তুমি এবার আমায় লহো হে নাথ,লহো।
এবার তুমি ফিরো না হে–
হৃদয় কেড়ে নিয়ে রহো।
যে দিন গেছে তোমা বিনা
তারে আর ফিরে চাহি না,
যাক সে ধুলাতে।
এখন তোমার আলোয় জীবন মেলে
যেন জাগি অহরহ।
কী আবেশে কিসের কথায়
ফিরেছি হে যথায় তথায়
পথে প্রান্তরে,
এবার বুকের কাছে ও মুখ রেখে
তোমার আপন বাণী কহো।
কত কলুষ কত ফাঁকি
এখনো যে আছে বাকি
মনের গোপনে,
আমায় তার লাগি আর ফিরায়ো না,
তারে
আগুন দিয়ে দহো।
Related Articles
মোর ভাবনারে কী হাওয়ায় মাতালো
মোর ভাবনারে কী হাওয়ায় মাতালো, দোলে মন দোলে অকারণ হরষে। হৃদয়গগনে সজল ঘন নবীন মেঘে রসের ধারা বরষে॥ তাহারে দেখি না যে দেখি না, শুধু মনে মনে ক্ষণে ক্ষণে ওই শোনা যায় বাজে অলখিত তারি চরণে রুনুরুনু রুনুরুনু নূপুরধ্বনি॥ গোপন স্বপনে ছাইল অপরশ আঁচলের নব নীলিমা। উড়ে যায় বাদলের এই বাতাসে তার ছায়াময় এলো কেশ […]
পরবাসী, চলে এসো ঘরে
পরবাসী, চলে এসো ঘরে অনুকূল সমীরণ-ভরে॥ ওই দেখো কতবার হল খেয়া-পারাবার, সারিগান উঠিল অম্বরে॥ আকাশে আকাশে আয়োজন, বাতাসে বাতাসে আমন্ত্রণ। মন যে দিল না সাড়া, তাই তুমি গৃহছাড়া নির্বাসিত বাহিরে অন্তরে॥ রাগ: ইমনকল্যাণ তাল: কাহারবা রচনাকাল (বঙ্গাব্দ): ২২ মাঘ, ১৩৩২ রচনাকাল (খৃষ্টাব্দ): ৫ ফেব্রুয়ারি, ১৯২৬ স্বরলিপিকার: অনাদিকুমার দস্তিদার
যেতে দাও যেতে দাও
যেতে দাও যেতে দাও গেল যারা। তুমি যেয়ো না, তুমি যেয়ো না, আমার বাদলের গান হয় নি সারা ॥ কুটিরে কুটিরে বন্ধ দ্বার, নিভৃত রজনী অন্ধকার, বনের অঞ্চল কাঁপে চঞ্চল– অধীর সমীর তন্দ্রাহারা ॥ দীপ নিবেছে নিবুক নাকো, আঁধারে তব পরশ রাখো। বাজুক কাঁকন তোমার হাতে আমার গানের তালের সাথে, যেমন নদীর ছলোছলো জলে ঝরে […]

