কথা বলি আমি ঝরে যায় ঝরাপাতা
হাওয়ায় উড়ছে তোমাদের হালখাতা।
তোমাদের সাথে ব্যবধান চিরদিন
হিসেব নিকেশ মেলে না তো কোনো দিন।
সামনে কেবল খোলা আছে এক পথ
এই পথে কবে চলে গেছে সেই রথ।
রথের মেলায় এসেছিল এক ছেলে
বিস্ময়ভরা চোখের পাপড়ি মেলে।
ওই সেই ছেলে হারিয়ে গিয়েছে মাঠে
তাকে খুঁজে ফিরি হাটেবাটে ঘাটেঘাটে।
তার চোখে জ্বলে আগামী দিনের রোদ
পোশাকে তো তার ছিল সম্ভ্রম বোধ
সাহসের কথা বলতো সে আগেভাগে
এখন সে নেই বলো তো কেমন লাগে।
Related Articles
উদ্বীক্ষণ
নগরে ও গ্রামে জমেছে ভিড় ভগ্ননীড়,- ক্ষুদিত জনতা আজ নিবিড়। সমুদ্রে জাগে না বাড়বানল, কী উচ্ছল, তীরসন্ধানী ব্যাকুল জল। কখনো হিংস্র নিবিড় শোকে; দাঁতে ও নখে- জাগে প্রতিজ্ঞা অন্ধ চোখে। তবু সমুদ্র সীমানা রাখে, দুর্বিপাকে দিগন্তব্যাপী প্লাবন ঢাকে। আসন্ন ঝড়ো অরণ্যময় যে বিস্ময় ছড়াবে, তার কি অযথা ক্ষয়? দেশে ও বিদেশে লাগে জোয়ার, ঘোড়সোয়ার চিনে […]
ক্ষুধা ও শিল্প
একাকী তদন্ত সেরে ফিরে এলো আমার কুকুর; বললো_ প্রভু, মানুষ আসলে ফুল পছন্দ করে না; তার চেয়ে রুটি ও সবজির গন্ধ ওরা বেশি ভালোবাসে! তবু ‘গোলাপ’ ‘গোলাপ’; বলে কান্না করা ওদের স্বভাব_ একজন গোলাপ সুন্দরী এক ঘণ্টাব্যাপী শুধু এই কথা আমাকে বোঝালো!
হঠাৎ শূণ্যের দিকে
ক্রমে স্পষ্ট হয় সব । কে সিংহ, কুকুর, হাতি, সার্কাসের ঘোড়া ; কে টিয়া, চন্দনা, কংবা হাঙর কুমির ; বঙ্গোপসাগর থেকে উঠে এসে কলকাতার ভীড় ঠেলে কে সাঁতার কাটে ; কে ধর্মতলায় পাঞ্জাবির হাতা নেড়ে উড়ে যেতে চায় হঠাত্ আকাশে । যেন একে একে সবগুলি অভ্যাসের ফোড়া ফেটে গেলে ঠিক বিকেলে তিন পা হেঁটে চিনে […]

