‘একি, আপনি বাজারে? কবিশাহেব, আপনিও কি বাজার করেন?’
–হ্যাঁ, আমাকেও বাজার করতে হয়,
আমাকেও তেল-নুন-মাংসের হিশেব কষতে হয়–
আমি নই বায়ুভুক রবীন্দ্রনাথ।
কবিতাকেও হতে হয় পৌরুষেয়–
শুধু নারীলাবণিগ্রস্ত নয়।
বসন্তের সংঘর্ষে জ্বলে উঠতে হয় আগুনের মতো।
জীবনানন্দকেও একদিন খালি গায়ে দুই হাতে দুই ভরা পানির বালতি
বয়ে নিয়ে যেতে দেখেছিলেন
অনুজ কবি আলোক সরকার আর অন্ধকার রায় ।
Related Articles
অস্পৃশ্য
ঘন্টার পর ঘন্টা দিনের পর দিন বছরের পর বছর সময় নষ্টের ঠিকাদার আমি……… দায়িত্ব নিয়ে ঘড়ির কাঁটা চিবিয়ে চলেছি। বুদ্ধি কি অস্পৃশ্য?
ঘুমোবার আগে
‘আমার কাছে আগুন ছিলো না আমি চাঁদের আগুনে শাদা সিগ্রেট জ্বালিয়ে বসেছিলাম কুয়াশায়! -কে ওখানে? শীতরাতে পৌষ-পাখির গলা শোনা গেলো জ্যোত্স্নায়, -কে ওখানে? পাখির কন্ঠের গানে কুয়াশায় আমি কালো জ্যোত্স্না ঘুরে হঠাত্ তখন চাঁদের আগুনে পুড়ে ছুঁয়ে দিতে উদ্যত হলাম! অপসৃয়মাণ তুমি? তোমাকে না ছুঁতে পেরে আমি নিজ নিয়তির অন্তর্গত রোদনকে বললাম, দেখো আমি আর […]
ব্যথা দাও,বুকে রাখবো
ব্যথা দাও,বুকে রাখবো ব্যথার জন্যই তো হৃদয় আঘাতে বুক ভাঙবে না বুকে ব্যথা আছে। গলিত লাভাগুলো বেদনার ্যেন ঘনীভূত পাথরের দেহ আঘাতে পাথর কখনো গলে না গলে না হৃদয়। পাহাড়ে ধস নামলে কখনো মা্টি অনায়াসে পেতে দেয় বুক। তুমি যাবতীয় দুঃখকে ছুঁড়ে দাও আমি বুক পেতে নেবো বুক ভাঙবে না। দুয়ার বন্ধ করলেই আমি ফিরে […]

