মানুষ পাখির কাছ থেকে গান নকল করলো
নদীর কাছ থেকে সুর,
লাল নীল সবুজ চিনলো সে রঙধনু দেখে
তার নিজের কিছুই নয়,
সবই পরের ধন,
এতো কিছু চিনলো সে, এতো কিছু শিখল
এতো বিদ্যা, এতো শিল্প
সে সবই চিনলো শুধু নিজেকে চিনলো না,
নিজের কাছে সে এক অচিন মানুষ।
মানুষ পাখির কাছ থেকে গান নকল করলো
নদীর কাছ থেকে সুর,
লাল নীল সবুজ চিনলো সে রঙধনু দেখে
তার নিজের কিছুই নয়,
সবই পরের ধন,
এতো কিছু চিনলো সে, এতো কিছু শিখল
এতো বিদ্যা, এতো শিল্প
সে সবই চিনলো শুধু নিজেকে চিনলো না,
নিজের কাছে সে এক অচিন মানুষ।
যাবে কি এবার বসন্তেই আসছে শ্রাবনে এসেছে শ্রাবণ, শোনো মেঘের গর্জন আর দু’টো মাস আশ্বিনের শাদা মেঘে ভরুক প্রবাস আশ্বিনেও লেগেছিল লোভ শীত মদালসা ফেরার অনৈক্য ছিল গ্রীষ্মে কেটেছে বছর এমনকি শেষ দিনে এলো ঘূর্ণিঝড়! যাবে কি শতাব্দী সাঙ্গ হলে? না, না, তার আগে অস্থিরতা রোগে কম্পমান আর দেরি নেই প্রাক্তন স্বদেশে ফেরা এই মুহূর্তেই!
অনেক গড়ার চেষ্টা ব্যর্থ হল, ব্যর্থ বহু উদ্যম আমার, নদীতে জেলেরা ব্যর্থ, তাঁতী ঘরে, নিঃশব্দ কামার, অর্ধেক প্রাসাদ তৈরী, বন্ধ ছাদ-পেটানোর গান, চাষীর লাঙল ব্যর্থ, মাঠে নেই পরিপূর্ণ ধান। যতবার গড়ে তুলি, ততবার চকিত বন্যায়। উদ্যত সৃষ্টিকে ভাঙে পৃথিবীতে অবাধ অন্যায়। বার বার ব্যর্থ, তাই আজ মনে এসেছে বিদ্রোহ, নির্বিঘ্নে গড়ার স্বপ্ন ভেঙে গেছে; ছিন্নভিন্ন […]
‘-তোমার মধ্যে অনন্তকাল বসবাসের ইচ্ছে তোমার মধ্যেই জমিজমা ঘরবাড়ি, আপাতত একতলা হাসছো কেন? বলো হাসছো কেন? -একতলা আমার একবিন্দু পছন্দ নয়। সকাল সন্ধে চাঁদের সঙ্গে গপ্পো গুজব হবে তেমন উঁচু না হলে আবার বাড়ি নাকি? -আচ্ছা তাই হবে। চাঁদের গা ছুঁয়ে বাড়ি, রহস্য উপন্যাসের মত ঘোরানো প্যাঁচানো সিঁড়ি…’
