দু’রকম যুদ্ধ

untitled-5_178987দৌড়াচ্ছে নূরজান। প্রাণপণে।
দৌড়াচ্ছে শরীরের যাবতীয় শক্তি দিয়ে। শক্তি ঠেলে দিয়েছে পায়ে, ভাবনা এমন যে, ফুসফুসেরও শক্তি দরকার নেই কিংবা অন্য অঙ্গের। পা ওকে শক্তিমান করেছে। ও ভাবছে, ও দৌড়াচ্ছে না; উড়ছে। ওড়া ছাড়া ক্ষিপ্র গতিতে যাওয়া যাবে না। পা দিয়ে ওড়া যায়_ এই মুহূর্তে এই সত্য ওর চেয়ে বেশি কে জানে!
কিছুক্ষণ আগেও তিনজন পাকিস্তানি সেনাকে শরীর দিয়ে খুশি করেছে। তীব্র কষ্ট বুকে চেপে রেখে ও ওদের চকচকে মুখ দেখেছে আর ভেবেছে, এটাই ওর যুদ্ধক্ষেত্র_ অস্ত্র দিয়ে নয়; নিজের শরীর দিয়ে উদ্ভাবন করতে চায় যুদ্ধের কৌশল। ওর দৌড়ানোর গতি কমে না। অন্য সময় হলে কোথাও কোনো শারীরিক ব্যথা জেগে উঠত। এখন সে অনুভবও নেই। আসলে ব্যথার খোঁচা গ্রাহ্যের মধ্য থেকে উঠে গেছে। ওর সামনে একটাই লক্ষ্য। ও খবর পেয়েছে, বেলা বারোটার দিকে মিলিটারি বোঝাই একটি জিপ যাবে কাণ্ডপাশা গাঁয়ের দিকে। খবরটা মুক্তিযোদ্ধাদের ক্যাম্পে পেঁৗছাতে হবে।
ও বাতাসে আঁচল উড়তে দেয় না; চুলও না। শাড়ির আঁচল কোমরের সঙ্গে কষে পেঁচিয়ে রেখেছে। আর চুলের গোছা পিঠের ওপরে ব্লাউজের ভেতরে ঢোকানো। ভাবছে, ও এক অদৃশ্য ঘোড়ায় সওয়ার। ওর সঙ্গে সঙ্গে উড়ছে ওর ভাবনাও। যুদ্ধ শুরু হওয়ার আগে বাবা বারান্দায় বসে জাল বুনতো আর ওদের কেচ্ছা শোনাতো। পুঁথির কেচ্ছা। মানুষটা খুব আমুদে ছিল। কেচ্ছা বলতে বলতে মাঝে মাঝে গলা ছেড়ে গান গাইতো। সোনাভানের কেচ্ছা শুনতে সবচেয়ে ভালো লাগতো নূরজানের। বাবা গলা টানটান করে বলত, ঘোড়ায় চড়িয়া মর্দ হাঁটিয়া চলিলো।
ছোট ভাইবোনগুলো হাসতে হাসতে গড়িয়ে পড়তো। হাসি পেতো না ওর। ও সন্ধ্যার আকাশের দিকে তাকিয়ে ভাবতো, কোন তারাটা সোনাভানের ঘোড়া। সেটা যদি খসে পড়ে এ বাড়ির ছাদের ওপর! সোনাভান ওর চোখের ঘুম নামিয়ে আনতো। ওর স্বপ্ন বিছিয়ে থাকতো আকাশে এবং পাতালে। গাঁয়ের লোকে ওকে বলে ডানপিটে মেয়ে। শব্দটা নূরজানকে আনন্দ দেয় না; সাহসী মেয়ে ভাবার প্রেরণাও দেয় না। বরঞ্চ ওর ক্রোধ বাড়ায়। নিজেকে যুৎসই একটা কিছু না ভাবতে পারার ক্রোধ। যখন খবর আসছিলো পাকবাহিনী মানুষ মারছে, গ্রাম জ্বালাচ্ছে, যুদ্ধ শুরু হয়েছে, তখন একদিন পোঁটলা-পুঁটলি বাঁধার সময়ে বড়ো বোন তমিজাকে বললো, আমাকে সোনাভান ডাকো।
ক্যান? চোখ কপালে তোলে তমিজা।
বাবা যে আমাগো সোনাভানের পুঁথি শুনায়। ঘোড়ায় চইড়া সোনাভান যুদ্ধে যায়।
তুই হেই সোনাভান হবি ক্যান? যুদ্ধ করবি?
