পরমাণু-দেশে নিরস্ত্রীকরণ নিয়ে
কথা বলতে চাই। বেয়োনেট উঁচিয়ে
আমার অস্থি-মজ্জা পাহারা দেবে,
এটাই তবে সাংবিধানিক?
কীভাবে গর্দান নেবে,
ভাবছো? তুমি কি সেই অস্ত্রধারী, আধিকারিক?
আজ রাতে পাখিদের উৎসব চলছিল
আমন্ত্রিত আমাকে একটি খড়কুটো দিল,
তাই নিয়ে উৎসাহে মেতে উঠি
−লক্ষ করি, চারপাশে বিরুদ্ধ ভ্রুকুটি
নিরস্ত্রীকরণে কেন আমি পাখির সঙ্গ নিয়েছিলাম
কেন বলেছিলাম, চাই বনজঙ্গলঘেরা একটি সবুজ গ্রাম?
Related Articles
আমার কুঁড়েঘরে
আমার কুঁড়েঘরে নেমেছে শীতকাল তুষার জ’মে আছে ঘরের মেঝে জুড়ে বরফ প’ড়ে আছে গভীর ঘন হয়ে পাশের নদী ভ’রে বরফ ঠেলে আর তুষার ভেঙে আর দু-ঠোঁটে রোদ নিয়ে আমার কুঁড়েঘরে এ-ঘন শীতে কেউ আসুক আমার গ্রহ জুড়ে বিশাল মরুভূমি সবুজ পাতা নেই সোনালি লতা নেই শিশির কণা নেই ঘাসের শিখা নেই জলের রেখা নেই আমার […]
রবীন্দ্রনাথ
এ কেমন অন্ধকার বঙ্গদেশ উত্থান রহিত নৈশব্দের মন্ত্রে যেন ডালে আর পাখিও বসে না। নদীগুলো দুঃখময়, নির্পতগ মাটিতে জন্মায় কেবল ব্যাঙের ছাতা, অন্যকোন শ্যামলতা নেই। বুঝি না, রবীন্দ্রনাথ কী ভেবে যে বাংলাদেশে ফের বৃক্ষ হয়ে জন্মাবার অসম্ভব বাসনা রাখতেন। গাছ নেই নদী নেই অপুষ্পক সময় বইছে পুনর্জন্ম নেই আর, জন্মের বিরুদ্ধে সবাই শুনুন, রবীন্দ্রনাথ আপনার […]
হে হিরণ্ময়
ভয়ে ভয়ে সারাদিন কেটে যায় ; এমন কি ইদানীং উপবিষ্ট হতে ভয় লাগে, কেননা তেমন অনুগত, বিশ্বস্ত চেয়ার আর কখনো দেখি না কারো করতলগত হ’য়ে পোষ-মানা বাঘের মতন ব’সে আছে, তেমনি নির্ভরযোগ্য টুল — কিম্বা বেঞ্চি নেই যেখানে আমার পাঁচ ফুট ন ই’ইঞ্চি শরীর খুব সাবলীলভাবে দু’দণ্ড জিরোবে, এমন আসন পাবে যার পাশে অন্তত থাকতে […]

