সন্ধ্যারাতে চতুর্দিকে চেঁচিয়ে মরে ফেউ।
মরুক। তোর কাজে
বিঘœ কেন ঘটবে, তোর হাতের কলম কেউ
কাড়তে পারবে না যে।
দৃশ্য বটে পালটে যায়, রাত্রি হয় ঘোর।
তখনও ফেউ ডাকে।
ডাকুক, ডেকে মরুক। তাতে ভাবনা নেই, তোর
কলম যদি থাকে।
ঘরের মধ্যে একলা তুই, বাহিরে ঘুরে যায়
আতঙ্কের ঢেউ;
এদিকে দেখি টেবিলে আলো। ওদিকে শুনি ঠায়
চেঁচিয়ে মরে ফেউ।
Related Articles
বাঙালির নববর্ষ
আজকের এ প্রভাত ঘোষণা করেছে যে সূর্য, দুই বাহু প্রসারিত করে আমরা সবাই আজ আলিঙ্গন করব তাকে। আমরা ঝাঁপিয়ে পড়ব তার বুকে, আমরা তাকে জড়িয়ে ধরব ছোট্ট শিশুরা যেভাবে জড়িয়ে ধরে তার মাকে। আজ পহেলা বৈশাখ। আজ বাঙালির জন্মদিন।… ‘এসো হে বৈশাখ, এসো এসো।’ বাংলার আকাশে-বাতাসে আজ শুধু তাপস-নিশ্বাস। আজকের এই পোয়াতি আকাশ প্রসব করেছে […]
আমার কয়েকটি নিজস্ব শব্দ
পরিত্রাণ, তুমি শ্বেত, একটুও ধূসর নও, জোনাকির পিছনে বিদ্যুৎ, যেমন তোমার চিরকাল জোনাকির চিরকাল; স্বর্গ থেকে পতনের পর তোমার অসুখ হলে ভয় পাই, বহু রাত্রি জাগরণ- প্রাচীন মাটিতে তুমি শেষ উত্তরাধিকার। একাদশী পার হলে-তোমার নিশ্চিত পথ্য হবে। আমার সঙ্গম নয় কুয়াশায় সমুদ্র ও নদী; ঐ শব্দ চতুষ্পদ, দ্বিধঅ, কিছুটা উপরে, সার্থকতা যদি উদাসীন; বিপুল তীর্থের […]
অভিমানের খেয়া
‘এতোদিন কিছু একা থেকে শুধু খেলেছি একাই পরাজিত প্রেম তনুর তিমিরে হেনেছে আঘাত পারিজাতহীন কঠিন পাথরে প্রাপ্য পাইনি করাল দুপুরে, নির্মম ক্লেদে মাথা রেখে রাত কেটেছে প্রহর বেলা_ এই খেলা আর কতোকাল আর কতোটা জীবন! কিছুটা তো চাই- হোক ভুল হোক মিথ্যে প্রবোধ, অভিলাষী মন চন্দ্রে না পাক, জ্যোৎস্নায় পাক সামান্য ঠাঁই কিছুটা তো চাই, […]


