দৈবক্রমেই তোমার সঙ্গে দেখা
তখন তুমি সাঁকোর পরে একা
মড়মড়িয়ে ভাঙছে তখন সাঁকো,
সাঁকোর নীচে খরস্রোতা বান
বাঁধ ভেঙেছে নগর ছত্রখান
চেঁচিয়ে বলি, বাঁচতে হলে বাঁকো।
তখন তুমি নিজের দিকে ঝুঁকে
গোপন কিছু লুকিয়ে নিলে বুকে
শুধিয়েছিলে, তুমি কোথায় থাকো?
আমি থাকি বজ্রে, বন্যা-জলে
যেসব ব্যথা অন্ধকারে জ্বলে,
বাঁচতে হলে আমার সঙ্গে বাঁকো।
দৈবক্রমেই তোমার সঙ্গে দেখা
তুমি তখন মৃত্যুকালীন একা।
Related Articles
সাধারণ মেয়ে
আমি অন্তঃপুরের মেয়ে, চিনবে না আমাকে। তোমার শেষ গল্পের বইটি পড়েছি, শরৎবাবু, “বাসি ফুলের মালা’। তোমার নায়িকা এলোকেশীর মরণ- দশা ধরেছিল পঁয়ত্রিশ বছর বয়সে। পঁচিশ বছর বয়সের সঙ্গে ছিল তার রেষারেষি, দেখলেম তুমি মহদাশয় বটে– জিতিয়ে দিলে তাকে। নিজের কথা বলি। বয়স আমার অল্প। একজনের মন ছুঁয়েছিল আমার এই কাঁচা বয়সের মায়া। তাই জেনে পুলক […]
কবুতর
১৭. কবুতর প্রতীক্ষায় থেকো না আমার আমি আসবো না, থাকলো কথার কবুতর কখনো বাইষ্যা মাসে পেয়ে অবসর নিতান্তই জানতে ইচ্ছে হলে আমার খবর পাখিকে জিজ্ঞেস করো নিরিবিলি, পক্ষপাতহীন পাখি বিস্তারিত সংবাদ জানাবে কী কী ব্যথা এবং আর্দ্রতা রেখেছে দখল করে আশৈশব আমার একালা, আমি কতো একা, কতোখানি ক্ষত আর ক্ষতি নিয়ে বেদনার অনুকূলে প্রবাহিত আমার […]
কবিকে লিখতে দাও
তুমি কথা বলো চোখ দিয়ে, ঠোঁট দিয়ে নয়, অকাট মূর্খ আমি সে ভাষা বুঝতে কষ্ট হয়। আঙুল ভাসিয়ে দিয়ে বাতাসে চিত্রকলা আঁকো, জোছনার কাঁথা মুড়ে নক্ষত্রের পালঙ্কে শুয়ে থাকো। তোমার গহন চুলে আকাশ ছড়িয়ে দেয় নীল, শাড়ির আঁচল থেকে উড়ে যায় ধবল গাঙচিল। আমি তো গো-মূর্খ বুঝি না কিছুই এই ভাষা, জয়ের স্বপ্ন নিয়ে অযথা […]
One thought on “দৈবক্রমেই তোমার সঙ্গে দেখা”
Comments are closed.


nice