হ, যুদ্ধ করুম।
তুই না মাইয়া মানুষ?
মাইয়া মানুষ হইলে কি যুদ্ধ করে না?
কী জানি, জানি না!
তমিজা ঠোঁট উল্টায়।
নূরজান হা-হা করে হাসতে হাসতে বলে, সোনাভান কি মাইয়া মানুষ না? ভুইলা যাস ক্যান?
তমিজা চোখ বড় করে তাকিয়ে থাকে। ভাবে, বোনটার মাথা ঠিক নেই। গাছে চড়ে, নৌকা বায়, সাঁতার দিয়ে শাপলা তোলে, কাঠ চিরতে পারে, ভাতও রাঁধে। ও পারে না কী_ এ প্রশ্ন নূরজানকে করা হয় না তমিজার। কেউ না ডাকলেও নিজে নিজে সোনাভান হয়ে যায় নূরজান।
একদিন সকাল বেলা সোজা বাবার সামনে গিয়ে দাঁড়িয়ে বলে, মুই যুদ্ধে যামু। নিজাম মাস্টার মুক্তিযোদ্ধাগো লাইগা ক্যাম্প বানাইছে।
বাবার কণ্ঠ চিরে যায়। চিৎকার করে বলে, তুই যুবতী মাইয়া যুদ্ধে যাবি! পাগল হইছস?
আপনে যাইতে না দিলে মুই আত্মহত্যা করুম।
নূরজান, বেশি সাহস হইছে তোর।
না, আত্মহত্যা করুম না বাবা। মরুম ক্যান? মরলে একটা খানসেনা মাইরা মরুম।
কী কছ এই সব?
মোরে ঘরে বাইন্দা রাখতে পারবেন না। মুই যামু।
যদি যাস্, তাইলে আর এই বাড়িতে তোর জায়গা নাই।
মনে মনে সিদ্ধান্ত নিয়ে বাবার সামনে থেকে সরে যায় নূরজান। কয়দিন পরই নিঃশব্দে বেরিয়ে যায় বাড়ি থেকে। নিজাম মাস্টার ওকে দেখে বিস্মিত হয় না। সহজভাবে বলে, এসেছিস? আয়। অনেক কিছু করার আছে।
শুধু কাম দিবেন। পারি কি-না দেখবেন। না পারলে শাস্তি দিবেন। চাবুক মারবেন।
হয়েছে, থাম। আগে ট্রেনিংটা নিয়ে নে।
শুরু হয় নূরজানের অস্ত্র চালানোর ট্রেনিং। আপাতত রাইফেল ছোড়া ও গ্রেনেডের পিন খোলা শিখতে হয়। পাওয়ার হাউসে পাকবাহিনী ক্যাম্প করেছে। আবু বকর আর ও রেকি করতে গেলে ধরা পড়ে রাজাকারদের হাতে। শুরু হয় পাকবাহিনীর ক্যাম্পের জীবন। নরক, নরক। সে নরকেও নিজেকে প্রস্তুত করে ও। আবু বকর হয় ক্যাম্পের পাহারাদার। কোথাও একচুল নড়ার সাধ্য নেই ওর। শুধু বোবা দৃষ্টি মেলে নূরজানকে দেখে। অবাক হয়, খুশি হয়। একদিন ফিসফিস করে ওকে বলে গিয়েছিল, নানা খবর পাই। পেঁৗছাইতে হইবো মাস্টারের ক্যাম্পে।
ভাবিস না; মাইন আর গেরেনেডও পাচার করুম।
তুই ভালা আছস তো নূরজান?
