বুঝি তোমার চাউনি বুঝি
থাকবে না আর গলিঘুঁজি
থাকবে না আর ছাউনি আমার কোথাও
ও প্রমোটার ও প্রমোটার
তোমার হাতে সব ক্ষমতার
দিচ্ছি চাবি, ওঠাও আমায় ওঠাও |
তুমিই চিরনমস্য, তাই
তোমার পায়ে রত্ন জোটাই
তোমার পায়েই বিলিয়ে দিই শরীর—
যাঁর যা খুশি বলুন তিনি
করবে তুমি কল্লোলিনী
ভরসা কেবল কলসি এবং দড়ির |
আমার বলে রইলো শুধু
বুকের ভেতর মস্ত ধু ধু
দিয়েছি সব যেটুকু ছিল দেবার
ঘর ছেড়ে আজ বাইরে আসি
আমরা কজন অন্তেবাসী
শবসাধনার রাত কাটাব এবার |
Related Articles
বৈশাখ! বৈশাখ!
এই আমার পহেলা বৈশাখ এভাবেই আমার ইতিহাস, এভাবেই আমি, বৈশাখের এই মাঠের মেলায়, গ্রামীণ গরীব এক সার্কাসের তাঁবুতে লম্বমান দড়ির পিঁড়িতে। উজ্জ্বল আলো, সঙ্গীতের ঝমঝম, টানটান ভাসমান আমি পরের দড়িটি লাফ দিয়ে ধরবার জন্যে দোল খাচ্ছি দোল খাচ্ছি, দর্শকের স্তম্ভিত নিঃশ্বাস, কিন্তু দৃষ্টি নেই তাদের ওপরে, তারা কিছু নয়! দড়িটিই কেবল আমার চেতনায়_ এভাবেই আমার […]
ঘুণপোকা
ঘুণপোকা আজ যৌবন কুরে খাচ্ছে নতুন স্বপ্ন অচেনা হাওয়ায় ভাসছে অমিত সাহস পকেটে আটকে ঘুরছি জ্বালানো আগুনে নিজেই এখন পুড়ছি। করতল থেকে মুছে যায় সৌভাগ্য ভুঁইফোড় আমি নিজেকে ভেবেছি প্রাজ্ঞ অন্ধকারের জানালায় ডাকে পক্ষী অরণ্যে নেই পাহারার বনরক্ষী। ফুল থেকে আর পাইনাতো কোনো গন্ধ বিবেক ঘুমায়, নেই তার মনে দ্বন্দ্ব ব্যাঘ্র-জীবন হারিয়ে ফেলেছে গর্জন সিন্দুক […]
নীরার পাশে তিনটি ছায়া
নীরা এবং নীরার পাশে তিনটি ছায়া আমি ধনুকে তীর জুড়েছি, ছায়া তবুও এত বেহায়া পাশ ছাড়ে না এবার ছিলা সমুদ্যত, হানবো তীর ঝড়ের মতো– নীরা দু’হাত তুলে বললো, ‘মা নিষাদ! ওরা আমার বিষম চেনা!’ ঘূর্ণি ধুলোর সঙ্গে ওড়ে আমার বুক চাপা বিষাদ– লঘু প্রকোপে হাসলো নীরা, সঙ্গে ছায়া-অভিমানীরা ফেরানো তীর দৃষ্টি ছুঁয়ে মিলিয়ে গেল নীরা […]

