সুন্দরের হাতে আজ হাতকড়া, গোলাপের বিরুদ্ধে
হুলিয়া,
হৃদয়ের তর্জমা নিষিদ্ধ আর মননের সম্মুখে প্রাচীর
বিবেক নিয়ত বন্দী, প্রেমের বিরুদ্ধে পরোয়ানা;
এখানে এখন পাখি আর প্রজাপতি ধরে ধরে
কারাগারে রাখে-
সবাই লাঞ্ছিত করে স্বর্ণচাঁপাকে;
সুপেয় নদীর জলে ঢেকে দেয় বিষ, আকাশকে
করে উপহাস।
আলোর বিরুদ্ধাচারী আঁধারের করে শুধু স্ততি,
বসন্তের বার্তা শুনে জারি করে পূর্বাহ্নে কারফিউ,
মানবিক উৎসমুখে ফেলে যতো শিলা ও পাথর-
কবিতাকে বন্দী করে, সৌন্দর্যকে পরায় শৃঙ্খল।
Related Articles
অনুভব
১৯৪০ অবাক পৃথিবী! অবাক করলে তুমি জন্মেই দেখি ক্ষুব্ধ স্বদেশভূমি। অবাক পৃথিবী! আমরা যে পরাধীন অবাক, কী দ্রুত জমে ক্রোধ দিন দিন; অবাক পৃথিবী! অবাক করলে আরো— দেখি এই দেশে অন্ন নেইকো কারো। অবাক পৃথিবী! অবাক যে বারবার দেখি এই দেশে মৃত্যুরই কারবার। হিসাবের খাতা যখনি নিয়েছি হাতে দেখেছি লিখিত— `রক্ত খরচ’ তাতে; এদেশে জন্মে […]
যেতে চাইলে যাও
যেতে চাইলে যাও।। কী করে ধরে রাখি তোমায় বিনি সুতোর বাঁধনে? সীমানার ওপার অমোঘ নির্দেশে নির্বাণ কী করে থামাবে বলো অবশ্যম্ভাবী প্রস্থান? নশ্বর পৃথিবীর চিহ্ন তুড়ি মেরে নিশ্চিন্হ যদি করে দিতে চায় ঈশ্বর, কী করে ঠেকাবে বলো? মনস্তাপ পুড়াবে অহর্নিশি বিবর্ণ অালোর ছাপ কালো নিয়তির অতল গহ্বর । – নিলয় ১৬/১০/১৬
দৃশ্যের বাহিরে
সিতাংশু, আমাকে তুই যতো কিছু বলতে চাস, বল। যতো কথা বলতে চাস, বল। অথবা একটাও কথা বলিসনে, তুই বলতে দে আমাকে তোর কথা। সিতাংশু, আমি যে তোর সমস্ত কথাই জেনে গেছি। আমি জেনে গেছি। কী বলবি আমাকে তুই, সিতাংশু ? বলবি যে, ঘরের ভিতরে তোর শান্তি নেই, তোর শান্তি নেই, তোর ঘরের ভিতরে বড়ো অন্ধকার, […]

