এই যে কাকভোরে উঠে দরজা ঝাঁট দিই
এই যে হাজারবার গিন্নিমার মুখ শুনি
বৌদির কাপড় আর দাদার ফুলপ্যান্ট কেচে
নড়া ব্যথা করি
বাবুর ধমক খাই অপিসের আগে,
বাচ্চা সামলাই আর এই যে সাতবার ক’রে
দোকানে দৌড়োই, সে তো
মোড়ে তুই রিক্সা নিয়ে আছিস ব’লেই, সে তো
পাসিঞ্জার তুলে কি নামিয়ে তুই
রাস্তা দিয়ে যাচ্ছিস ব’লেই, সে তো
একদিন সবার মুখে ঝাড়ু মেরে ঝাঁটা মেরে
কাকভোরে আমাকে নিয়ে পালাবি ব’লেই, না কি বল?
Related Articles
সোনালী কাবিন-৫
আমার ঘরের পাশে ফেটেছে কি কার্পাশের ফল? গলায় গুঞ্জার মালা পরো বালা, প্রাণের শবরী, কোথায় রেখেছো বলো মহুয়ার মাটির বোতল নিয়ে এসো চন্দ্রালোকে তৃপ্ত হয়ে আচমন করি। ব্যাধির আদিম সাজে কে বলে যে তোমাকে চিনবো না নিষাদ কি কোনদিন পক্ষিণীর গোত্র ভুল করে? প্রকৃতির ছদ্মবেশে যে-মন্ত্রেই খুলে দেন খনা একই জাদু আছে জেনো কবিদের আত্মার […]
পাখিদের জয়গান
তারপরও তোমরা যারা বলো কি সুন্দর শান্ত নিরিবিলিতে আমার বসবাস; ডাকি আমি তোমরা কি শুনতে পাও না আশপাশের পাখিরা পর্যন্ত কি সুন্দর উদযাপন করে চলেছে সারাক্ষণ কলরবমুখর কিচিরমিচির রব তুলে বিভোর সঙ্গীত নৃত্যপর ছন্দে এ-ডাল ও-ডাল তারপরও কি তোমরা বলবে আমার বসবাস শান্তিনিকেতনে তবে এতই নিথর আর শান্ত যে তোমরা যারা ভালোবাসো সঙ্গীত একমাত্র তারাই […]
আলমারি
একটি চমৎকার কারুকাজময় আলমারি ঘরের ভেতর আছে চুপচাপ বহু বছরের প্রাচীনতা নিয়ে; আজকাল এ-রকম আলমারি বানানো হয় না আর চাহিদার অভাবে এবং আগেকার মতো কোনো কুশলী ছুতোর নেই, বলে কেউ কেউ আক্ষেপের স্বরে। সেই কবে মাতামহ আম্মাকে দিয়েছিলেন এই আলমারি ভালোবেসে দহেজ হিশেবে। এখন সে আমার কাছেই আছে। কাপড়-চোপড় কিংবা কাপ-ডিশ রাখি না কখনো এই […]

