বলিনি কখনো?
আমি তো ভেবেছি বলা হয়ে গেছে কবে।
এভাবে নিথর এসে দাঁড়ানো তোমার সামনে
সেই এক বলা
কেননা নীরব এই শরীরের চেয়ে আরো বড়ো
কোনো ভাষা নেই
কেননা শরীর তার দেহহীন উত্থানে জেগে
যতদূর মুছে নিতে জানে
দীর্ঘ চরাচর
তার চেয়ে আর কোনো দীর্ঘতর যবনিকা নেই।
কেননা পড়ন্ত ফুল, চিতার রুপালি ছাই, ধাবমান শেষ ট্রাম
সকলেই চেয়েছে আশ্রয়
সেকথা বলিনি? তবে কী ভাবে তাকাল এতদিন
জলের কিনারে নিচু জবা?
শুন্যতাই জানো শুধু? শুন্যের ভিতরে এত ঢেউ আছে
সেকথা জানো না?
Related Articles
দৃষ্টিরিক্ত বদ্ধাকাশ
একটা জানালা ছিল- ছিল ঘরের ভেতর তোমার-আমার ছোট্ট বাসর, বাইরে ছিল বদ্ধ আকাশ, ঘুটঘুটে মেঘ আকাশে তারা ছিল কিনা জানিনা কিন্তু ঘরের ভেতর দুখানি হাত ছিল, বাঁধন ছিল, পরশ ছিল । ছিলনা তবু চোখের দেখা ও চোখ যে নীলিকায় ধরেছে ! মরচে পড়া দুই জোড়া চোখ তবু হাত ছাড়েনি, আলোর আকর্ষে উড়েনি তবু দিগভ্রান্ত […]
বর্ষায় রচিত পদ্য ও গদ্য
ধারা বয়ে যায় ঝর ঝর ঝরে বাদলের ধারা অবিরাম বৃষ্টিতে কাঁপছে সৃষ্টি শরীর আমার ঘন ঘন শিহরীত কখনোবা জলের আঙুল কে যেন ছোঁয়ালো পিঠে। আমি বলে উঠি_ কে তুমি অদেখা, কুয়াশায় লেখা বাড়াও একটি হাত। চারদিকে কালো, সন্ধ্যা ঘনালো মনে হয় বুঝি রাত। ফোঁটায় ফোঁটায় জল তরঙ্গ পাতায় পাতায় ঝরে_ শুধু মনে হয়, ধারা বয়ে […]
দুপুর
রৌদ্রে এসে দাঁড়িয়েছে রৌদ্রের প্রতিমা এ যেন আলোরই শস্য, দুপুরের অস্থির কুহক অলিন্দে দাঁড়ানো মূর্তি ঢেকে দিল দু’চক্ষুর সীমা পথ চলতে থম্কে গেলো অপ্রতিভ অসংখ্য যুবক। ভিজে চুল খুলেছে সে সুকুমার, উদাস আঙুলে স্তনের বৃন্তের কাছে উদ্বেলিত গ্রীষ্মের বাতাস কি যেন দেখলো মিলে এক সঙ্গে নিল দীর্ঘশ্বাস। একজন যুবক শুধু দূর থেকে হেঁটে এসে ক্লান্ত […]

