সকল প্রতাপ হল প্রায় অবসিত…
জ্বালাহীন হৃদয়ের একান্ত নিভৃতে
কিছু মায়া রয়ে গেলো দিনান্তের,
শুধু এই –
কোনোভাবে বেঁচে থেকে প্রণাম জানানো
পৃথিবীকে।
মূঢ়তার অপনোদনের শান্তি,
শুধু এই –
ঘৃনা নেই, নেই তঞ্চকতা,
জীবনজাপনে আজ যতো ক্লান্তি থাক,
বেঁচে থাকা শ্লাঘনীয় তবু।
Related Articles
বোধন
হে মহামানব, একবার এসো ফিরে শুধু একবার চোখ মেলো এই গ্রাম নগরের ভিড়ে, এখানে মৃত্যু হানা দেয় বারবার; লোকচক্ষুর আড়ালে এখানে জমেছে অন্ধকার। এই যে আকাশ, দিগন্ত, মাঠ স্বপ্নে সবুজ মাটি নীরবে মৃত্যু গেড়েছে এখানে ঘাঁটি; কোথাও নেইকো পার মারী ও মড়ক, মন্বন্তর, ঘন ঘন বন্যার আঘাতে আঘাতে ছিন্নভিন্ন ভাঙা নৌকার পাল, এখানে চরম দুঃখ […]
আলোর জন্তুরা
আজ হারিয়ে যাওয়া অরণ্যের গভীরে সে শুনতে পাচ্ছে শত্রুর আওয়াজ, পালাচ্ছে ছুটে অন্যদের থেকে নয়, নিজেরই কাছ থেকে পালাচ্ছে সেইসব সংঘবদ্ধতা জড়িয়ে ছিল আমাদের জীবনের মানে থেকে কারণ শ্ধু একবার,শুধুই একবার একটাই অক্ষর বা নিঃস্তব্ধ খানিকটা বিরতি | অতৃপ্ত ঢেউয়ের শব্দ ঠেলে দেয় সত্যের মুখোমুখি আমায় ব্যাখ্যার কিছু নেই বলারও কিছু নেই, এই সব অরণ্যের […]
বুদ্ধনং শরনং গচ্ছামি
বুড়ি হও, ছুড়ি হও, তোমার কাশ-শাদা হাসির অর্থই শরৎ নয়। তোমার দশহাতে দশ বিপদসংহারী অস্ত্র হাসে; অথচ শরৎ হাসে না। বাঁকখালির জলে ঢেউয়ের ত্রিভঙ্গ থেমে যায়; অথচ আশ্বিন নেচে ওঠে না বালিতে বা ফেনায়। ঘোর পূর্ণিমায় সোনাইছড়ির পাহাড়ে পাহাড়ে শিশির নামে। রামুর হাজার বছরের প্রাচীন কিয়াং জোছনায় সাঁতরায়। তখন বুদ্ধের শত ফুট দীর্ঘ শান্তিশয়ান চাঁদের […]

