-বৃক্ষের বল্কল দেখে মনে হয় যেন আমাদের
কথোপকথনগুলো যাতে না হারায়
আশ্চর্য হরফে লিখে রেখেছে উল্কির মতো নিজেদের গায়।
পৃথিবীর বৃক্ষগুলো মানুষের গোপনীয়তম
সমস্ত সংবাদ জানে,এমনকি তোমাকে যা কখনো বলিনি
হৃদয়ের সেই সব তূর্ষনাদও আর্তনাদও জানে।
-নভোমন্ডলের দিকে চেয়ে থেকে ঠিক এরকমই
ভেবেছি আমিও। কোন গোপন আলমারী ঘেঁটে-ঘুঁটে
তোমাকে যে-সব চিঠি লিখেছি,যা কখনো লিখিনি
নক্ষত্র-অক্ষরে যেন ছাপিয়ে রেখেছে তার সব
অভ্রকণা,অশ্রুকণাগুলি।
Related Articles
একুশের কবিতা
ফেব্রুয়ারির একুশ তারিখ দুপুর বেলার অক্ত বৃষ্টি নামে, বৃষ্টি কোথায় ? বরকতের রক্ত। হাজার যুগের সূর্যতাপে জ্বলবে এমন লাল যে, সেই লোহিতেই লাল হয়েছে কৃষ্ণচূড়ার ডাল যে ! প্রভাতফেরীর মিছিল যাবে ছড়াও ফুলের বন্যা বিষাদগীতি গাইছে পথে তিতুমীরের কন্যা। চিনতে না কি সোনার ছেলে ক্ষুদিরামকে চিনতে ? রুদ্ধশ্বাসে প্রাণ দিলো যে মুক্ত বাতাস কিনতে ? […]
অমলকান্তি
অমলকান্তি আমার বন্ধু, ইস্কুলে আমরা একসঙ্গে পড়তাম। রোজ দেরি করে ক্লাসে আসতো, পড়া পারত না, শব্দরূপ জিজ্ঞেস করলে এমন অবাক হয়ে জানলার দিকে তাকিয়ে থাকতো যে, দেখে ভারী কষ্ট হত আমাদের। আমরা কেউ মাষ্টার হতে চেয়েছিলাম, কেউ ডাক্তার, কেউ উকিল। অমলকান্তি সে-সব কিছু হতে চায়নি। সে রোদ্দুর হতে চেয়েছিল! ক্ষান্তবর্ষণ কাক-ডাকা বিকেলের সেই লাজুক রোদ্দুর, […]
গীতাঞ্জলির ভাষা
নদী ও রাত্রি বণ্টন হয়ে গেলে আলোকরঞ্জন দায় নিয়ে উদ্দালক, পাহারাদার। মহাত্মা গান্ধীর মতো নতজানু হয়ে বললাম, ‘চরের জনগণ স্বস্তির নিঃশ্বাস ফেলে দ্বারস্থ আপনার ‘যথার্থ মুরুবি্ব পাওয়া দুষ্কর এখন, বিশ্বজুড়ে হরেক কিসিমের তালেবর, হাওয়া বুঝে দিচ্ছে সবক; ঘরের শত্রু বিভীষণ; বিশ্বব্যাংক, আইএমএফ নিচ্ছে কেড়ে বাস্তু-ভিটেঘর’ আমার কথায় আলোকরঞ্জন, “এই প্রজন্মের হাতে সহাবস্থান আর সৌহার্দ্যের গুরুবার […]

