সন্ধ্যারাতে চতুর্দিকে চেঁচিয়ে মরে ফেউ।
মরুক। তোর কাজে
বিঘœ কেন ঘটবে, তোর হাতের কলম কেউ
কাড়তে পারবে না যে।
দৃশ্য বটে পালটে যায়, রাত্রি হয় ঘোর।
তখনও ফেউ ডাকে।
ডাকুক, ডেকে মরুক। তাতে ভাবনা নেই, তোর
কলম যদি থাকে।
ঘরের মধ্যে একলা তুই, বাহিরে ঘুরে যায়
আতঙ্কের ঢেউ;
এদিকে দেখি টেবিলে আলো। ওদিকে শুনি ঠায়
চেঁচিয়ে মরে ফেউ।
Related Articles
দেখে এসো একবার
ছাদের কোনায় টবের গোলাপটা মনে আছে? তোমাকে অভিবাদন জানাতে দুলে উঠেছিল মন্দ্র। কোমল ওষ্ঠে মাখিয়ে দিয়েছিল পরাগ; তর্জনীতে তোমার বিঁধে গিয়েছিল কুসুম রক্ষীর কাঁটা… তুমি কিন্তু এক ফোঁটাও রাগ করনি। এখন সে বাক্সবন্দী… বটানি খাতার পাতায় শুষ্ক। পারো যদি, দেখে এসো একবার… গ্রিলের ফাঁক গলে বেরিয়ে আসা সেই বেড়াল ছানাটা মনে পরে? নির্ভাবনায় এসে শুয়ে […]
এটাই নিয়তি
গেদু মিয়া মধু মিয়া যদু মিয়া আর পথেঘাটে যাকে দেখে তাকে ধরে মার। এরা হল গায়েঁর নেতা বাউন্ডুলেন দল মানে নাকো জ্ঞানী গুনী দেখায় বাহুবল। বাবা-মার কথামত চলেনাতো এরা এলোমেলো ভাবে শুধু পথেঘাটে ঘোরা। লেখাপড়া করেনা কেউ যায়না স্কুলে নেশা করা মদ খাওয়া এসবই চলে। পথেঘাটে যদি কোন মা-বোনেরা চলে শিষ দিয়ে এরা শুধু বাজে […]
আহত মিছিল
মধ্যরাতে জানালায় টোকা দেয় গোলগাল পূর্ণিমা চাঁদ, ফ্রস্টেড শার্সির ভেতর দিয়ে ছড়িয়ে পড়ে শাদা জোছনা, দরোজায় ডুগডুগি বাজায় দীঘল বৃক্ষছায়া, টেবিলের ফুলদানি থেকে পাখির মতো উড়ে যায় গুচ্ছ গুচ্ছ স্বপ্ন (ফুল আর স্বপ্নের ভেতর আমি কখনো তফাত দেখি না), দেয়ালে ফ্রেমবন্দি স্মৃতি নিয়ে মগ্ন বদ্ধ বাতাস, আমি নিঃশ্বাস নিতে গিয়ে টের পাই বাসি পাউরুটির মতো […]