খুব ভালা আছি। মাইন আর গেরেনেড আমারে দিস। আমি লইয়া যামু মাস্টারের ক্যাম্পে।
পারবি?
পারুম না ক্যান!
বুকে-পিঠে বাঁধা মাইন আর গ্রেনেড নিয়ে দৌড়াচ্ছে ও। এতোক্ষণ দৌড়ানোর পর ওর পায়ের গতি কমে যাওয়ার কথা। কিন্তু কমছে না; বাড়ছে। ওর বুকে হাঁফ ধরেনি। ওর মনে হচ্ছে, ও এক নিঃশ্বাসে পেঁৗছে যাবে মুক্তিবাহিনীর ক্যাম্পে।
ও একবার পেছন ফিরে তাকায়। না, কেউ নেই। ভোরের আলো ফুটলেও রাস্তায় লোক দেখা যাচ্ছে না। ক্যাম্পের পেছনের দরজা খুলে ওকে বের করে দিয়েছে আবু বকর। জিজ্ঞেস করেছে, কোথায় যাস?
নাইতে। নদীতে।
নদীতে!
আবু বকরের অস্ফুট শব্দ।
ওরা জানে আমি পলাই না। কোনোহানে গেলে আবার ফিরা আসি। কেউ খোঁজ করলে তুমি কইবা, গোসল করতে নদীতে গেছে। মনে থাকবো তো?
এইডা কি ভোলার কথা নূরজান? তোরে না পাইলে আমারেও মাইরা ফেলবে। আমাগো মরা চলবো না। সামনে মেলা কাম আছে। তোর খুব সাহস।
তুমি তো জানো আমার যুদ্ধক্ষেত্র দুইডা। সাহস বাদে কি যুদ্ধ হয়?
এতোক্ষণে নূরজানের পায়ের গতি কমে আসে। সামনে ক্যাম্প। ওর উত্তেজনা বাড়ে। উত্তেজনায় বুক ধড়ফড় করে। বুকে-পিঠে হাত দিয়ে মাইন আর গ্রেনেড ছুঁয়ে দেখে। তারপর দরজায় শব্দ করে। একটু আগে দরজার সামনে দাঁড়িয়ে ও বড় করে শ্বাস নেয়। আশ্চর্য, ভোরের বাতাস এতো সি্নগ্ধ!
এক লহমায় সমস্ত ক্লান্তি মুছে নিয়ে যায়। দু’বার শব্দ করার পর ভেতর থেকে হাঁক আসে_ কে?
আমি, নূরজান।
নিজাম মাস্টার ওকে দেখে অবাক হয়।
নূরজান, তুই!
খবর আছে।
ভেতরে আয়। বোস। পানি খাবি?
না।
ও মাস্টারের সামনে বুক-পিঠের কাপড় সরিয়ে মাইন আর গ্রেনেড খুলে ফেলে।
লন।
কীভাবে আনলি?
অহন কইবার পারুম না।
পিঠের ঘাটা শুকিয়েছে?
না, বড়ো জ্বালা দেয়।
খবরটা কী?
বেলা বারোটার দিকে খানসেনা বোঝাই একডা জিপ যাইবো কাণ্ডপাশার দিকে।
নিজাম মাস্টার উত্তেজিত কণ্ঠে বলে, অ্যামবুশ করতে হবে। এখনই।
আশপাশে কয়েকজন ছেলে এসে দাঁড়িয়েছে। প্রত্যেকে বলে, আমি যাবো।
তোমরা বসো। আমাকে সবকিছু ঠিক করতে দাও। নূরজান, তুই ক্যাম্পে ফিরে যা। তোকে খুঁজে না পেলে ওরা তোকে খুঁজবে। তারপর মেরেই ফেলবে।
মারুক। আমার আর মরণের বাকি কী সার?
