সমস্ত আবর্ত থেকে ফিরে আসো, বলেছি কি ?
সে কথা বলিনি৷
বলেছিলাম, আমাদের কালপর্বে যে-ভাঙন
উত্স কোথায় এই চণ্ড-সামাজিকতার ?
আজকে যে-স্তরগুলি তৈরি হয়ে আছে
আমরাই কি নির্মাণ করিনি ঘূর্ণিপাক ?
শববাহকেরা এখন বৃত্তের ভিতরে ঘুরে বেড়াচ্ছে
শ্মশানযাত্রীরা নদীর ঠিকানা ভুলে
দণ্ডকারণ্যের দিকে ধাবমান
আর দ্যাখো,
ভূমিকে নির্ভূম করে ভূস্বামীরা আগুন দিচ্ছে চুল্লীতে
সব প্রতিরোধ ভেঙে গেলে
কোনো সূচনা, প্রবাহ থাকবে না?
বলেছিলাম, বজ্র-ভরা দিনগুলো আবার ফিরে আসুক, স্রোতের
বিরুদ্ধে দাঁড়াতে চাই
Related Articles
তাহারে খুঁজিয়া বেড়াই
আমি তাহারে খুঁজিয়া বেড়াই আনমনে, তাহার আঁখি প্রাঙ্গণে তবু সে বুঝিতে পারে না, তাহারে বুঝিতে দেই না আমি আপন হৃদয়ে কেবল তাহারই বসবাস, তাহারই পদচারণায় মুখরিত স্মৃতির সহবাস । ভুবন ভুলিয়া, তাহার চুম্বন ওষ্ঠে মাখিয়া খুঁজিয়াছি আমি সিন্ধুমালায়, নীল অতলে… তব তাহার রূপ-যৌবনের দ্বিতীয়া নাহি অতৃপ্ততার হৃদ-সাগরে ।। চন্দ্রিমার সীমা চৌচির্ণ করিয়া মধু খুঁজিয়া বেড়াই […]
জ্যোৎস্না রাতে, জ্যোৎস্নার ভিতরে
জ্যোৎস্নারাতে, জ্যোৎস্নার ভিতরে তুমি শুয়ে আছো— লাবণ্য ঝরিছে অপরুপ ; এরকম চন্দ্রের ক্রন্দন দেখেছে বাংলাদেশ । মানুষের ভিতরে এক চাঁদরানী আছেন, অতিব্যক্তিগত নাচায় তারে আমৃত্যু-শোণিতে-জোয়ারে ; সুস্থচিত্রকল্প, রোমাঞ্চ! তোমার ভিতরে এক তৃষ্ণা ছিলেন, অন্ধকারের মতো কুটিল জটিলা নদীর মতো বহুব্রীহি, সার্থক ; সেখানে দীক্ষা নেয় জলের প্রাণীরা, গভীরতা কতদূর জানে না মাছরাঙা— শ্মশানে পুড়ছে কাঠ, […]
সৎপাত্র
শুনতে পেলাম পোস্তা গিয়ে— তোমার নাকি মেয়ের বিয়ে ? গঙ্গারামকে পাত্র পেলে ? জানতে চাও সে কেমন ছেলে ? মন্দ নয় সে পাত্র ভালো রঙ যদিও বেজায় কালো ; তার উপরে মুখের গঠন অনেকটা ঠিক পেঁচার মতন ; বিদ্যে বুদ্ধি ? বলছি মশাই— ধন্যি ছেলের অধ্যবসায় ! উনিশটিবার ম্যাট্রিকে সে ঘায়েল হয়ে থামল শেষে । […]

