নদীর ওপরে, নদীবক্ষে বেশ ক’টি সুখী দিন
কেটেছিলো মৃদুমন্দ ঢেউয়ের দোলায়,
নদীতীর প্রকৃতই সুখী গৃহকোণ ব’লে মনে হয়েছিলো;
নদীর সময় কম থমকে দাঁড়াবার_
তবু নদী স্থির হ’য়ে কিছুটা থমকে সময় দিয়েছিলো,
এতটা প্রশ্রয় আমি আশাও করিনি;
আমার সৌভাগ্য এই স্বেচ্ছায় নদীই বক্ষে তার
দিয়েছিলো ঠাই _ আতিথ্য, আদর, সুখ।
নদী বলেছিলো : “ভুলে যেয়ো,
আমার তো তাড়া আছে, যাই…”
অবশ্য আমার কোনো তাড়া নেই _ আমি দীর্ঘসূত্রী,
‘আজ থাক্ কাল হবে’ _ ব’লে আমি ফেলে রাখি কাজ,
শেষঅব্দি কোনো কাজই সম্পন্ন করি না_
প’ড়ে থাকে কাজ _ কাজের ওপরে ধুলোবালি জমে,
প্রভূত শ্যাওলা জমে বিষম জরুরি কাজে_
এইভাবে অপরাহ্নে গড়ায় আমার দিনগুলি;
কর্মময় সকাল-দুপুর
কেউ না আমার _ আমি অপরাহ্নময়!
Related Articles
অন্নবিচার
মহিলাদের পোশাক পালটাবার মাংসল গন্ধে বুঁদ যে-ঘরটায় এক ডিভোরসি বোলতাবধু ডিম পার্ক করেছেন শহুরে পাখিদের ছ্যাঁচড়া জঞ্জালের ভজকট ভাষা ডানায় বয়ে ভেতরে ঢুকে ঝোড়ো ঝড় নিজে হাতে দরোজা বন্ধ করে দিয়ে দ্যাখে জোরকদমে চর্চা চলছে দিলদরিয়া ভালোবাসার ঘিজতাঘিজাং যদিও ফাটলপ্রিয় ছারপোকারা নিজেদের কাজ চালিয়ে যাচ্ছিল যে-যার নিজের মতন ভালো বা খারাপ হবার স্বাধীনতার দরুন ছাদ-উঁচু […]
পুরাণ
হে পিতৃপুরুষবর্গ তোমরা মহৎ ছিলে জানি, রূপদক্ষ কীর্তির প্রভাবে আজো প্রাতঃস্মরণীয়, সে কথা বিশ্বাস করি । যে-প্রাসাদ করেছো নির্মাণ প্রজ্ঞায় অক্লান্ত শ্রমে, জোগায় তা কতো ভ্রাম্যমান চোখের আনন্দ নিত্য : অতীতের ডালপালা এসে চোখে-মুখে লাগে আর ফুটে ওঠে সৃষ্টির বিস্ময় । আরো গাঢ় অন্ধকারে ভিজিয়ে শরীর পেঁচা, কাক অথবা বাদুড় আসে শূন্য কক্ষে বিশাল প্রাসাদে […]
সুন্দরের হাতে আজ হাতকড়া, গোলাপের বিরুদ্ধে হুলিয়া
সুন্দরের হাতে আজ হাতকড়া, গোলাপের বিরুদ্ধে হুলিয়া, হৃদয়ের তর্জমা নিষিদ্ধ আর মননের সম্মুখে প্রাচীর বিবেক নিয়ত বন্দী, প্রেমের বিরুদ্ধে পরোয়ানা; এখানে এখন পাখি আর প্রজাপতি ধরে ধরে কারাগারে রাখে- সবাই লাঞ্ছিত করে স্বর্ণচাঁপাকে; সুপেয় নদীর জলে ঢেকে দেয় বিষ, আকাশকে করে উপহাস। আলোর বিরুদ্ধাচারী আঁধারের করে শুধু স্ততি, বসন্তের বার্তা শুনে জারি করে পূর্বাহ্নে কারফিউ, […]