আহ। বেশি কথা বলিস না। তুই এখনই যা, নইলে কোনো রাজাকারের চোখে পড়ে যাবি।
না, আমি যামু না। আপনে কইয়্যা দ্যান মাইনডা কোনহানে পুঁতা লাগবো। মুই পুতুম। কে কে যাইবো কন। অহনই যাওন লাগবো।
ওর দৃঢ় কণ্ঠ গমগম করে ঘরজুড়ে। নিজাম মাস্টার এবং অন্য পাঁচজন ছেলে স্তব্ধ হয়ে নূরজানের মুখের দিকে তাকিয়ে থাকে। মেয়েটির কণ্ঠ যেন বজ্রধ্বনির মতো। অকস্মাৎ বঙ্গবন্ধু বুঝি এই ঘরে এসে দাঁড়িয়েছেন। ওরা নূরজানের সামনে অসহায় বোধ করে। যেন ওরা এতোদিন কোনো অপারেশনে যায়নি। যেন ওরা এতোদিন যা করেছে তা নেহায়েতই ক্ষুদ্র কাজ; উল্লেখ করার মতো কিছুই নয়। ওরা মাইন ও গ্রেনেড কী জানে না। মেশিনগানের ব্রাশফায়ারের শব্দ শোনেনি। ওরা কি আসলেই জানে_ যুদ্ধ কী? যেভাবে নূরজান যুদ্ধটাকে নিজের মতো দেখছে, সেভাবে? প্রত্যেকে ভেতরে ভেতরে ঘেমে ওঠে।
কী হইলো? সময় নাই তো আর!
নূরজান, খেঁকিয়ে ওঠে। ওর কণ্ঠস্বরে থতমত খেয়ে নিজাম মাস্টার ছেলেদের দিকে আঙুল দেখিয়ে বলে, এরা সব যাবে তোর সঙ্গে।
তাইলে চলেন।
নূরজান উঠে দাঁড়ায়।
নিজাম মাস্টার বলে, একমুঠ পান্তা খা নূরজান।
অহন না।
খিদে পায়নি?
ম্যালা প্যাচাল পাড়েন ক্যান? টাইম নাই।
ও দরজা খুলে দাঁড়ায়। বলে, কোনহানে মাইন পুঁতমু মুই ঠিক করছি। বেলতলার মোড়ে গিয়া ডান দিকে যেহানে বেতগাছের ঝোপ আছে, হের সামনে। কাঁচা রাস্তা। ওপর দিয়া ঘাস বিছায়ে দিলে কিছু বুজবো না।
নিজাম মাস্টার মাথা নাড়ে। ছেলেরাও বলে, হ্যাঁ ঠিক। ওটাই ঠিক জায়গা।
আবার ছুটছে নূরজান। এবার সঙ্গে পাঁচজন মুক্তিযোদ্ধা। এঁকেবেঁকে গাছের আড়ালে ঝোপের আড়ালে নিজেদের গা বাঁচিয়ে ছুটতে হচ্ছে। আবার সেই সি্নগ্ধ বাতাস ভরে দিচ্ছে ওর ফুসফুস। নির্দিষ্ট স্থানে পেঁৗছে দ্রুতহাতে রাস্তায় মাইন পোঁতে ওরা। কাঁচা জায়গার ওপর ঘাস বুনে দেয়। কিছুই বোঝার উপায় নেই। বেত-ঝোপের আড়ালে পজিশন নিয়ে বসে ওরা। একজন খানসেনাকেও ফেরত যেতে দেওয়া হবে না।
সবকিছু ঠিকমতো রেডি হয়ে গেলে নূরজান বলে, মুই যাই?
তোমাকে আমরা যেতে দেবো না নূরজান। তুমি আমাদের সঙ্গে থাকো।
মানা কইরেন না। মোরে এহানে পাইলে গোটা গেরাম জ্বালায়ে দিবো। মানুষ মারবো। আপনেগোরেও ছাড়বো না।
তাই বলে তুমি এমন করে …
মোর কথা ছাড়ান দ্যান। মোর যুদ্ধ দুই রহম। পারলে আমারে বিষ দ্যান। ওই বেডাগোর মুখে বিষ দিমু।
তোমার কষ্ট হচ্ছে নূরজান। শারীরিক কষ্ট।
মোর শরীর দিয়া কী করমু, দ্যাশ যদি স্বাধীন করতে না পারি!
