
বৃষ্টি ফুরিয়ে গেছে তার, সে খুব গরিব,
তার শুভ্রতার মধ্যে ধূসরতার গন্ধ
হলুদ পাতার ঝরে পড়া;
শরৎ বড় একা একা, শান্ত নিসঃঙ্গ
সে শুধু স্থির পুকুরের মতো নিঃশব্দে বসে থকে,
তার শুষ্ক মুখে জলের কোন কারুকাজ নেই
বর্ষণের লাবণ্য নেই।
এই শরতের জন্য মঝে মাঝে আমার বেশ
মন খরাপ হয়,
অবার তাকে ভালোওবাসি,
আবার তাকে
খুঁজেও বেড়াই;
এই শরতের চেখের দিকে চেয়ে কত কথা মনে পড়ে
তাকে কখনো কখনো রূপকথাও মনে হয়,
পরীর ডানার মতো শাদা এই শরৎ খুব
ভালো।
Related Articles
গরীবের সৌন্দর্য
গরিবেরা সাধারণত সুন্দর হয় না। গরিবদের কথা মনে হ’লে সৌন্দর্যের কথা মনে পড়ে না কখনো। গরিবদের ঘরবাড়ি খুবই নোংরা, অনেকের আবার ঘরবাড়িই নেই। গরিবদের কাপড়চোপড় খুবই নোংরা, অনেকের আবার কাপড়চোপড়ই নেই। গরিবেরা যখন হাঁটে তখন তাদের খুব কিম্ভুত দেখায়। যখন গরিবেরা মাটি কাটে ইট ভাঙে খড় ঘাঁটে গাড়ি ঠেলে পিচ ঢালে তখন তাদের সারা দেহে […]
জন্মদিনের কবিতা
আমারো রয়েছে ঋতু, ঋতুচক্রে যেহেতু মানুষ আমি সকল প্রাণীর মতো আমারো রয়েছে তাই প্রাণ, আমারো রয়েছে জন্ম, রয়েছে জন্মের প্রতি প্রেম, রয়েছে মৃত্যুর প্রতি টান। কারো জন্ম ঋতুর বাহিরে নয়, ঋতুর ভিতরে সব; জন্ম-মৃত্যু, দিন-রাত্রি, যৌবন-শৈশব। ঋতুবন্দী সব। ঘনপুঞ্জ জলবিন্দু সম আকাশের নীলে গ্রীষ্মের সকল বিষ কন্ঠ ভরে গিলে তুমি ছিলে নীলকন্ঠ দাবদগ্ধ জীবের মিছিলে, […]
প্রার্থনা
ঋজু শাল অশ্বত্থের শিকড়ে শিকড়ে যত ক্ষুধা সব তুমি সয়েছ, বসুধা। স্তব্ধ নীল আকাশের দৃশ্য অন্তহীন পটভূমি চক্ষুর সীমানা-প্রান্তে বেঁধে দিয়ে তুমি এঁকে দিলে মাঠ বন বৃষ্টি-মগ্ন নদী-তার দুরাভাস তীর আমাকে নিঃশেষে দিলে তোমার একান্ত মৃদু মাটির শরীর। আমার জন্মের ভোর সূযর্য-শরে আহত মাটিতে প্রত্যহকে ধরে থাকা অবাধ্য মুঠিতে। নিবির ঘুমের মৌন জীবনের অস্পষ্ট আভাসে […]

