মিত্রা দিদি, তোমাকে নিয়ে কাব্য
লেখেনি কোন পুরুষ কোন দিন।
গলির মোড়ে বাজেনি সম্মিলিত
শীৎকার, বখাটে ছেলেদের।
তোমাকে দেখতে আসেনি পাত্রপক্ষ,
এসেছিল শুধু মেপে নিতে,
তোমার বুক, চুল, নিতম্ব
যাবতীয় সব শারিরিক।
কত বার গেছ তুমি কামরূপ-কামাক্ষা ?
কত বার ছুঁয়েছ তুমি কাম পীঠে সিঁদুর ?
কত বার পাল্টেছ জ্যোতিষি তুমি ?
কত বার করিয়েছ জাদুটোনা ?
কত যুগ উপবাসী তুমি ঢেলেছ দুগ্ধ,
সুগঠিত শিবলিঙ্গে ?
সে খবর জানে শুধু,
একলা রাতের পাশ বালিশ।
Related Articles
তখন সত্যি মানুষ ছিলাম
নদীর জলে আগুন ছিল আগুন ছিল বৃষ্টিতে আগুন ছিল বীরাঙ্গনার উদাস করা দৃষ্টিতে। আগুন ছিল গানের সুরে আগুন ছিল কাব্যে, মরার চোখে আগুন ছিল এ কথা কে ভাববে ? কুকুর-বেড়াল থাবা হাঁকায় ফোঁসে সাপের ফণা শিং কৈ মাছ রুখে দাঁড়ায় জ্বলে বালির কণা। আগুন ছিল মুক্তিসেনার স্বপ্ন-ঢলের বন্যায়- প্রতিবাদের প্রবল ঝড়ে কাঁপছিল সব অন্যায়। এখন […]
আমি সেই কীশোর?
ইচ্ছে হয় আবারও কিশের হয় ফিরে যাই সেই লাল টুক টুক লিচুর তলায়,পুকুর পারে নদীর ধারে | ঘন বন জঙ্গল ঝোপ ঝারের ভিতরে সেই দোয়েল পাখির ডিম ,ইচ্ছে হয় ঘুরে দেখে আসি | সেই টুনটুনির উড়াং ফাড়াং চলন | ইচ্ছে হয় মাঠে বিলে নির্জনে বাজাতে বাশিঁ | মনে হয় আবারও কিশোর হয়ে কানামাছি,গোল্লাছুট,লুকোচুরি ,ডাংগুলি খেলি […]
জগন্নাথ হল
দুলে উঠছে ফুলের অজস্র পতাকা উধাও ছাত্রদের মাঠে ঘাসের বেয়োনেটগুলো আকাশের দিকে স্থির পাশেই ছিন্ন একটা স্তনের বোঁটা মুখে সমস্ত নিস্তব্ধতায় দীর্ঘ ছায়া ফেলে সৈনিক সূর্যাস্তের প্রতিফলন তার দাঁতে

