পাতার পর পাতা উলটে যাই
হিজিবিজি কালো পিঁপড়ের জঙ্গল।
মস্তিষ্কের চারপাশে গভীর পরিখা,
অনধিকার প্রবেশ নিষেধ।
অথৈ জলে নাকানিচোবানি
হারিয়ে যাওয়া শব্দের সন্ধানে।
কাঁঠাল পাতার আঁঠার অন্বেষণ
জুড়ে নিতে চাই আধ পোড়া কবিতার ছাই।
করনসুধায় টালমাটাল ব্যাকরণ
অশিক্ষিতের কবিতা বিলাস এ ছেদবিন্দু।
Related Articles
ভাবতে পারো শিশুই
মত্ত হাওয়া ছোটে বেড়ালটা নখ খোটে মাতালরা সব জোটে আমি দস্যু তরী বাই। কুমন্ত্র যদি রটে জীবন নকশা পটে রক্ত তোমার ফোটে আমার চিন্তা নাই।। আমি বাউলপারা থাকি মান দিয়ে জল আঁকি দম্ভ কোটর বন্দী রাখি আমার দর্প ছলাত ছল। পথটা বড়ই কঠিন বিপথ বরং রঙিন ওরে আমার ঢঙই চল শালুক তুলতে চল।। দুঃখ করিস […]
ভাষার গভীরে ভাষা
ছড়িয়ে ছিটিয়ে পড়া নীল এই মখমল রাতে চাঁদের সোনালি থালা, রাশি রাশি নক্ষত্রের ফুল; মনে হয় মানুষ এমন রাত দেখেছে বোগদাদে। অথচ কী অগ্নিদাহ, স্তব্ধতার দীর্ঘ কালো চুল খুলে পড়ে আছে পথে রাজপথে অন্ধকারময়। ছদ্মবেশে—হারুনর রশিদের মতো—নামী পথে, এখন আমার সঙ্গী সেদিনের হাবশি খোজা নয়— আমারই কবিতাগুলো, নাছোড় সঙ্গী সে কোনোমতে। শব্দের অমৃত আমি পান […]
গতকাল একদিন
গতকাল বড়ো ছেলেবেলা ছিল আমাদের চারিধারে, দেয়ালের মতো অনুভূতিমাখা মোম জ্বালিয়ে জ্বালিয়ে আমারা দেখেছি শিখার ভিতরে মুখ । গতকাল ছিল জীবনের কিছু মরণের মতো সুখ । গতকাল বড়ো যৌবন ছিল শরীরে শরীর ঢালা, ফুলের বাগান ঢেকে রেখেছিল উদাসীন গাছপালা । আমরা দু’জনে মাটি খুঁড়ে-খুঁড়ে লুকিয়েছিলাম প্রেম, গতকাল বড় ছেলেবেলা ছিল বুঝিনি কী হারালাম ! গতকাল […]

