আমার ঘরের পাশে ফেটেছে কি কার্পাশের ফল?
গলায় গুঞ্জার মালা পরো বালা, প্রাণের শবরী,
কোথায় রেখেছো বলো মহুয়ার মাটির বোতল
নিয়ে এসো চন্দ্রালোকে তৃপ্ত হয়ে আচমন করি।
ব্যাধির আদিম সাজে কে বলে যে তোমাকে চিনবো না
নিষাদ কি কোনদিন পক্ষিণীর গোত্র ভুল করে?
প্রকৃতির ছদ্মবেশে যে-মন্ত্রেই খুলে দেন খনা
একই জাদু আছে জেনো কবিদের আত্মার ভিতরে।
নিসর্গের গ্রন্থ থেকে, আশৈশব শিখেছি এ-পড়া
প্রেমকেও ভেদ করে সর্বভেদী সবুজের মূল,
চিরস্থায়ী লোকালয় কোনো যুগে হয়নি তো গড়া
পারেনি ঈজিপ্ট, গ্রীস, সেরাসিন শিল্পীর আঙুল।
কালের রেঁদার টানে সর্বশিল্প করে থর থর
কষ্টকর তার চেয়ে নয় মেয়ে কবির অধর।
Related Articles
প্রিয়াংকা বড়ুয়া
প্রিয়াংকা বড়ুয়া তোর ঠোঁটের মিহিন আলো আমাকে দে না একটু ইলেকট্রিসিটি নেই বছর কয়েক হল আমার আঙুলে-হাতে তোর ওই হাসি থেকে একটু কি নিভা দিবি আমার শুকনো ঠোঁটে যখনি বলবি তুই কবিতার খাতা থেকে তুলে দিয়ে দেব তোকে আগুনও আছে নাকি তোর দেহে কোনো খাঁজে চাইতে বিব্রত লাগে জোনাকির সবুজাভ […]
পাওয়া না-পাওয়ার কানামাছি
রঙীন রুমালে চোখ দুটো বাঁধা নিজের সঙ্গে নিজের অষ্টপ্রহর- কানামাছি খেলা ভারী চমৎকার ধাঁধা। যাকে ছোঁবার তাকে না ছুঁয়ে আকাশ ধরতে হাত বাড়িয়ে আমি ধুলো মাটির ভূয়ে। হাত বাড়ালে হাতে জলের বদলে শামুক অথচ ভেতরটা পরাগসুদ্ধ ফুলের জন্যে আপাদমস্তক কামুক। সিদুর রঙের কিছু দেখলেই মন উসখুস, ইচ্ছেয় আগুন বিশ্বাসের বাকলে সত্যিই এল ফাল্গুন? কাছে যাই, […]
বেশ তো, বেশ তো
কেন হাসলাম? কেন ধীর গতি তরঙ্গে এলাম? কেন পাল্টামার? কেন চুড়ান্ত সাগর ফসকে যায়? কেন মধুনাশ? কেন মক্ষিকায় পোড়ানো জীবন? কেন পিছু ধাওয়া? কেন খুঁজে পাওয়া জলমগ্ন গ্রাম? বেশ তো, বেশ তো, বেশ! তোমাকে আশ্বস্ত করলাম। কেন বা বোনের বন্ধু? কেনই বা বন্ধুদের বোন? কেন সন্ধ্যে হওয়া? কেন বাঁকা পথে মারকাটারি চোখ? কেন মহিলায় লিপ্ত […]

