জোছনায় হাঁটতে হাঁটতে
যখন বহুদূর পেরিয়ে এসেছি
কাঁধের ওপর হাত রাখলেন জীবনানন্দ,
সামনের শস্যক্ষেত দেখিয়ে বললেন,
নিড়ানি দাও,
সন্তান হবে, না হয় শস্য হবে।
আমি বললাম, চাবিটা দিন
এ শস্যক্ষেতে প্রবেশ করতে চাবি লাগে,
হেমন্তের হিমমাখা চাবিটা তিনি
চিবিয়ে খেয়ে ফেললেন আমার সামনেই,
পকেট থেকে রুমাল বের করে
তার গিঁট থেকে খুলে দিলেন
বনলতার প্রেম।
বললেন, সব হয়, প্রেম ছাড়া কবিতা হয় না
Related Articles
সুন্দরের পাশে
সে এত সুন্দর, তাই তার পাশে বসি রূপের বিভায় আমি সেরে নিই লঘু আচমন রূপের ভিতর থেকে উঠে আসে বুকভরা ঘুম আমি তার চোখ থেকে তুলে নিই মিহিন ফুলের পাপড়ি। গন্ধ শুঁকি, পুনরায় ঘুম থেকে জাগি উজ্জল দাঁতের আলো রক্তিম ওষ্ঠকে বহু দূরে নিয়ে যায় রূপের সুদূরতম দেশে চলে যাবে এই ভয়ে আমি দ্রুত সিঁড়ি […]
আশাগুলি
জ্যা-মুক্ত হয়নি চিত্ত অধীর মিলনে কোনোদিন । পরশে খুলেছে দ্বার, বারবার কেটেছে অস্থির ঘুমে শূন্য চিরশয্যা তুমি-হীন । অপক্ব মৈথুনে বিবসনা শ্লীলতা ভাঙেনি শব্দ, আমাদের অবিমৃষ্য যুগলযৌবন অথচ জেগেছে কামে সুপ্তোত্থিতে, প্রিয়তমে মুখর মৃণালে, প্রিয় নামে । তোমাকে বেসেছি ভালো তীব্রতম বেদনার লাগি । মৃত্যুর শিয়রে বসি সেই প্রিয় মুখে রাত্রি জাগি একদিন উচ্চরিত প্রার্থনার […]
সে
আমাকে সে নিয়েছিলো ডেকে; বলেছিলোঃ ‘এ নদীর জল তোমার চোখের মত ম্লান বেতফল; সব ক্লান্তি রক্তের থেকে স্নিগ্ধ রাখছে পটভূমি; এই নদী তুমি।’ ‘এর নাম ধানসিঁড়ি বুঝি?’ মাছরাঙাদের বললাম; গভীর মেয়েটি এসে দিয়েছিলো নাম। আজো আমি মেয়েটিকে খুঁজি; জলের অপার সিঁড়ি বেয়ে কোথায় যে চলে গেছে মেয়ে। সময়ের অবিরল শাদা আর কালো বনানীর বুক থেকে […]
