মেঘ ঝুঁকে আছে বহুতল সেই মানুষের
সিঁথির উপরে, যেখানে কখনো সিন্দুর
ছোঁয়াবেনা আর, বরং কাটাবে এরপর
চেতাবনি দিন, সাঁজোয়াজীবন অম্বার।
আমি তাকে বলি (প্রকরণগত কারণে
নীরব ভাষায়)—“স্বীকার করাই ভালো,
আমারও রক্তে গত কয়েকশো যুগ
দূর থেকে আসা অক্ষত আধিপত্য ;
তবু কি আমাকে একটুও ভালোবাসবে?
যদি কোনদিন নতুন বর্ষপঞ্জি
বিধান জানায়—আমি এতদূরই আমি
হয়ে উঠেছি যে, আজ থেকে সংক্রান্তি।
সেদিন বাসবে? যেদিন বিপত্তারণে
সময় ফুরোবে দশপ্রহরণধারণের?”
Related Articles
শরৎ
শরৎ হচ্ছে বর্ষার দুঃখ, মেঘের দীর্ঘশ্বাস বৃষ্টি ফুরিয়ে গেছে তার, সে খুব গরিব, তার শুভ্রতার মধ্যে ধূসরতার গন্ধ হলুদ পাতার ঝরে পড়া; শরৎ বড় একা একা, শান্ত নিসঃঙ্গ সে শুধু স্থির পুকুরের মতো নিঃশব্দে বসে থকে, তার শুষ্ক মুখে জলের কোন কারুকাজ নেই বর্ষণের লাবণ্য নেই। এই শরতের জন্য মঝে মাঝে আমার বেশ মন খরাপ […]
রাশিয়ার চিঠি-১৩
সোভেয়েট রাশিয়ায় জনসাধারণকে শিক্ষা দেবার জন্যে কত বিবিধ রকমের উপায় অবলম্বন করা হয়েছে তার কিছু কিছু আভাস পূর্বের চিঠিপত্র থেকে পেয়ে থাকবে। আজ তোমাকে তারই মধ্যে একটা উদ্যোগের সংক্ষেপ বিবরণ লিখে পাঠাচ্ছি। কিছুদিন হল মস্কৌ শহরে সাধারণের জন্য একটি আরামবাগ খোলা হয়েছে। বুলেটিনে তার নাম দিয়েছে Moscow Park of Education and Recreation। তার মধ্যে প্রধান […]
কিছু মায়া রয়ে গেলো
সকল প্রতাপ হল প্রায় অবসিত… জ্বালাহীন হৃদয়ের একান্ত নিভৃতে কিছু মায়া রয়ে গেলো দিনান্তের, শুধু এই – কোনোভাবে বেঁচে থেকে প্রণাম জানানো পৃথিবীকে। মূঢ়তার অপনোদনের শান্তি, শুধু এই – ঘৃনা নেই, নেই তঞ্চকতা, জীবনজাপনে আজ যতো ক্লান্তি থাক, বেঁচে থাকা শ্লাঘনীয় তবু।

