জোছনায় হাঁটতে হাঁটতে
যখন বহুদূর পেরিয়ে এসেছি
কাঁধের ওপর হাত রাখলেন জীবনানন্দ,
সামনের শস্যক্ষেত দেখিয়ে বললেন,
নিড়ানি দাও,
সন্তান হবে, না হয় শস্য হবে।
আমি বললাম, চাবিটা দিন
এ শস্যক্ষেতে প্রবেশ করতে চাবি লাগে,
হেমন্তের হিমমাখা চাবিটা তিনি
চিবিয়ে খেয়ে ফেললেন আমার সামনেই,
পকেট থেকে রুমাল বের করে
তার গিঁট থেকে খুলে দিলেন
বনলতার প্রেম।
বললেন, সব হয়, প্রেম ছাড়া কবিতা হয় না
Related Articles
গোলাপ, তোমার মর্ম
গোলাপ বিষয়ে কোনো সূক্ষ্ম অনুভূতি প্রেমিকের মতো কোনো গভীর মুগ্ধতা- আমার তেমন কিছু নেই; গোলাপের কাছে আমি পর্যটক, বিদেশী পথিক বড়ো জোর এমন সম্পর্ক হে বন্ধু বিদুয়, দেখা হবে। আমি তাই গোলপকে গোলাপ বলি না বলি মহিমার ফুল, বলি মৃত্যু, বলি মর্মান্তিক। সম্পূর্ণ নির্দোষ নগ্ন, আঙুলে কাঁটার কালো ক্ষত কালো বিষ, কালো অন্ধ প্যারিসের পতের […]
থানা গারদ থেকে
তুমি এখন ছাদের আলসেতে হয়ত কাপড় মেলছো ,মাগো । আমাদের বাড়ীর সামনের কাঠাল গাছটার ভারী ভারী পাতাগুলোর বুকে সুর্যের কিরণ হয়ত এখন ছক ছক করছে । আর একটু পরে হয়ত তুমি লাল পেড়ে সেই গরদের শাড়িটা পরে আহ্নিক সারতে বসবে তোমার ভেজা ভেজো এলো চুল গুলো থাকবে পিঠের উপর ছড়িয়ে আর আমি অন্ধকারের চেয়েও কালো […]
চার অন্ধ
শান্তিনগরের মোড়ে এসে চার অন্ধ গায়ে গায়ে ঘেঁষে দাঁড়িয়েছে। ওদের শরীর দেখে শরীরের রূপ, ওদের হৃদয় পড়ে হৃদয়ের ভাষা। সামনে পেছনে আর জলে-স্থলে আকাশে বাতাসে ওরা ছড়িয়েছে স্নায়ুর গহিনে ডালপালা; ওদের দেখার ভঙ্গি সর্ববস্তুনাশা; সূর্য আর নক্ষত্রের আলো নয়, ওদের দেহে ও মনে ক্ষিপ্রতর আলো বিচ্ছুরিত হতে হতে সাত আসমান পার হয়ে আরো দূরে যায়; […]
