শুধু কবিতার জন্য এই জন্ম, শুধু কবিতার
জন্য কিছু খেলা, শুধু কবিতার জন্য একা হিম সন্ধেবেলা
ভূবন পেরিয়ে আসা, শুধু কবিতার জন্য
অপলক মুখশ্রীর শান্তি একঝলক;
শুধু কবিতার জন্য তুমি নারী, শুধু
কবিতার জন্য এত রক্তপাত, মেঘে গাঙ্গেয় প্রপাত
শুধু কবিতার জন্য, আরো দীর্ঘদিন বেঁচে থাকতে লোভ হয়।
মানুষের মতো ক্ষোভময় বেঁচে থাকা, মুধু কবিতার
জন্য আমি অমরত্ব তাচ্ছিল্য করেছি।
Related Articles
আবুল-বিষয়ক কবিতা
এ পাড়ার সকলেই জানে তিন তিনবার ডুব-সাঁতারে হেরেছ তুমি আবুলের কাছে। সেই আবুল এখন ঢাকায় টেম্পু চালায় আমি ঢাকা গেলে সে আমাকে একবার চিড়িয়াখানায়, দুইবার চন্দ্রিমা উদ্যানে বেড়াতে নিয়ে গিয়েছিল। গিয়ে দেখি, জোড়া জোড়া পাতিহাঁস হাঁটছে লেকের পাড়ে, খুব ভালো লাগল আমার এমনকি আবুলেরও। কিছুদিন আগে শুনলাম, আবুল যে শুধু আমাকেই তার টেম্পুতে চড়িয়েছে তা-ই […]
সম্পর্ক
তুমি তো জানোই আমি সামাজিক ভাবে কোনও দিন পুরোপুরি তোমার হব না। আমিও তো জানি তুমি আমার একার জন্য নও। তা হোক না। তা আমার বেশি। আমি কী কী চাই? সুর কানে প্রবেশ করবে। হাত সে শান্ত হবে হাতে। শরীর কখনও হবে, কখনও হবে না। সামাজিক ভাবে, বলো, কারো কিছু ক্ষতি আছে তাতে? মনে মনে […]
রাবণের চোখ
শৈশবের কথা। সদ্যপ্রসূত কালো ছাগলির গা থেকে রক্ত-ক্বাথ পুঁছে দিতে-দিতে বলেছিল কুলসুম আপা, ‘এ ভাবেই প্রাণ আসে পৃথিবীতে ; আমরাও এসেছি একইভাবে’। হাঁস-মুর্গির ঘরে নিয়ে গিয়ে আপা আমার বাঁ-হাতখানা নিজের তপ্ত তুরুপে চেপে বলেছিল, ‘মানুষ জন্মায় এই সিন্দুকের ডালা খুলে’। রাবণের দশ জোড়া চোখে আমি ও-সিন্দুক আতঙ্কিত রুদ্ধশ্বাসে দ্রুত খুলে বন্ধ করে দিই ।

