আমার চোখে অনেক দুপুর
তোমার চোখে শতেক সন্ধ্যা
নিত্য খেলে হীরের নূপুর ছিপছিপে রজনীগন্ধ্যা
বর্ষা মুখর নিবিড় রাত্রি
এলোমেলো নীরবতা
বেগ আকুল ক্লান্তযাত্রী
অশ্রু কেবল কয়যে কথা
।গানের চেয়ে অধিক সজল
গভীর ঘন দীর্ঘনিশাস
তাইতো খুঁজি শেষ সম্বল
অধিক কিছুর করিনি আশ।
Related Articles
বিলাপ অথবা আরেকটি ভালবাসার কবিতা
গ্রিলের ফাঁকে মখমলে চাঁদ পেড়িয়ে ঠিক দু’পা এগুলেই যে মেলা বসে নিশি-লগ্নে, সেই তারার মেলা নেমে আসুক আজ ছুঁয়ে যাক হাজার শতাব্দীর তৃষ্ণা তোমার চোখ রাঙিয়ে যাক জোনাকের পাপড়ি, এলোমেলো চুলে এঁকে যাক বিভূঁই রুপালি জলে চুপচাপ আমার হয়ে থেকো !! মহাকাশের নক্ষত্র খুলে ছায়াপথ যে মালা বানিয়েছিল সুতোর মায়াজালে, তুমি তাকে পূর্ণ করো আলিঙ্গনে […]
অনেককেই তো অনেক দিলে
আমি ছাড়া অনেককেই তো অনেক দিলে। এর আকাশে ওর আকাশে ওষ্ঠপুটের অনেক পাখি উড়িয়ে দিলে পায়রাকে ধান খুটিতে দিলে খোয়াই জুড়ে বুকের দুটো পর্দাঢাকা জানলা খুলে কতজনকে হাত-ডোবানো বৃষ্টি দিলে। কত মুখের রোদের রেখা মুছিয়ে দিলে নীল রুমালে। আমি ছাড়া অনেককেই তো অনেক দিলে। চায়ের কাপে মিষ্টি দিলে হাসির থেকে নকশাকাটা কাঁচের গ্লাসে সরবতে সুখ […]
তুমি বলেছিলে
দাউ দাউ পুড়ে যাচ্ছে নতুন বাজার। পুড়ছে দোকান-পাট, কাঠ, লোহা-লক্কড়ের স্তূপ, মসজিদ এবং মন্দির। দাউ দাউ পুড়ে যাচ্ছে নতুন বাজার। বিষম পুড়ছে চতুর্দিকে ঘর-বাড়ি। পুড়ছে টিয়ের খাঁচা, রবীন্দ্র রচনাবলি, মিষ্টান্ন ভাণ্ডার, মানচিত্র, পুরনো দলিল। মৌচাকে আগুন দিলে যেমন সশব্দে সাধের আশ্রয় ত্যাগী হয় মৌমাছির ঝাঁক, তেমনি সবাই পালাচ্ছে শহর ছেড়ে দিগ্গি্বদিক। নবজাতককে বুকে নিয়ে উদ্ভ্রান্ত […]

