‘একি, আপনি বাজারে? কবিশাহেব, আপনিও কি বাজার করেন?’
–হ্যাঁ, আমাকেও বাজার করতে হয়,
আমাকেও তেল-নুন-মাংসের হিশেব কষতে হয়–
আমি নই বায়ুভুক রবীন্দ্রনাথ।
কবিতাকেও হতে হয় পৌরুষেয়–
শুধু নারীলাবণিগ্রস্ত নয়।
বসন্তের সংঘর্ষে জ্বলে উঠতে হয় আগুনের মতো।
জীবনানন্দকেও একদিন খালি গায়ে দুই হাতে দুই ভরা পানির বালতি
বয়ে নিয়ে যেতে দেখেছিলেন
অনুজ কবি আলোক সরকার আর অন্ধকার রায় ।
Related Articles
দখলীস্বত্বের বাড়ি
সেতুকে ওপরে রেখে নদী বয়ে যায়। নদীকে গভীরে রেখে সেতুদের আড়ি। তাই কি জলের সঙ্গে স্রোত দাঁড় বায়? দ্বীপ-চরে বেড়ে ওঠে একাকিনী বাড়ি। বাঁকা জল আঁকা জল, মাঝখানে বাড়ি। গৃহস্থের চালাবাড়ি, হে নগরবাড়ি! আড়ালে ঘুমটো-মুখ, হে ব-দ্বীপবাড়ি। দখলীস্বত্বের বাড়ি, খুব দরকারি। ভিটি ছেড়ে মাটি ছেড়ে মাঝি গলা ছাড়ে। সাঁতরায় ডিঙিনৌকা। গাঙ দেয় পাড়ি। দখলীস্বত্বের বাড়ি, […]
ঝরার গান
পাতা ঝরছে পাতা ঝরছে, ঝরছে প্রাণ এই পৌষের ঠান্ডা হাওয়ায় লেপের ঘ্রাণ লাগছে এসে আমার নাকে আমার দেহে— কী আরাম! হাত দিও না তোমার হাতে শীতের ঢেউ শীত নিয়ে আজ গীত বেঁধেছি আসবে কেউ, আসুক তবে হাসুক তবে কথার ঢেউ— শীতে পালায় গীতের নেশা আমার নাম! তবু তো শীত ভীত কাঁপানো বাড়ায় হাত হাত দিও […]
সবুজ রৌদ্রের এই পিপাসাই
দীর্ঘ দীর্ঘ দিন। বড় দীর্ঘ- আমি স্বস্তিহীন। খ্রিস্টের বৎসর যদি পার হয়ে যায়, রক্ত তার এখনো ঝরায়- এখনো এ পৃথিবীতে মানুষ ক্রুশেও! অগ্নি ছোটে হাওয়ায় হাওয়ায়। ক্রমেই নিজের থুতু তার কাছে হতে থাকে পেয়- এখনো মাটিকে লাথি যার সমীচীন। আমি নতজানু এই রক্তাক্ত মাটিতে। চৌচির এ বুকে তৃষ্ণা- দীর্ঘ জাগরণ- আর এই প্রার্থনা এখন আবার […]

