আষাঢ়, কোথা হতে আজ পেলি ছাড়া।
মাঠের শেষে শ্যামল বেশে ক্ষনেক দাঁড়া ।।
জয়ধ্বজা ওই-যে তোমার গগন জুড়ে
পুব হতে কোন্ পশ্চিমেতে যায় রে উড়ে,
গুরুগুরু ভেরী কারে দেয় যে সাড়া ।।
নাচের নেশা লাগলো তালের পাতায় পাতায়,
হাওয়ার দোলায় দোলায় শালের বনকে মাতায়।
আকাশ হতে আকাশে কার ছুটোছুটি,
বনে বনে মেঘের ছায়ায় লুটোপুটি-
ভরা নদীর ঢেউয়ে ঢেউয়ে কে দেয় নাড়া।।
Related Articles
আজি তোমায় আবার চাই শুনাবারে
আজি তোমায় আবার চাই শুনাবারে যে কথা শুনায়েছি বারে বারে॥ আমার পরানে আজি যে বাণী উঠিছে বাজি অবিরাম বর্ষণধারে॥ কারণ শুধায়ো না, অর্থ নাহি তার, সুরের সঙ্কেত জাগে পুঞ্জিত বেদনার। স্বপ্নে যে বাণী মনে মনে ধ্বনিয়া উঠে ক্ষণে ক্ষণে কানে কানে গুঞ্জরিব তাই বাদলের অন্ধকারে॥
নিবিড় অমা-তিমির হতে বাহির হল জোয়ার-স্রোতে
নিবিড় অমা-তিমির হতে বাহির হল জোয়ার-স্রোতে শুক্লরাতে চাঁদের তরণী। ভরিল ভরা অরূপ ফুলে, সাজালো ডালা অমরাকূলে আলোর মালা চামেলি-বরনী॥ তিথির পরে তিথির ঘাটে আসিছে তরী দোলের নাটে, নীরবে হাসে স্বপনে ধরণী। উৎসবের পসরা নিয়ে পূর্ণিমার কূলেতে কি এ ভিড়িল শেষে তন্দ্রাহরণী॥ Nibiro Oma Timiro Hotey
শেষ বেলাকার শেষের গানে
শেষ বেলাকার শেষের গানে ভোরের বেলার বেদন আনে॥ তরুণ মুখের করুণ হাসি গোধূলি-আলোয় উঠেছে ভাসি, প্রথম ব্যথার প্রথম বাঁশি বাজে দিগন্তে কী সন্ধানে শেষের গানে॥ আজি দিনান্তে মেঘের মায়া সে আঁখিপাতার ফেলেছে ছায়া। খেলায় খেলায় যে কথাখানি চোখে চোখে যেত বিজলি হানি সেই প্রভাতের নবীন বাণী চলেছে রাতের স্বপন-পানে শেষের গানে॥


