আমার ঘরের পাশে ফেটেছে কি কার্পাশের ফল?
গলায় গুঞ্জার মালা পরো বালা, প্রাণের শবরী,
কোথায় রেখেছো বলো মহুয়ার মাটির বোতল
নিয়ে এসো চন্দ্রালোকে তৃপ্ত হয়ে আচমন করি।
ব্যাধির আদিম সাজে কে বলে যে তোমাকে চিনবো না
নিষাদ কি কোনদিন পক্ষিণীর গোত্র ভুল করে?
প্রকৃতির ছদ্মবেশে যে-মন্ত্রেই খুলে দেন খনা
একই জাদু আছে জেনো কবিদের আত্মার ভিতরে।
নিসর্গের গ্রন্থ থেকে, আশৈশব শিখেছি এ-পড়া
প্রেমকেও ভেদ করে সর্বভেদী সবুজের মূল,
চিরস্থায়ী লোকালয় কোনো যুগে হয়নি তো গড়া
পারেনি ঈজিপ্ট, গ্রীস, সেরাসিন শিল্পীর আঙুল।
কালের রেঁদার টানে সর্বশিল্প করে থর থর
কষ্টকর তার চেয়ে নয় মেয়ে কবির অধর।
Related Articles
মৃত্তিকার ঘন অন্ধকারে
মৃত্যুপরে মৃত্তিকায় এই দেহ প্রোথিত ফসল, অন্তিম প্রার্থনা শেষে ফিরে যায় সকল স্বজন চল্লিশ কদম দূরে পৌঁছুতে না পৌঁছুতে তখন— বলা হয় ফেরেশতা কবরে নামে সংখ্যায় দুজন— সম্ভবত সেই তারা যারা ছিল কাঁধের ওপরে যখন জীবিত ছিল এই লোক, কাঁধের ওপরে যারা প্রতি মুহূর্তের পাপপুণ্য যা কিছু সে করে সব লিখে রাখে তারা বিবরণ বিশ্বস্ত […]
মৃত্যুর শরীর ভেঙে
বিদ্যুতেরও সাধ্য নেই রুদ্ধ করে রক্তের প্রবাহ— যেভাবে রাতের ঘরে এলে তুমি দাঁড়ালে যখন শরীরের বস্ত্র ছেড়ে, চুলে ঝড়, যখন উধাও লজ্জার সকল শীল, মরে যাই আমি যে তখন! বিপুল সমুদ্র দেখে ছোট এক জাহাজের মাঝি— ধ্রুবতারা লক্ষ্যহারা, কম্পাসের কাঁটাও বিকল— তখন যে হয় তার হাহাকার, কীভাবে যে বাঁচি— চারদিকে নাচে তার রাক্ষুসীর জল ছলচ্ছল। […]
নৈঃশব্দে কাটুক প্রহর…
নৈঃশব্দে কাটুক প্রহর… নির্বাক হয়ে মুখ থুবরে পড়ে থাকুক সব অবাঞ্চিত আশারা… আমি পথ চেয়ে থাকি…শুধু বিরামহীন ঝরে পড়া বৃষ্টির মুখের পানে চেয়ে…তুমি আসবে-ই… একটু একটু করে কাটবে প্রহর! ধীরে ধীরে কাটবে অমানিশা! কাটবে দ্বিধা…সংশয়! ভীষন অন্ধকার আকাশের আধাঁরের মাঝে উজ্জ্বল হয়ে গেঁথে থাকা তারার মতো! একদিন তুমি ফুটবেই! পূর্ণিমাতে ভেসে যাক শহর কিংবা অমাবস্যার […]

