একবার তাকাবে না? নিজের মুখের দিকে চোখ ভরে?
মাঝে-মাঝে ফিরে দেখা ভালো নয়?
তুমি হাত ধুতে পারো এত গঙ্গাজল জানে কোন দেশ!
মাঝে-মাঝে ধুয়ে নেওয়া ভালো নয়?
তাই আমি আমার দক্ষিণ হাত
রেখেছি নিজের বুকে,
তুমি এসো, মাথা পাতো, যেন কত ঘর ঘুরে এলে
এখন লহরী নয়
যত চুপ তত দূর দুয়ারে দুয়ার খুলে যায়
দুয়ারে দুয়ার খুলে যায়
এই এক শুদ্ধতর
হাজারদুয়ারি ভালোবাসা।
Related Articles
পুকুরচুরি
জলধারা দূরে সরে যায়, দূর থেকে ক্রমে আরও দূরে। শেষ ক’টি পুকুর শুকায়, শহরের বুক যায় পুড়ে। নেমে গেছে পুকুরের জল, ঘটিতে এখন শুধু নুড়ি উঠে আসে, লেঠেলের দল আঁধারে করেছে জল চুরি। কোথায় শুনেছে কে বা কবে লাঠির দাপটে পরপর এভাবে পুকুরচুরি হবে, থাকবে শুধুই বাড়িঘর। যেখানেই আজ চোখ থুই, জল নেই, শুধু সারি-সারি […]
মা
আমি বড় হয়ে গেছি, আর কোনোদিন নোংরা হবো না৷ মা, আমার পিঠ থেকে ধুলো ঝেড়ে দাও, আমি পরিচ্ছনড়ব হতে চাই গাত্রচর্মে৷ তেত্রিশ বছরের ধুলোয় লুটানো দেহখানি আজ তুলে এনেছি তোমার কাছে৷ তুমি এর গালে চুমু খাও, এর বাহুতে চিমটি কাটো, উষ্কখুষ্ক চুলের ভিতরে দ্রত বেগে আঙুল চালাতে গিয়ে যদি ব্যথা দাও, দাও: আমি কিচ্ছুটি বলবো […]
শুভরাত্রি লেখা মেঘ
প্রেমিকাকে অনুনয় করেছিলে, মৃত্যুর এক বছর আগে একফালি কাগজে শুধু ‘শুভরাত্রি’ লিখে যেন সে পাঠায়, তুমি বালিশের নীচে নিয়ে শোবে । এখন রাত্রির দিকে তাকালেই দেখি তোমার ফুসফুস থেকে জলন্ত কয়লারা বার হয়ে আকাশে আকাশে জ্বলছে! জোছনারা ঠিকরে পড়ছে সকল গাছের পাতা থেকে শুধু ‘শুভরাত্রি’ লেখা এক খণ্ড মেঘ চাঁদের তলায় এসে থেমে গেলো । […]

