মেঘ ঝুঁকে আছে বহুতল সেই মানুষের
সিঁথির উপরে, যেখানে কখনো সিন্দুর
ছোঁয়াবেনা আর, বরং কাটাবে এরপর
চেতাবনি দিন, সাঁজোয়াজীবন অম্বার।
আমি তাকে বলি (প্রকরণগত কারণে
নীরব ভাষায়)—“স্বীকার করাই ভালো,
আমারও রক্তে গত কয়েকশো যুগ
দূর থেকে আসা অক্ষত আধিপত্য ;
তবু কি আমাকে একটুও ভালোবাসবে?
যদি কোনদিন নতুন বর্ষপঞ্জি
বিধান জানায়—আমি এতদূরই আমি
হয়ে উঠেছি যে, আজ থেকে সংক্রান্তি।
সেদিন বাসবে? যেদিন বিপত্তারণে
সময় ফুরোবে দশপ্রহরণধারণের?”
Related Articles
বুদ্ধনং শরনং গচ্ছামি
বুড়ি হও, ছুড়ি হও, তোমার কাশ-শাদা হাসির অর্থই শরৎ নয়। তোমার দশহাতে দশ বিপদসংহারী অস্ত্র হাসে; অথচ শরৎ হাসে না। বাঁকখালির জলে ঢেউয়ের ত্রিভঙ্গ থেমে যায়; অথচ আশ্বিন নেচে ওঠে না বালিতে বা ফেনায়। ঘোর পূর্ণিমায় সোনাইছড়ির পাহাড়ে পাহাড়ে শিশির নামে। রামুর হাজার বছরের প্রাচীন কিয়াং জোছনায় সাঁতরায়। তখন বুদ্ধের শত ফুট দীর্ঘ শান্তিশয়ান চাঁদের […]
আলোক সরকার আর অন্ধকার রায়
‘একি, আপনি বাজারে? কবিশাহেব, আপনিও কি বাজার করেন?’ –হ্যাঁ, আমাকেও বাজার করতে হয়, আমাকেও তেল-নুন-মাংসের হিশেব কষতে হয়– আমি নই বায়ুভুক রবীন্দ্রনাথ। কবিতাকেও হতে হয় পৌরুষেয়– শুধু নারীলাবণিগ্রস্ত নয়। বসন্তের সংঘর্ষে জ্বলে উঠতে হয় আগুনের মতো। জীবনানন্দকেও একদিন খালি গায়ে দুই হাতে দুই ভরা পানির বালতি বয়ে নিয়ে যেতে দেখেছিলেন অনুজ কবি আলোক সরকার আর […]
শূন্যের ভিতরে ঢেঊ
বলিনি কখনো? আমি তো ভেবেছি বলা হয়ে গেছে কবে। এভাবে নিথর এসে দাঁড়ানো তোমার সামনে সেই এক বলা কেননা নীরব এই শরীরের চেয়ে আরো বড়ো কোনো ভাষা নেই কেননা শরীর তার দেহহীন উত্থানে জেগে যতদূর মুছে নিতে জানে দীর্ঘ চরাচর তার চেয়ে আর কোনো দীর্ঘতর যবনিকা নেই। কেননা পড়ন্ত ফুল, চিতার রুপালি ছাই, ধাবমান শেষ […]

