পাতার পর পাতা উলটে যাই
হিজিবিজি কালো পিঁপড়ের জঙ্গল।
মস্তিষ্কের চারপাশে গভীর পরিখা,
অনধিকার প্রবেশ নিষেধ।
অথৈ জলে নাকানিচোবানি
হারিয়ে যাওয়া শব্দের সন্ধানে।
কাঁঠাল পাতার আঁঠার অন্বেষণ
জুড়ে নিতে চাই আধ পোড়া কবিতার ছাই।
করনসুধায় টালমাটাল ব্যাকরণ
অশিক্ষিতের কবিতা বিলাস এ ছেদবিন্দু।
Related Articles
যখন শেষ হবে খেলা
যখন শেষ হবে খেলা শেষ হবে পথ চলা, পড়বে না আর এ পথে পা শুনবে না আর কী কথা বলে আকাশের তারা, কী কথা বলে চন্দ্রাহত রাত জোছনার সুরে সুরে, তখন পড়বে কি মনে ধূসর কুয়াশা ঢাকা নির্জন ভোরে, কোনো এক বৃষ্টিভেজা রাতে রেখেছিলে হাত এই হাতে…. সীমানার ওপারে কোনো এক অন্তহীন মহাসমুদ্র তীরে অনন্তের […]
যে আমাকে প্রেম শেখালো
যে আমাকে প্রেম শেখালো জোৎস্না রাতে ফুলের বনে সে যেন আজ সুখেই থাকে সে যেন আজ রানীর মত ব্যক্তিগত রাজ্যপাটে পা ছড়িয়ে সবার কাছে বসতে পারে বলতে পারে মনের কথা চোখের তারায় হাত ইশারায় ঐ যে দেখ দুঃখি প্রেমিক যাচ্ছে পুড়ে রোদের ভিতর ভিক্ষে দিলে ভিক্ষে নেবে ছিন্ন বাসে শীর্ন দেহে যাচ্ছে পুড়ে রোদের ভিতর […]
রাশিয়ার চিঠি-৯
ব্রেমেন জাহাজ আমাদের দেশে পলিটিক্স্কে যারা নিছক পালোয়ানি বলে জানে সব-রকম ললিতকলাকে তারা পৌরুষের বিরোধী বলে ধরে রেখেছেন। এ সম্বন্ধে আমি আগেই লিখেছি। রাশিয়ার জার ছিল একদিন দশাননের মতো সম্রাট; তার সাম্রাজ্য পৃথিবীর অনেকখানিকেই অজগর সাপের মতো গিলে ফেলেছিল, লেজের পাকে যাকে সে জড়িয়েছে তার হাড়গোড় দিয়েছে পিষে। প্রায় বছর-তেরো হল এরই প্রতাপের সঙ্গে বিপ্লবীদের […]


