
বৃষ্টি ফুরিয়ে গেছে তার, সে খুব গরিব,
তার শুভ্রতার মধ্যে ধূসরতার গন্ধ
হলুদ পাতার ঝরে পড়া;
শরৎ বড় একা একা, শান্ত নিসঃঙ্গ
সে শুধু স্থির পুকুরের মতো নিঃশব্দে বসে থকে,
তার শুষ্ক মুখে জলের কোন কারুকাজ নেই
বর্ষণের লাবণ্য নেই।
এই শরতের জন্য মঝে মাঝে আমার বেশ
মন খরাপ হয়,
অবার তাকে ভালোওবাসি,
আবার তাকে
খুঁজেও বেড়াই;
এই শরতের চেখের দিকে চেয়ে কত কথা মনে পড়ে
তাকে কখনো কখনো রূপকথাও মনে হয়,
পরীর ডানার মতো শাদা এই শরৎ খুব
ভালো।
Related Articles
রাশিয়ার চিঠি-১০
D. “Bremen” বিজ্ঞানশিক্ষায় পুঁথির পড়ার সঙ্গে চোখের দেখার যোগ থাকা চাই, নইলে সে শিক্ষার বারো-আনা ফাঁকি হয়। শুধু বিজ্ঞান কেন, অধিকাংশ শিক্ষাতেই এ কথা খাটে। রাশিয়াতে বিবিধ বিষয়ের ম্যুজিয়মের যোগে সেই শিক্ষার সহায়তা করা হয়েছে। এই ম্যুজিয়ম শুধু বড়ো বড়ো শহরে নয়, প্রদেশে প্রদেশে, সামান্য পল্লীগ্রামের লোকেরও আয়ত্তগোচরে। চোখে দেখে শেখার আর-একটা প্রণালী হচ্ছে ভ্রমণ। […]
যদি আমায় তুমি ভুলে যাও
অনুবাদ:ইমন জুবায়ের একটি কথা আমি তোমাকে জানিয়ে দিতে চাই । তুমি কি জান আমি যখন আমার জানালার বাইরে মন্থর হেমন্তের লাল ডালে স্ফটিক চাঁদটির দিকে তাকাই, যদি ছুঁয়ে দিই আগুনের কাছটিতে অবোধগম্য কিছু ছাই কিংবা কাটা গুঁড়ির বৃত্তাকার শরীর- এসবই তোমার নিকটে আমায় বহন করে নিয়ে যায়, যেনবা- যা কিছু অস্তিত্বশীল, সুগন্ধ, আলো, কিংবা ধাতুসমূহ, […]
পরিখা
স্বচ্ছ রাত্রি এনেছে প্লাবন, উষ্ণ নিবিড় ধুলিদাপটের মরুচ্ছায়ায় ঘনায় নীল। ক্লান্ত বুকের হৃৎস্পন্দন ক্রমেই ধীর হয়ে আসে তাই শেষ সম্বল তোলো পাঁচিল। ক্ষণভঙ্গুর জীবনের এই নির্বিরোধ হতাশা নিয়েই নিত্য তোমার দাদন শোধ? শ্রান্ত দেহ কি ভীরু বেদনার অন্ধকূপে ডুবে যেতে কাঁদে মুক্তি মায়ায় ইতস্তত; কত শিখণ্ডী জন্ম নিয়েছে নূতন রূপে? দুঃস্বপ্নের প্রায়শ্চিত্ত চোরের মতো। মৃত […]

