তোমরা যা বলো তাই বলো, আমার লাগে না মনে।
আমার যায় বেলা, বয়ে যায় বেলা কেমন বিনা কারণে॥
এই পাগল হাওয়া কী গান-গাওয়া
ছড়িয়ে দিয়ে গেল আজি সুনীল গগনে॥
সে গান আমার লাগল যে গো লাগল মনে,
আমি কিসের মধু খুঁজে বেড়াই ভ্রমরগুঞ্জনে।
ওই আকাশ-ছাওয়া কাহার চাওয়া
এমন ক’রে লাগে আজি আমার নয়নে॥
Related Articles
নির্ভয়
আমরা দুজনা স্বর্গ-খেলনা গড়িব না ধরণীতে, মুগ্ধ ললিত অশ্রুগলিত গীতে। পঞ্চশরের বেদনামাধুরী দিয়ে বাসররাত্রি রচিব না মোরা প্রিয়ে; ভাগ্যের পায়ে দুর্বলপ্রাণে ভিক্ষা না যেন যাচি। কিছু নাই ভয়, জানি নিশ্চয় তুমি আছ, আমি আছি। উড়াব ঊর্ধ্বে প্রেমের নিশান দুর্গম পথমাঝে দুর্দম বেগে, দুঃসহতম কাজে। রুক্ষ দিনের দুঃখ পাই তো পাব, চাই না শান্তি, সান্ত্বনা নাহি […]
বর্ষণ মন্দ্রিত অন্ধকারে এসেছি তোমারি এ দ্বারে
বর্ষণ মন্দ্রিত অন্ধকারে এসেছি তোমারি এ দ্বারে পথিকেরে লহো ডাকি তব মন্দিরের এক ধারে।। বনপথ হতে, সুন্দরী, এনেছি মল্লিকামঞ্জলী তুমি লবে নিজ বেণীবন্ধে মনে রেখেছি এ দুরাশারে।। কোনো কথা নাহি ব’লে ধীরে ধীরে ফিরে যাব চলে। ঝিল্লিঝঙ্কৃত নিশীথে পথে যেতে বাঁশরিতে শেষ গান পাঠাব তোমা-পানে শেষ উপহারে।। Borsonmondrito ondhokare wshechi tomai e dare
ওরা অকারণে চঞ্চল
ওরা অকারণে চঞ্চল। ডালে ডালে দোলে বায়ুহিল্লোলে নব পল্লবদল॥ ছড়ায়ে ছড়ায়ে ঝিকিমিকি আলো দিকে দিকে ওরা কী খেলা খেলালো, মর্মরতানে প্রাণে ওরা আনে কৈশোরকোলাহাল॥ ওরা কান পেতে শোনে গগনে গগনে নীরবের কানাকানি, নীলিমার কোন্ বাণী। ওরা প্রাণঝরনার উচ্ছল ধার, ঝরিয়া ঝরিয়া বহে অনিবার, চির তাপসিনী ধরণীর ওরা শ্যামশিখা হোমানল॥

