‘একি, আপনি বাজারে? কবিশাহেব, আপনিও কি বাজার করেন?’
–হ্যাঁ, আমাকেও বাজার করতে হয়,
আমাকেও তেল-নুন-মাংসের হিশেব কষতে হয়–
আমি নই বায়ুভুক রবীন্দ্রনাথ।
কবিতাকেও হতে হয় পৌরুষেয়–
শুধু নারীলাবণিগ্রস্ত নয়।
বসন্তের সংঘর্ষে জ্বলে উঠতে হয় আগুনের মতো।
জীবনানন্দকেও একদিন খালি গায়ে দুই হাতে দুই ভরা পানির বালতি
বয়ে নিয়ে যেতে দেখেছিলেন
অনুজ কবি আলোক সরকার আর অন্ধকার রায় ।
Related Articles
স্বর্গ হতে বিদায়
সমুদ্র শেষ হ’লো, আজ দুরন্ত অন্ধকার ডানা ঝাড়ে উড়ন্ত পাখির মতো | সমুদ্র শেষ হ’লো গভীর বনে আর হরিণ নেই, সবুজ পাখি গিয়েছে ম’রে, আর পাহাড়ের ধূসর অন্ধকারে দুরন্ত অন্ধকার ডানা ঝাড়ে উড়ন্ত পাখির মতো | সমুদ্র শেষ হ’লো, চাঁদের আলোয় সময়ের শূণ্য মরুভূমি জ্বলে |
না
না ! ——— না, বালিকা না ! তুমি সূর্যালোকে হাসো বা বৃষ্টিজলে ভাসো – আকাশের নীল মেখে হৃদয়ের চাবি খুলে দিও না! তার আগে এসো হাতে রাখো হাত, চোখে চোখ – কান পেতে শুনি নিলয়ের নিঃশব্দ উচ্চারণ! শুনতে কি পাও সেই অবিনাশী বাঁশী? তারপর… ————————- -নিলয় ২৬/১০/২০১৭, সাজেক, খাগড়াছড়ি ওয়েবপেজ: Niloy@Niloy.myskytofly
আমরা তো অল্পে খুশি
আমরা তো অল্পে খুশি,কী হবে দুঃখ করে?আমাদের দিন চলে যায়সাধারণ ভাতকাপড়ে। চলে যায় দিন আমাদেরঅসুখে ধারদেনাতেরাত্তিরে দুভায়ে মিলেটান দিই গঞ্জিকাতে। সবদিন হয়না বাজার,হলে হয় মাত্রাছাড়া –বাড়িতে ফেরার পথেকিনে আনি গোলাপচারা। কিন্তু পুঁতব কোথায়?ফুল কি হবেই তাতে?সে অনেক পরের কথাটান দিই গঞ্জিকাতে। আমরা তো অল্পে খুশি,কী হবে দু : খ করে?আমাদের দিন চলে যায়সাধারণ ভাতকাপড়ে। মাঝে […]

