শৈশবের কথা। সদ্যপ্রসূত কালো ছাগলির গা থেকে
রক্ত-ক্বাথ পুঁছে দিতে-দিতে বলেছিল কুলসুম আপা,
‘এ ভাবেই প্রাণ আসে পৃথিবীতে ; আমরাও এসেছি
একইভাবে’। হাঁস-মুর্গির ঘরে নিয়ে গিয়ে আপা
আমার বাঁ-হাতখানা নিজের তপ্ত তুরুপে চেপে
বলেছিল, ‘মানুষ জন্মায় এই সিন্দুকের ডালা খুলে’।
রাবণের দশ জোড়া চোখে আমি ও-সিন্দুক
আতঙ্কিত রুদ্ধশ্বাসে দ্রুত খুলে বন্ধ করে দিই ।
Related Articles
পথের দিশা
চারিদিকে এই গুণ্ডা এবং বদমায়েসির আখ্ড়া দিয়ে রে অগ্রদূত, চ’লতে কি তুই পারবি আপন প্রাণ বাঁচিয়ে? পারবি যেতে ভেদ ক’রে এই বক্র-পথের চক্রব্যুহ? উঠবি কি তুই পাষাণ ফুঁড়ে বনস্পতি মহীরুহ? আজকে প্রাণের গো-ভাগাড়ে উড়ছে শুধু চিল-শকুনি, এর মাঝে তুই আলোকে-শিশু কোন্ অভিযান ক’রবি, শুনি? ছুঁড়ছে পাথর, ছিটায় কাদা, কদর্যের এই হোরি-খেলায় শুভ্র মুখে মাখিয়ে কালি […]
অনর্থক নয়
বেয়ারা পাঠিয়ে কারা টাকা তোলে ব্যঙ্ক থেকে? আমি তো নিজের সইটা এখনো চিনি না বিষম টাকার অভাব!নেই। শুধু হৃৎপিন্ড হাওয়া টেনে নেয়ে হাসি কুলকুচো করি। মাথায় মুকুট নেই বলে কেউ ধার দিতেও চায় না। কিছু টাকা জমা আছে ব্লাড ব্যাঙ্কে। সামান্য। কাঁটা ছাড়ানো মাছের মতন গদ্য লিখলে ক্যাশ আসে। পারি না। কবিতায় দশ টাকা তাই […]
না
না ! ——— না, বালিকা না ! তুমি সূর্যালোকে হাসো বা বৃষ্টিজলে ভাসো – আকাশের নীল মেখে হৃদয়ের চাবি খুলে দিও না! তার আগে এসো হাতে রাখো হাত, চোখে চোখ – কান পেতে শুনি নিলয়ের নিঃশব্দ উচ্চারণ! শুনতে কি পাও সেই অবিনাশী বাঁশী? তারপর… ————————- -নিলয় ২৬/১০/২০১৭, সাজেক, খাগড়াছড়ি ওয়েবপেজ: Niloy@Niloy.myskytofly
