বাঁ দিকের বুক পকেটটা সামলাতে সামলাতে
হায়! হায় ! লোকটার ইহকাল পরকাল গেল !
অথচ আর একটু নীচে হাত দিলেই
সে পেতো আলাদ্বীনের আশ্চর্য প্রদীপ,
তার হৃদয় !
লোকটা জানলোই না !
তার কড়ি গাছে কড়ি হল ।
লক্ষ্মী এল রণ-পায়ে
দেয়াল দিল পাহাড়া
ছোটলোক হাওয়া যেন ঢুকতে না পারে !
তারপর একদিন
গোগ্রাসে গিলতে গিলতে
দু’আঙ্গুলের ফাঁক দিয়ে-
কখন খসে পড়েছে তার জীবন-
লোকটা জানলই না !
Related Articles
কাজী নাসির মামুন-এর একগুচ্ছ কবিতা………
ছোবল এই যে মনুষ্যকুল অনেক চিন্ময় শেয়ালের মতো মাটি খোঁড়ে বানায় আপন করে সমাধি ফলক, মান্য করে জ্ঞান মৃত্যু প্রেম নির্মোক অথবা যুদ্ধ–থরো থরো বিভিন্ন চিত্তের প্রহসন আর ছেঁড়া কাগজের মতো বিচ্ছিন্ন প্রভুকে চরম উদ্বেগসহ জীবনের; ললিত বেশ্যার মতো জীবন বিকিয়ে দেয় তত্ত্বে যাজক ঠাকুর আর পীরের আস্থায়; নাগা পাহাড়ের শীর্ষে উঠে আমি তার পতন […]
আকাশলীনা
সুরঞ্জনা, অইখানে যেয়োনাকো তুমি, বোলোনাকো কথা অই যুবকের সাথে; ফিরে এসো সুরঞ্জনা : নক্ষত্রের রুপালি আগুন ভরা রাতে; ফিরে এসো এই মাঠে, ঢেউয়ে; ফিরে এসো হৃদয়ে আমার; দূর থেকে দূরে – আরও দূরে যুবকের সাথে তুমি যেয়োনাকো আর। কী কথা তাহার সাথে? – তার সাথে! আকাশের আড়ালে আকাশে মৃত্তিকার মতো তুমি আজ : তার প্রেম […]
অবাক বারতা
তিনি লোভী নন জানতাম আমি। তবু, তাকে কিনে দিতে হলো হীরার আংটি, কানপাশা একজোড়া। সামান্য চাকরি করি বিমানবন্দরে যা কিছু পাই তাই দিয়ে চলে যায় দিনমান। সব কথা বললাম তাকে, মৃদু হেসে তাকালেন আমার দিকে। ভাসালেন নিজেকে চোখের জলে আমি বোধহীন মানুষের মতো তার দিকে চাইবার আগে শুনি অবাক বারতা, খুব একা থাকি বিদেশ বিভুইয়ে।
