আজ হারিয়ে যাওয়া অরণ্যের গভীরে
সে শুনতে পাচ্ছে শত্রুর আওয়াজ, পালাচ্ছে ছুটে
অন্যদের থেকে নয়, নিজেরই কাছ থেকে
পালাচ্ছে সেইসব সংঘবদ্ধতা জড়িয়ে ছিল আমাদের
জীবনের মানে থেকে
কারণ শ্ধু একবার,শুধুই একবার
একটাই অক্ষর বা নিঃস্তব্ধ খানিকটা বিরতি |
অতৃপ্ত ঢেউয়ের শব্দ
ঠেলে দেয় সত্যের মুখোমুখি আমায়
ব্যাখ্যার কিছু নেই
বলারও কিছু নেই, এই সব
অরণ্যের দরজাগুলি বন্ধ সব
সূর্য পরিক্রমা করে, জাগাতে গাছের পাতা
চাঁদ উঠছে সাদা ফলের মতন
মানুষ নিচু করছে মাথা
ভবিতব্যের কাছে |
Related Articles
কখনো চোখের জল
কখনো চোখের জল ফেলতে নেই ভাতের থালায় তাহলে সে-জল গিয়ে শ্রীভগবানের হাতে পড়ে হাতে ফোস্কা পড়ে যায়, তিনিও তো খেতে বসেছেন তাঁর সেদিন খাওয়া হয় না। তিন দিন হাতে ব্যথা থাকে। শ্রমভাগ্যে যা এসেছে দুমুঠো চারমুঠো তাতে খুশি থাকতে হয় খুশি যদি না-ও থাকি তবুও ভাতের সামনে বসে অন্তত ভাতের সামনে বসে আর অভিযোগ করতে […]
ত্যাগে দুঃখে
আজকাল চোখে আর অন্য কোনো স্বপ্নই জাগে না। কবিতার কথা বুঝি, কবিতার জন্য বহুদূর একাকী গিয়েছি পদচারণার স্মৃতি সারাদিন দুঃখবোধ ঐকান্তিক সখ্যতা ভেঙেছে ত্যাগে দুঃখে ভরে আছে সামান্য পড়ার ঘর সন্তানসহ দুঃখী সঙ্গিনীর মুখ। অবোধ বাল্যেও নাকি একটা ছোট কাপও ভাঙিনি– আমার আম্মা প্রায়ই আমার বোনের কাছে শৈশব শোনান। সুন্দর ফ্লাওয়ার ভাসে জ্যান্ত পাখির ডানা […]
নিরাশ্রয় পাচঁটি আঙুল
নিরাশ্রয় পাচঁটি আঙুল তুমি নির্দ্বিধায় অলংকার করে নাও, এ আঙুল ছলনা জানে না। একবার তোমার নোলক, দুল, হাতে চুড়ি কটিদেশে বিছা করে অলংকৃত হতে দিলে বুঝবে হেলেন, এ আঙুল সহজে বাজে না। একদিন একটি বেহালা নিজেকে বাজাবে বলে আমার আঙুলে এসে দেখেছিলো তার বিষাদের চেয়ে বিশাল বিস্তৃতি, আমি তাকে চলে যেতে বলিনি তবুও ফিরে গিয়েছিলো […]

