মিত্রা দিদি, তোমাকে নিয়ে কাব্য
লেখেনি কোন পুরুষ কোন দিন।
গলির মোড়ে বাজেনি সম্মিলিত
শীৎকার, বখাটে ছেলেদের।
তোমাকে দেখতে আসেনি পাত্রপক্ষ,
এসেছিল শুধু মেপে নিতে,
তোমার বুক, চুল, নিতম্ব
যাবতীয় সব শারিরিক।
কত বার গেছ তুমি কামরূপ-কামাক্ষা ?
কত বার ছুঁয়েছ তুমি কাম পীঠে সিঁদুর ?
কত বার পাল্টেছ জ্যোতিষি তুমি ?
কত বার করিয়েছ জাদুটোনা ?
কত যুগ উপবাসী তুমি ঢেলেছ দুগ্ধ,
সুগঠিত শিবলিঙ্গে ?
সে খবর জানে শুধু,
একলা রাতের পাশ বালিশ।
Related Articles
প্রেম চাই
এই মুহূর্তে, এক্ষুনি আমার একটু প্রেম দরকার। একটু আগেই কলমটা একগাদা নোংরা বমি করল। শুরুতেই ‘বিবর্ণ ধুসর প্রান্তর’। আমি দুহাত দিয়ে আপ্রান চেপে ধরলাম নীপটাকে। ফস্কে গেল, ছড়াত! কালি ছড়িয়ে পরল খাতার মধ্যিখানে। সেখান থেকে বেরিয়ে এলো এক নিকষ অন্ধকার, এবার সেই অন্ধকার ধীরে ধীরে হয়ে উঠল ‘রক্তস্রাব’। ঘিনঘিনে পোকাগুলো কিলবিলিয়ে সাঁতরাতে লাগল তার ওপর। […]
অচিন মানুষ
মানুষ পাখির কাছ থেকে গান নকল করলো নদীর কাছ থেকে সুর, লাল নীল সবুজ চিনলো সে রঙধনু দেখে তার নিজের কিছুই নয়, সবই পরের ধন, এতো কিছু চিনলো সে, এতো কিছু শিখল এতো বিদ্যা, এতো শিল্প সে সবই চিনলো শুধু নিজেকে চিনলো না, নিজের কাছে সে এক অচিন মানুষ।
রাখাল
লাল ও সবুজ আলোর মধ্যে অন্তকাল আমি ডাইনে তাকাই পিছনে ফিরে অন্ধকার গলিতে অনন্তকাল পিছনে নয়, ডাকদিকে নয়, সবুজ ও লাল- সুখের মতো ভূবিস্তৃত, ঊরুদ্বয়ে শোকের মতো, দৃষ্টি থেকে ঘুমের মতো পেরিয়ে যাই, কুসুম এবং ফলের কাছে বীজের মতো দীক্ষা নিতে, মৃত্যু থেকে সঙ্গোপনে শুন্য ঘরে, দ্রাক্ষাবনের ছঅই বাতাস, জ্ঞানী মাথার খুলী, নদীর ভাঙ্গা পাড়ের […]

