সমস্ত আবর্ত থেকে ফিরে আসো, বলেছি কি ?
সে কথা বলিনি৷
বলেছিলাম, আমাদের কালপর্বে যে-ভাঙন
উত্স কোথায় এই চণ্ড-সামাজিকতার ?
আজকে যে-স্তরগুলি তৈরি হয়ে আছে
আমরাই কি নির্মাণ করিনি ঘূর্ণিপাক ?
শববাহকেরা এখন বৃত্তের ভিতরে ঘুরে বেড়াচ্ছে
শ্মশানযাত্রীরা নদীর ঠিকানা ভুলে
দণ্ডকারণ্যের দিকে ধাবমান
আর দ্যাখো,
ভূমিকে নির্ভূম করে ভূস্বামীরা আগুন দিচ্ছে চুল্লীতে
সব প্রতিরোধ ভেঙে গেলে
কোনো সূচনা, প্রবাহ থাকবে না?
বলেছিলাম, বজ্র-ভরা দিনগুলো আবার ফিরে আসুক, স্রোতের
বিরুদ্ধে দাঁড়াতে চাই
Related Articles
আমি কিংবদন্তির কথা বলছি
আমি আমার পূর্বপুরুষের কথা বলছি। তাঁর করতলে পলিমাটির সৌরভ ছিল তাঁর পিঠে রক্তজবার মত ক্ষত ছিল। তিনি অতিক্রান্ত পাহাড়ের কথা বলতেন অরণ্য এবং শ্বাপদের কথা বলতেন পতিত জমি আবাদের কথা বলতেন তিনি কবি এবং কবিতার কথা বলতেন। জিহ্বায় উচ্চারিত প্রতিটি সত্য শব্দ কবিতা, কর্ষিত জমির প্রতিটি শস্যদানা কবিতা। যে কবিতা শুনতে জানে না সে ঝড়ের […]
নীরার হাসি ও অশ্রু
নীরার হাসি ও অশ্রু নীরার চোখের জল অনেক চোখের অনেক নীচে টল্মল্ নীরার মুখের হাসি মুখের আড়াল থেকে বুক, বাহু, আঙুলে ছড়ায় শাড়ির আঁচলে হাসি, ভিজে চুলে, হেলানো সন্ধ্যায় নীরা আমাকে বাড়িয়ে দেয়, হাস্যময় হাত আমার হাতের মধ্যে চৌরাস্তায় খেলা করে নীরার কৌতুক তার ছদ্মবেশ থেকে ভেসে আসে সামুদ্রিক ঘ্রাণ সে আমার দিকে চায়, নীরার […]
গোলাবাড়ি ছেড়ে যাই
লেবুর পাতার ঘ্রাণে জব্দ তুমি, করলব্ধ, নাবালিকা ভুমি; যেতে যেতে ফিরে আসো, ভালোবাসো সর্বনাশও, তুমি ঘূর্ণি-রুমি; হে গর্ভিনী জলাঙ্গিনী, স্বরস্বতী দুগ্ধবতী, মা-দুর্গা ওলান – রেখেছি অমৃতে মুখ, জন্মে-জন্মে সর্বভূক, সতৃষ্ণ পরাণ। দাও শস্য, দাও জল, আকাশগঙ্গায় খল নক্ষত্রের ঢল, জোনাকি বধুর মুখ, জন্মে-জন্মে সর্বভূক, পিপাসা অমল। যাই দূরে যাই, গোলাবাড়ি ছেড়ে যাই, শস্যমুখে যাই, ওরে, […]

