
বৃষ্টি ফুরিয়ে গেছে তার, সে খুব গরিব,
তার শুভ্রতার মধ্যে ধূসরতার গন্ধ
হলুদ পাতার ঝরে পড়া;
শরৎ বড় একা একা, শান্ত নিসঃঙ্গ
সে শুধু স্থির পুকুরের মতো নিঃশব্দে বসে থকে,
তার শুষ্ক মুখে জলের কোন কারুকাজ নেই
বর্ষণের লাবণ্য নেই।
এই শরতের জন্য মঝে মাঝে আমার বেশ
মন খরাপ হয়,
অবার তাকে ভালোওবাসি,
আবার তাকে
খুঁজেও বেড়াই;
এই শরতের চেখের দিকে চেয়ে কত কথা মনে পড়ে
তাকে কখনো কখনো রূপকথাও মনে হয়,
পরীর ডানার মতো শাদা এই শরৎ খুব
ভালো।
Related Articles
পাওয়া
অন্ধকারে তোমার হাত ছুঁয়ে যা পেয়েছি, সেইটুকুই তো পাওয়া যেন হঠাৎ নদীর প্রান্তে এসে এক আঁজলা জল মাথায় ছুঁইয়ে যাওয়া।
ক্যামোফ্লাজ
নিজেকে বাঁচাতে হলে পরে নাও হরিৎ পোশাক সবুজ শাড়িটি পর ম্যাচ করে, প্রজাপতিরা যেমন জন্ম-জন্মান্তর ধরে হয়ে থাকে পাতার মতন। প্রাণের ওপরে আজ লতাগুল্ম পত্রগুচ্ছ ধরে তোমাকে বাঁচতে হবে হতভম্ব সন্ততি তোমার। নিসর্গের ঢাল ধর বক্ষস্থলে যেন হত্যাকারীরা এখন ভাবে বৃক্ষরাজি বুঝি বাতাসে দোলায় ফুল অবিরাম পুষ্পের বাহার। জেনো, শত্রুরাও পরে আছে সবুজ কামিজ শিরস্ত্রাণে […]
গভর্মেন্টের টাকা
আম উঠেছে জাম উঠেছে কাঁঠাল পাকা পাকা কিন্তু কিছুই কেনা যাচ্ছে না পকেটে নেই টাকা। কোথায় পাবো টাকা কোথায় গেছে টাকা বাবা দিলেন ধমক, পকেট আমার ফাঁকা। মায়ের কথা কি আর বলবো, টাকার কথা শুনে জ্বলে উঠলেন তেল বেগুনে, চুরি করবো নাকি। অজ্ঞত্য তার কাকা ছিলেন বাকি খোকন গেল কাকার কাছে ছুটি বায়না শুনে কাকা […]

