জোছনায় হাঁটতে হাঁটতে
যখন বহুদূর পেরিয়ে এসেছি
কাঁধের ওপর হাত রাখলেন জীবনানন্দ,
সামনের শস্যক্ষেত দেখিয়ে বললেন,
নিড়ানি দাও,
সন্তান হবে, না হয় শস্য হবে।
আমি বললাম, চাবিটা দিন
এ শস্যক্ষেতে প্রবেশ করতে চাবি লাগে,
হেমন্তের হিমমাখা চাবিটা তিনি
চিবিয়ে খেয়ে ফেললেন আমার সামনেই,
পকেট থেকে রুমাল বের করে
তার গিঁট থেকে খুলে দিলেন
বনলতার প্রেম।
বললেন, সব হয়, প্রেম ছাড়া কবিতা হয় না
Related Articles
কবির ইচ্ছা
হাঁটতে হাঁটতে পার হয়ে গেছি তপ্ত দুপুর; এখন বিকেল। সামনে সন্ধ্যা। কার যেনো সুর_ ইশারায় ডাকে, আয় আয় হাঁকে আমার নামেই আসছে রাত্রি গভীর কালো কে যেনো বলছে, দুয়ারে অতিথি প্রদ্বীপ জ্বালো। আলোর খেলাতো দেখেছি আগেও অনেক আমি। এখন রাতের উষ্ণ হাতের স্পর্শ কী পাবো? পাই বা না পাই, আমি চলে যাই দূর দিগন্তে খেলা […]
বৃক্ষবন্দনা
অন্ধ ভূমিগর্ভ হতে শুনেছিলে সূর্যের আহ্বান প্রাণের প্রথম জাগরণে, তুমি বৃক্ষ, আদিপ্রাণ, ঊর্ধ্বশীর্ষে উচ্চারিলে আলোকের প্রথম বন্দনা ছন্দোহীন পাষাণের বক্ষ-‘পরে; আনিলে বেদনা নিঃসাড় নিষ্ঠুর মরুস্থলে। সেদিন অম্বর-মাঝে শ্যামে নীলে মিশ্রমন্ত্রে স্বর্গলোকে জ্যোতিষ্কসমাজে মর্তের মাহাত্ম্যগান করিলে ঘোষণা। যে জীবন মরণতোরণদ্বার বারম্বার করি উত্তরণ যাত্রা করে যুগে যুগে অনন্তকালের তীর্থপথে নব নব পান্থশালে বিচিত্র নূতন দেহরথে, তাহারি […]
