কথা বলি আমি ঝরে যায় ঝরাপাতা
হাওয়ায় উড়ছে তোমাদের হালখাতা।
তোমাদের সাথে ব্যবধান চিরদিন
হিসেব নিকেশ মেলে না তো কোনো দিন।
সামনে কেবল খোলা আছে এক পথ
এই পথে কবে চলে গেছে সেই রথ।
রথের মেলায় এসেছিল এক ছেলে
বিস্ময়ভরা চোখের পাপড়ি মেলে।
ওই সেই ছেলে হারিয়ে গিয়েছে মাঠে
তাকে খুঁজে ফিরি হাটেবাটে ঘাটেঘাটে।
তার চোখে জ্বলে আগামী দিনের রোদ
পোশাকে তো তার ছিল সম্ভ্রম বোধ
সাহসের কথা বলতো সে আগেভাগে
এখন সে নেই বলো তো কেমন লাগে।
Related Articles
আমার খানিকটা দেরি হয়ে যায়
যে পান্থনিবাসে যাই দ্বার বন্ধ, বলে, “ঐ যে রুগ্ন ফুলগুলি বাগানে রয়েছে শুধু, এখন বসবেন?’ কেউ মুমূর্ষূ অঙ্গুলি আপন উরসে রেখে হেসে ওঠে, পাতা ঝরানো রহাসি, ‘এই অবেলায় কেন এসেছেন আপনি, কী আছে এখন? গত বসন্ত মেলায় সব ফুরিয়েছে, আর আলো নেই, দেখুন না তার ছিঁড়ে গেছে, সব ঘরে ধূলো, তালা খুলবে না এ জন্মে; […]
লোকটি তবে কবি ছিলো?
সুখে তারও লোভ ছিলো -চিরকাল অ-সুখে ভুখেছে! মাথার অসুখ ছিলো, লোকটির -বুকের, দাঁতের- নিত্যসঙ্গী গিঁটেবাত, হাঁটতো তাই খুঁড়িয়ে খুঁড়িয়ে; শেষদিকে শ্বাসকষ্ট -নিঃশ্বাসের জন্যে একবুক বাতাসও তা ভাগ্যে বরাদ্দ ছিলো না! -লোকটির শরীরে অসুখ ছিল নানা -এজন্যে সে আজীবন লাঞ্চিত হয়েছে আর অপমান সয়েছে অনেক! সমাজও ছিলো না তার, বলতে গেলে, সামান্য প্রভাবও; লোকটির কোনো গুণই, […]
এই শেষ পায়রা
এই শেষ পায়রা। এই শেষ শান্তির পতাকা। ঘাড়ে পোঁতা। কিন্তু তার ছুঁচালো লোহার দণ্ড ঘাড়ে ঢুকে থামে না–এগোয়। খোঁজে শিরদাঁড়া–ইলেকট্রোড। পায়। ছোঁয়। গর্ত করে আর দিন চলে যায় শতলক্ষ বছরের পার তারপর যারা আসে, তারা দেখে বসে আছে একটু মনুষ্যমূর্তি, কাঁধে পাখি– দুজনই অঙ্গার!


