অল্প লইয়া থাকি, তাই মোর যাহা যায় তাহা যায়।
কণাটুকু যদি হারায় তা লয়ে প্রাণ করে “হায় হায়’ ॥
নদীতটসম কেবলই বৃথাই প্রবাহ আঁকড়ি রাখিবারে চাই,
একে একে বুকে আঘাত করিয়া ঢেউগুলি কোথা ধায় ॥
যাহা যায় আর যাহা-কিছু থাকে সব যদি দিই সঁপিয়া তোমাকে
তবে নাহি ক্ষয়, সবই জেগে রয় তব মহা মহিমায়।
তোমাতে রয়েছে কত শশী ভানু, হারায় না কভু অণু পরমাণু,
আমারই ক্ষুদ্র হারাধনগুলি রবে না কি তব পায় ॥
Related Articles
সুখে আমায় রাখবে কেন
সুখে আমায় রাখবে কেন, রাখো তোমার কোলে। যাক-না গো সুখ জ্বলে ॥ যাক-না পায়ের তলার মাটি, তুমি তখন ধরবে আঁটি– তুলে নিয়ে দুলাবে ওই বাহুদোলার দোলে ॥ যেখানে ঘর বাঁধব আমি আসে আসুক বান– তুমি যদি ভাসাও মোরে চাই নে পরিত্রাণ। হার মেনেছি, মিটেছে ভয়– তোমার জয় তো আমারি জয় ধরা দেব, তোমায় আমি ধরব […]
আজি তোমায় আবার চাই শুনাবারে
আজি তোমায় আবার চাই শুনাবারে যে কথা শুনায়েছি বারে বারে॥ আমার পরানে আজি যে বাণী উঠিছে বাজি অবিরাম বর্ষণধারে॥ কারণ শুধায়ো না, অর্থ নাহি তার, সুরের সঙ্কেত জাগে পুঞ্জিত বেদনার। স্বপ্নে যে বাণী মনে মনে ধ্বনিয়া উঠে ক্ষণে ক্ষণে কানে কানে গুঞ্জরিব তাই বাদলের অন্ধকারে॥
চক্ষে আমার তৃষ্ণা
চক্ষে আমার তৃষ্ণা, ওগো তৃষ্ণা আমার বক্ষ জুড়ে। আমি বৃষ্টিবিহীন বৈশাখী দিন, সন্তাপে প্রাণ যায় যে পুড়ে॥ ঝড় উঠেছে তপ্ত হাওয়ায়, মনকে সুদূর শূন্যে ধাওয়ায়– অবগুণ্ঠন যায় যে উড়ে॥ যে-ফুল কানন করত আলো কালো হয়ে সে শুকাল। ঝরনারে কে দিল বাধা– নিষ্ঠুর পাষাণে বাঁধা দুঃখের শিখরচূড়ে॥ রাগ: বৃন্দাবনী সারং-আড়ানা তাল: ঝাঁপতাল রচনাকাল (বঙ্গাব্দ): ভাদ্র, ১৩৪৪ রচনাকাল (খৃষ্টাব্দ): 1938 স্বরলিপিকার: দিনেন্দ্রনাথ ঠাকুর chokkhe amar […]


