জোছনায় হাঁটতে হাঁটতে
যখন বহুদূর পেরিয়ে এসেছি
কাঁধের ওপর হাত রাখলেন জীবনানন্দ,
সামনের শস্যক্ষেত দেখিয়ে বললেন,
নিড়ানি দাও,
সন্তান হবে, না হয় শস্য হবে।
আমি বললাম, চাবিটা দিন
এ শস্যক্ষেতে প্রবেশ করতে চাবি লাগে,
হেমন্তের হিমমাখা চাবিটা তিনি
চিবিয়ে খেয়ে ফেললেন আমার সামনেই,
পকেট থেকে রুমাল বের করে
তার গিঁট থেকে খুলে দিলেন
বনলতার প্রেম।
বললেন, সব হয়, প্রেম ছাড়া কবিতা হয় না
Related Articles
কবি ও কবিতা
১৫. কবি ও কবিতা কবির জীবন খেয়ে জীবন ধারণ করে কবিতা এমন এক পিতৃঘাতী শব্দের শরীর, কবি তবু সযত্নে কবিতাকে লালন করেন, যেমন যত্নে রাখে তীর জেনে-শুনে সব জল ভয়াল নদীর। সর্বভূক এ কবিতা কবির প্রভাত খায় দুপুর সন্ধ্যা খায়, অবশেষে নিশীথে তাকায় যেন বয়ঃসন্ধিকালের কিশোরী, কবিকে মাতাল করে শুরু হয় চারু তোলপাড়, যেন এক […]
ব্যবধান
৫৬. ব্যবধান অতো বেশ নিকটে এসো না, তুমি পুড়ে যাবে, কিছুটা আড়াল কিছু ব্যবধান থাকা খুব ভালো। বিদ্যুত সুপারিবাহী দু’টি তার বিজ্ঞানসম্মত ভাবে যতোটুকু দূরে থাকে তুমি ঠিক ততোখানি নিরাপদ কাছাকাছি থেকো, সমূহ বিপদ হবে এর বেশী নিকটে এসো না। মানুষ গিয়েছে ভূলে কী কী তার মৌল উপাদান। তাদের ভেতরে আজ বৃক্ষের মতন সেই সহনশীলতা […]
বহুদিন পর প্রেমের কবিতা
বুকের ভিতরে যেন মুচড়ে উঠলো একুশে এপ্রিল একুশে এপ্রিল, ওকি চুলের ভিতরে কার ক্ষীণ বজ্রমুষ্টি? বিষম লোভের মধ্যে ছুটোছুটি – দূর শহর, অব্যক্ত মন্দিরে ব্রীজের অনেক নীচে চাঁদ, আঃ সহ্য হয় না এমন জ্যোৎস্নায় জলের বিমর্ষ শব্দ, এক আনার টিকিট পেরিয়ে ওপারে পৌঁছুলে ট্রেন, স্টেশনের একুশে এপ্রিল রাত্রি দিয়েছিল। চোরকাঁটা ভরা মাঠে মরা সাপ, যেও […]
