সন্ধ্যারাতে চতুর্দিকে চেঁচিয়ে মরে ফেউ।
মরুক। তোর কাজে
বিঘœ কেন ঘটবে, তোর হাতের কলম কেউ
কাড়তে পারবে না যে।
দৃশ্য বটে পালটে যায়, রাত্রি হয় ঘোর।
তখনও ফেউ ডাকে।
ডাকুক, ডেকে মরুক। তাতে ভাবনা নেই, তোর
কলম যদি থাকে।
ঘরের মধ্যে একলা তুই, বাহিরে ঘুরে যায়
আতঙ্কের ঢেউ;
এদিকে দেখি টেবিলে আলো। ওদিকে শুনি ঠায়
চেঁচিয়ে মরে ফেউ।
Related Articles
বজ্রমূর্খের তর্ক
আজকে শুক্কুরবার । মাইনে পেয়েচি । বোধায় শরতকালের পুন্নিমে। পাতলা মেঘের মধ্যে জ্যোসনা খেলছে । মাঝরাত । রাস্তাঘাট ফাঁকা। সামান্য টেনিচি তাড়ি । গাইচি গুনগুন করে অতুলপ্রসাদ । কোথাও কিচ্ছু নেই হঠাৎ কুচকুচে কালো নেড়িকুকুরের দল ঘেউ ঘেউ করে ওঠে। তাড়া করে । বেঘোরে দৌড়ুতে থাকি । বুঝতে পারিনি আগে । রাজপথে এসে হুঁশ হয় […]
সেই সব নিজস্ব রাত্রিগুলি
যে রাত ‘পাশাপশি বসিবার বনলতা সেন’ সে রাত আমার নয়, সে রাত অন্য কারো। প্রনয়ীর প্রথম পরশ ছুঁয়ে দ্বিধাগ্রস্ত চুপিচুপি চোখের উপকূলে জোয়ারের মতো স্বপ্নালু হেঁটে আসা যে রাত আচ্ছন্ন আকাশের নিচে সে রাত আমার নয়, সে রাত অন্য কারো। আকাশের মাঠে নক্ষত্র পাখিদের কোলাহলে যে রাত নেমে আসে হেমন্তের শিশিরের প্রথম অভিসারের মতো নিরব […]
কবিতা মুর্তিমতী
শুয়ে আছে বিছানায়, সামনে উম্মুক্ত নীল খাতা উপুড় শরীর সেই রমণীর, খাটের বাইরে পা দু’খানি পিঠে তার ভিজে চুল, এবং সমুদ্রে দু’টি ঢেউ ছায়াময় ঘরে যেন কিসের সুদন্ধ, – জানায় রৌদ্র যেন জলকণা, দূরে নীল নক্ষত্রের দেশ। কী লেখে সে, কবিতা? না কবিতা রচনা করে তাকে? সে বড় অসি’র, তার চোখে বড় বেশী অশ্রু আছে […]

