কবিতা

কাব্য গন্থ যে আগুনে জ্বলে

হেলাল হাফিজের যে জলে আগুন জ্বলে
…………………………………..
বাংলাদেশের স্বাধীনতোত্তর কালে সামরিক পট পরিবর্তনের অস্থির সময়ে প্রতিবাদী লেখনী নিয়ে রুখে দাড়ানো কবিদের এক জন হেলাল হাফিজ । তার কাব্যের প্রধান উপকরণ যৌবন এবং বিদ্রোহ। যে জলে আগুন জ্বলে কাব্যগ্রন্থ প্রকাশিত হয় আশির দশকে। দুই যুগের বেশি সময় পরে প্রযুক্তির সহস্র আবিস্কার আর জ্ঞান বিজ্ঞানের চরম উত্‍কর্ষতা সত্ত্বেও মানব সভ্যতা যেন প্রশ্নের সম্মুখিন । অর্থলোভী ব্যবসায়ী সম্প্রদায়ের হাতে বিশ্বের মানবতা বিপন্ন, মারণাস্ত্রের নির্লজ্জ যুদ্ধ যুদ্ধ খেলায় ধনী দেশ গুলো অধিকতর ব্যস্ত , নৈতিকতা এবং বিবেক বোধ ক্ষতবিক্ষত । হেলাল হাফিজের যুদ্ধমিশ্রিত প্রেমের কবিতাগুলোকে ভিন্ন প্রেক্ষাপটে এখনও সমানভাবে প্রযোজ্য মনে হয়। যে জলে আগুন জ্বলে কাব্যগ্রন্হের ৫৬ টি কবিতাই সংকলিত হ’ল ।

হেলাল হাফিজ
হেলাল হাফিজ
বাংলাদেশের একজন আধুনিক কবি যিনি স্বল্পপ্রজ হলেও বিংশ শতাব্দীর শেষাংশে বিশেষ জনপ্রিয়তা অর্জ্জন করেন। তাঁর একমাত্র কবিতা সংকলন যে জলে আগুন জ্বলে ১৯৮৬ সালে প্রকাশিত হওয়ার পর অসংখ্য সংস্করণ হয়েছে। তাঁর অন্যতম জনপ্রিয় কবিতা ‘নিষিদ্ধ সম্পাদকীয়’;- এ কবিতার দুটি পংক্তি ‘‘এখন যৌবন যার মিছিলে যাবার তার শ্রেষ্ঠ সময়, এখন যৌবন যার যুদ্ধে যাবার তার শ্রেষ্ঠ সময়’’ বাংলাদেশের কবিতামোদী ও সাধারণ পাঠকের মুখে মুখে উচ্চারিত হয়ে থাকে।তিনি সাংবাদিক ও সাহিত্য সম্পাদক হিসাবে বিভিন্ন পত্র-পত্রিকায় কাজ করেছেন। ==জন্ম ও শিক্ষাজীবন== ১৯৪৮সালের ৭ অক্টোবর নেত্রকোনা জেলায় জন্মগ্রহণ করেন। পড়াশোনা করেন নেত্রকোনা দত্ত উচ্চ বিদ্যালয়, নেত্রকোনা কলেজ এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রাবস্থায়ই তিনি দৈনিক পূর্বদেশে সার্বক্ষণিক সাংবাদিক হিসেবে যোগ দেন।