হা-হা করে হেসে ওঠে ও। প্রবল হাসি, যেন হাসির ঝড় বয়ে যায়। পাঁচজন মুক্তিযোদ্ধা জড়োসড়ো হয়ে ওর হাসি শোনে। শুনতে শুনতে ওদের শরীর হিম হয়ে যায়।
ওদের সেই অবস্থায় রেখে নূরজান ফিরে যেতে থাকে ক্যাম্পে। পথে একটা পুকুরে নেমে গোসল করে। ভেজা শাড়ি লেপ্টে থাকে গায়ে। বল্গাউজটা খুলে নেয়। পিঠের উদাম ঘায়ে ও রোদ লাগায়। ওরা বেয়নেটের খোঁচা দিয়েছিলো পিঠে, যা ওদের এক রকম খেলা। দাঁত কিড়মিড় করে ওঠে। চারপাশে তাকায়। খোলা প্রান্তর। আর কতোদিন লাগবে দেশ স্বাধীন হতে?
ক্যাম্পের গেটে ঢুকতেই একজন খানসেনা ওর চুলের মুঠি ধরে হেঁচকা টান দেয়_ কিধার গিয়া? গাদ্দার।
ও ভেজা কাপড় দেখায়। সেই ভেজা কাপড়ের দিকে তাকিয়ে অশল্গীল ভঙ্গিতে হেসে ওঠে খানসেনা। আবু বকর দূরে দাঁড়িয়ে থাকে। ওর দিকে তাকায় না নূরজান। নিজের আস্তানায় ঢুকে যায়। অন্য মেয়েগুলো অলস ভঙ্গিতে বিষণ্ন হয়ে বসে আছে। নূরজান ওদের দিকে গভীর দৃষ্টিতে তাকায়। মেয়েরা চমকে ওঠে। কিন্তু ওকে কিছুই জিজ্ঞেস করতে পারে না। ও পেছন ফিরে কাপড় বদলাতে থাকলে ওরা ওর পিঠের ঘায়ের দিকে তাকিয়ে থাকে।
দুপুরের পর ক্যাম্পে খবর আসে। হুলস্থুল পড়ে যায় চারদিকে। একজন খানসেনাও জীবিত নেই। বিকেলের পর বুটের লাথিতে ওদের ঘরের দরজাটা খুলে যায়। ওরা কারও দিকে না তাকিয়ে সোজা নূরজানের চুলের মুঠি ধরে বাইরে নিয়ে আসে। শুরু হয় নির্যাতন। ও চিৎকার করে না। যতোক্ষণ সহ্য করতে পারে চুপ করে থাকে। তারপর শুরু হয় গোঙানি। ওর অবচেতন থেকে গোঙানির ধ্বনি ছড়িয়ে পড়ে ক্যাম্পে।
একটু পর আবু বকর দেখতে পায় লোহার রডের সঙ্গে ঝুলিয়ে রাখা হয়েছে উলঙ্গ নূরজানকে।
ফোঁটা ফোঁটা রক্ত পড়ছে শরীরের বিভিন্ন জায়গা থেকে।
আবু বকরের মনে হয়, ওকে একটু পানি খাইয়ে আসতে পারলে ও মরবে না। এটা করার জন্য ও রাতের অপেক্ষা করে।

সম্পর্কিত পোষ্ট =>  ভোরের বেলা ফুল তুলে ছিলাম

মন্তব্য

মন্তব্য সমুহ

সেলিনা হোসেন- এর আরো পোষ্ট দেখুন →
রেটিং করুনঃ
1 Star2 Stars3 Stars4 Stars5 Stars (No Ratings Yet)
Loading...