট্রোক না হলেও আমার পা টলে যায় ভূমিকম্প উঠে আসে বুকে ও মাথায় মোবাইল টাওয়ার চিত্কার করে চড়াই পাখীরা পরে থাকে মরে ওদের আকাশ ফুরিয়ে গেছে আকাশ চুরি করেছে তস্করে পরে থাকে, বড়ই একাকী চড়াইপাখি পালকে কী জংলি ছাপ ঠোঁটে, চোখে লেগে ও কি নীল পাশে থাকে খড়কুটো, একে ফর্টিসেভেন এভাবেই শেষ […]
ছবি খেলা
মনে আছে সেই রাত্রি? সেই চাকভাঙা মধুর মতন জ্যোৎস্না উড়ো উড়ো পেঁজা মেঘ অলীক গর্ভের প্রজাপতি দুগ্ধবর্ণ বাতাসের কখনো স্পর্শ ও ছবি খেলা মিনারের মতোন পাঁচটি প্রচীন সুউচ্চ গাছ, সেই মানবিক চষা মাঠ, তিনটি দিগন্ত দূর, আরও দূর পুকুরের ঢালু পাড়ে তুমি শুয়ে ছিলে মনে আছে সেই রাত্রি, সঠিক পথেই ঠিক ভুল করে যাওয়া? বুকে […]

