সোঁদা ঘামের গন্ধ জড়িয়ে ছিল আষ্ঠেপৃষ্ঠে,
তুই ছিলি!
বাইরে তখন বালক বাতাস উড়িয়ে দিচ্ছে ধুলো।
বন্ধ চোখে এগিয়ে দিয়েছিলি ভেজা ঠোঁট,
এলোমেলো চুল করে, আবার গোছানো,
আদু কন্ঠে ‘এমনটাই থেকো’
তুই ছিলি!
আজো আমি একই আছি।
তুই?
Related Articles
আমি একটুখানি দাঁড়াব
আমি একটুখানি দাঁড়াব এবং দাঁড়িয়ে চলে যাব; শুধু একটু থেমেই আমি আবার এগিয়ে যাব; না, আমি থেকে যেতে আসিনি; এ আমার গন্তব্য নয়; আমি এই একটুখানি দাঁড়িয়েই এখান থেকে চলে যাব। আমি চলে যাব তোমাদের এই শহরের ভেতর দিয়ে খুব তাড়াতাড়ি এর মার্চপাস্টের যে সমীকরণ এবং এর হেলিকপ্টারের যে চংক্রমণ, তার তল দিয়ে তড়িঘড়ি; আমি […]
কাছের মানুষ
কালো রাতের জানলার ফাঁকে একফালি নাগরিক আকাশ আমার একমাত্র অবকাশ। রংবেরঙের কিছু স্মৃতি শুধু রইল পড়ে রইল দুধে-আলতা বিকেল বেলা অনিদ্রিত স্বপ্নমাখা সে এক রাত কিছু কবিতা, অনেক গান পুরনো কয়েকটা বই। আলো আঁধারে প্রতিক্ষণে যখন রক্তক্ষরণ ঘটে প্রাণে তখন সেই স্মৃতি হাতড়ে খুঁজে বেড়াই কাছে দূরে, নীলাভ আকাশের সবুজ ছায়ায় মুহূর্তের নিঃসঙ্গ স্তব্ধতা।
কোনোদিনই পাবে না আমাকে
চন্দ্রমল্লিকার মাংস ঝরে আছে ঘাসে ‘সে যেন এখনি চলে আসে’ হিমের নরম মোম হাঁটু ভেঙে কাৎ পেট্টলের গন্ধ পাই এদিকে দৈবাৎ কাছাকাছি নিজের মনেরই কাছে নিত্য বসে আছি দেয়ালে দেয়ালে হাটের কাচকড় কুপি অনেকেই জ্বালে নিভন্ত লন্ঠন অস্তিত্ব সজাগ করে বারান্দার কোণ বসে থাকে ‘কোনদিন পাবে না আমাকে— কোনদিনই পাবে না আমাকে!

