জোছনায় হাঁটতে হাঁটতে
যখন বহুদূর পেরিয়ে এসেছি
কাঁধের ওপর হাত রাখলেন জীবনানন্দ,
সামনের শস্যক্ষেত দেখিয়ে বললেন,
নিড়ানি দাও,
সন্তান হবে, না হয় শস্য হবে।
আমি বললাম, চাবিটা দিন
এ শস্যক্ষেতে প্রবেশ করতে চাবি লাগে,
হেমন্তের হিমমাখা চাবিটা তিনি
চিবিয়ে খেয়ে ফেললেন আমার সামনেই,
পকেট থেকে রুমাল বের করে
তার গিঁট থেকে খুলে দিলেন
বনলতার প্রেম।
বললেন, সব হয়, প্রেম ছাড়া কবিতা হয় না
Related Articles
ঘুণপোকার সিংহাসন
ওগো স্তন্যপায়ী ভাষা পিপীলিকাভূক মুখচোরা ভূচর খেচর জলচর দাম্পত্যজীবনে তুষ্ট একশিঙা নীলগাই বারাশিঙা চোরাকিশোরীর হাতে মূল্যবান প্রাণী স্হলে বিচরণকারী উদবিড়াল গন্ধগোকুল বিনোদিনী শব্দগহ্বর খেয়ে নোকরশাহির রাজ্য এনেছ এদেশে ।
মানচিত্রজুড়ে ছয়টি অক্ষর
আমি বর্ণমালা হাতে নিয়ে দেখি তার ছয়টি অক্ষর কখন যে হয়ে গেছে বাঙালির নাম, কখন যে হয়ে গেছে বাংলার সজল আকাশ হয়ে গেছে তেরো শত নদী; এই ছয়টি অক্ষর আমি বুকে গেঁথে নিয়ে কোথায় না গেছি, দেশে দেশে, সভায় সম্মেলনে, জাতিসঙ্গের সদর দরজায় সবখানে বলেছি, এই যে বাঙালি আমি, আমার পরিচয়পত্র শেখ মুজিবর, এই ছয়টি […]
বিদেশ
ঠোঁট দেখলেই বুঝতে পারি, তুমি এদেশে বেড়াতে এসেছো ঐ গ্রীবা, ঐ ভুরুর শোভা এদেশী নয়- কপালে ঐ চূর্ণ অলক, নিমেষ-হারা দৃষ্টি পলক ঐ মুখ ঐ বুকের রেখা এদেশী নয়! বৃষ্টি থামা বিকেলবেলায় পথ ভরেছে শুকনো কাদায় আমরা সবাই কাতর, বুকে পাথর তোমার পা মাটি ছু’লো না তোমার হাসি পাখি-তুলনা তুমি বললে, আমার বৃষ্টি নামুক! আমরা […]
