মেঘ ঝুঁকে আছে বহুতল সেই মানুষের
সিঁথির উপরে, যেখানে কখনো সিন্দুর
ছোঁয়াবেনা আর, বরং কাটাবে এরপর
চেতাবনি দিন, সাঁজোয়াজীবন অম্বার।
আমি তাকে বলি (প্রকরণগত কারণে
নীরব ভাষায়)—“স্বীকার করাই ভালো,
আমারও রক্তে গত কয়েকশো যুগ
দূর থেকে আসা অক্ষত আধিপত্য ;
তবু কি আমাকে একটুও ভালোবাসবে?
যদি কোনদিন নতুন বর্ষপঞ্জি
বিধান জানায়—আমি এতদূরই আমি
হয়ে উঠেছি যে, আজ থেকে সংক্রান্তি।
সেদিন বাসবে? যেদিন বিপত্তারণে
সময় ফুরোবে দশপ্রহরণধারণের?”
Related Articles
এক অসুখে দুজন অন্ধ
আজ বাতাসের সঙ্গে ওঠে, সমুদ্র, তোর আমিষ গন্ধ দীর্ঘ দাঁতের করাত ও ঢেউ নীল দিগন্ত সমান করে বালিতে আধ-কোমর বন্ধ এই আনন্দময় কবরে আজ বাতাসের সঙ্গে ওঠে, সমুদ্র, তোর আমিষ গন্ধ | হাত দুখানি জড়ায় গলা, সাঁড়াশি সেই সোনার অধিক উজ্জ্বলতায় প্রখর কিন্তু উষ্ণ এবং রোমাঞ্চকর আলিঙ্গনের মধেযে আমার হৃদয় কি পায় পুচ্ছে শিকড় আঁকড়ে […]
বিজয়ের বিবরণ
একদা আমি ভাবতাম, মানুষ হলো গতি, বেগ ও আবেগের পুত্র। একদিন এই সূত্র নিয়ে চিন্তা করতে করতে দেখি আমার চিন্তাসূত্র ছিঁড়ে বেরিয়ে যাচ্ছে একটি রশ্মির ছটা। মানুষ আলোরই স্ফুলিঙ্গ বলে। আমি বিশ্বাস করে ভূপৃষ্ঠে পা রেখে হাঁটতে চেয়েছিলাম। হাঁটতে হাঁটতে দেখি আমি একদিন বিশ্বের সমস্ত নগরের ফুটপাথ বেয়ে চলে এসেছি আমার নিজেরই বাড়িতে। এই তো […]
গুচ্ছ কবিতা
১. থাকুক তোমার একটু স্মৃতি থাকুক একলা থাকার খুব দুপুরে একটি ঘুঘু ডাকুক ২. দিচ্ছো ভীষণ যন্ত্রণা বুঝতে কেন পাছো না ছাই মানুষ আমি, যন্ত্র না! ৩. চোখ কেড়েছে চোখ উড়িয়ে দিলাম ঝরা পাতার শোক।

